সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির ইতিহাস ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: শহীদ জিয়ার উত্তরাধিকার রক্ষার আহ্বান নাটোর-৩ আসনের সংসদ সদস্যের লক্ষ্য এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণ জনসেবার মানোন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন ডাক বিভাগের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আনজীর আহম্মদ **ঢাকা সেন্টারের কাউন্সিল সদস্য পদে প্রার্থী, সরকারি দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে প্রকৌশলী সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা** বিআরটিসির বড় উদ্যোগ: দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে হাজার হাজার দক্ষ চালক তৈরি অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

কবি’- নুরের নেছা নার্গিস (নিলাশার স্বপ্ন)_র লেখা কবিতা ★”আত্মসমালোচনা”★

সাহিত্য
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩ ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

আত্মসমালোচনা

কবি’-নুরের নেছা নার্গিস (নিলাশার স্বপ্ন)

অল্প কথায় গল্প শেষ
শুনতে ভালো লাগবে বেশ।
সবাই দেয় আমায় উপদেশ।
কেন তবু শেষ হয়না
নানা রকম কথার রেশ।
আমায় নিয়ে সবাই তাই
বসায় নানান সমাবেশ।
অল্প সব ই ভালো সকলে তা জানি,
অল্প কথায় গল্প পারিনা বলে
সবাই করে কানাকানি।
অল্প বলা গল্প টা হয়ে যায় কাহিনী।
আমি থাকি আমার মত
নয়তো আমি বোকা,
বিশ্বাস করে কারো কাছে
খাইনি কবু ধোকা।
অল্পতে খুশি হতাম না বলে
ছোট বেলায় করতাম শুধু রাগ
বাধ্যহয়ে বাবা মা দিতো
সবকিছু বেশির ভাগ।
খাওয়ার বেলায় কমই
খাই লবনটা খাই বেশী,
মায়ের কাছে বকা খেতাম
বাবার কাছে দোষী।
মশলাতে যা আছে
আমি বেশি খাই ঝাল
গ্যাস্টিকের ব্যথায় অসুস্থ
হয়ে থাকি কিছুকাল।
টক একটু অল্প খেলেও
বেশি যে খাই মিষ্টি,
আমার হাতে চা খায়না কেউ
শরবত হয় নাকি সৃষ্টি।
কথার বেলায় আমি নাকি
বলি অনেক কথা
শুনতে চাওয়া মানুষগুলির
করে মাথা ব্যথা।
মা আপু তাই কথায়
কথায় বলে বাচাল মুখী
বেশি কথা বলিস তাই
হতে পারিসনা সুখী।
পড়ার বয়সে অনেক
রাত জেগে পড়তাম,,
রাতের দুইটা বেজে গেলেও
কত কিছু লিখতাম
লিখার নেশায় রেড়িওতে
বেশি বেশি গান শুনতাম
একশটা গান লিখে খাতায়
বসে বসে গুনতাম।
ছিলো সবগুলো লিখা
আমার পুরানো ছবির গান।
খাতা নষ্ট হতো বলে
আপু করতো অভিমান।
ছন্দ লিখতাম ধাঁধাঁ লিখতাম
আঁকতাম ফুল পাতা
বেশি বেশি নষ্ট করতাম
এভাবে কত খাতা।
মায়ের চেয়ে মাসির
দরদ কভূ বেশি হয়না
সবাইকে আপন ভাবতে গিয়ে
এ কথাটি মনে রয়না
অল্প দিনে সবার সাথে
বেশি মিশে যাই,
যার কারনে অল্পকথায়
অনেকবেশি কষ্ট পায়।
কথা বলতে গেলে কোনও
কথা রাখিনা আর বাকী,
কি বলবো না বলবো
ভেবে কবু নাহি দেখি।
যেভাবে চলা বারন আমার
সেভাবে বেশি চলি,
আপন ভেবে সবার সাথে
সব কথা তাই বলি।
লেখাপড়া বেশি করলেও
জ্ঞান আমার খুব অল্প
না বুঝে সবার সাথে
করি সব রকম গল্প।
আপু বলে আমি নাকি
অনেক বেশি বোকা,
কৌশলে মানুষ আমায়
তাই দিবে একদিন ধোকা।
সত্যি হলো মা ভেবে যাকে
আমি সবকথা বলেছিলাম,
তার কারনে সব হারিয়ে
নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
বাবা বলতো সবাইক
এভাবে বেশি করলে বিশ্বাস।
একদিন তোর হবে
দেখবি বড় সর্বনাশ।
আজকে তা সত্যি হাওয়ায়
লিখি বেশি বেশি
আপন ভেবে সবার সাথে
অনেকটা যাই মিশি।
তাই প্রিয়জনের কাছে
বার বার হই দোষী।
বলেন তিনি সব কিছুতে
আমি থাকি যেন কম।
সুযোগ পেয়ে কেউ হবে না
আমার সুখের যম।
শ্বপথ করে প্রিয়জনের
সাথে শ্বপথ ভুলে যাই
বেশি লিখতে গিয়ে তার
কথাতেও বেশি কষ্ট পাই।

ট্যাগস :

কবি’- নুরের নেছা নার্গিস (নিলাশার স্বপ্ন)_র লেখা কবিতা ★”আত্মসমালোচনা”★

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

আত্মসমালোচনা

কবি’-নুরের নেছা নার্গিস (নিলাশার স্বপ্ন)

অল্প কথায় গল্প শেষ
শুনতে ভালো লাগবে বেশ।
সবাই দেয় আমায় উপদেশ।
কেন তবু শেষ হয়না
নানা রকম কথার রেশ।
আমায় নিয়ে সবাই তাই
বসায় নানান সমাবেশ।
অল্প সব ই ভালো সকলে তা জানি,
অল্প কথায় গল্প পারিনা বলে
সবাই করে কানাকানি।
অল্প বলা গল্প টা হয়ে যায় কাহিনী।
আমি থাকি আমার মত
নয়তো আমি বোকা,
বিশ্বাস করে কারো কাছে
খাইনি কবু ধোকা।
অল্পতে খুশি হতাম না বলে
ছোট বেলায় করতাম শুধু রাগ
বাধ্যহয়ে বাবা মা দিতো
সবকিছু বেশির ভাগ।
খাওয়ার বেলায় কমই
খাই লবনটা খাই বেশী,
মায়ের কাছে বকা খেতাম
বাবার কাছে দোষী।
মশলাতে যা আছে
আমি বেশি খাই ঝাল
গ্যাস্টিকের ব্যথায় অসুস্থ
হয়ে থাকি কিছুকাল।
টক একটু অল্প খেলেও
বেশি যে খাই মিষ্টি,
আমার হাতে চা খায়না কেউ
শরবত হয় নাকি সৃষ্টি।
কথার বেলায় আমি নাকি
বলি অনেক কথা
শুনতে চাওয়া মানুষগুলির
করে মাথা ব্যথা।
মা আপু তাই কথায়
কথায় বলে বাচাল মুখী
বেশি কথা বলিস তাই
হতে পারিসনা সুখী।
পড়ার বয়সে অনেক
রাত জেগে পড়তাম,,
রাতের দুইটা বেজে গেলেও
কত কিছু লিখতাম
লিখার নেশায় রেড়িওতে
বেশি বেশি গান শুনতাম
একশটা গান লিখে খাতায়
বসে বসে গুনতাম।
ছিলো সবগুলো লিখা
আমার পুরানো ছবির গান।
খাতা নষ্ট হতো বলে
আপু করতো অভিমান।
ছন্দ লিখতাম ধাঁধাঁ লিখতাম
আঁকতাম ফুল পাতা
বেশি বেশি নষ্ট করতাম
এভাবে কত খাতা।
মায়ের চেয়ে মাসির
দরদ কভূ বেশি হয়না
সবাইকে আপন ভাবতে গিয়ে
এ কথাটি মনে রয়না
অল্প দিনে সবার সাথে
বেশি মিশে যাই,
যার কারনে অল্পকথায়
অনেকবেশি কষ্ট পায়।
কথা বলতে গেলে কোনও
কথা রাখিনা আর বাকী,
কি বলবো না বলবো
ভেবে কবু নাহি দেখি।
যেভাবে চলা বারন আমার
সেভাবে বেশি চলি,
আপন ভেবে সবার সাথে
সব কথা তাই বলি।
লেখাপড়া বেশি করলেও
জ্ঞান আমার খুব অল্প
না বুঝে সবার সাথে
করি সব রকম গল্প।
আপু বলে আমি নাকি
অনেক বেশি বোকা,
কৌশলে মানুষ আমায়
তাই দিবে একদিন ধোকা।
সত্যি হলো মা ভেবে যাকে
আমি সবকথা বলেছিলাম,
তার কারনে সব হারিয়ে
নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
বাবা বলতো সবাইক
এভাবে বেশি করলে বিশ্বাস।
একদিন তোর হবে
দেখবি বড় সর্বনাশ।
আজকে তা সত্যি হাওয়ায়
লিখি বেশি বেশি
আপন ভেবে সবার সাথে
অনেকটা যাই মিশি।
তাই প্রিয়জনের কাছে
বার বার হই দোষী।
বলেন তিনি সব কিছুতে
আমি থাকি যেন কম।
সুযোগ পেয়ে কেউ হবে না
আমার সুখের যম।
শ্বপথ করে প্রিয়জনের
সাথে শ্বপথ ভুলে যাই
বেশি লিখতে গিয়ে তার
কথাতেও বেশি কষ্ট পাই।