সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবাদলিপি

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগের উপকমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদকে নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ, অভিযোগ ও বক্তব্যের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রকাশিত এসব সংবাদে আমার কর্মজীবন, দায়িত্ব পালন, কথিত অনিয়ম এবং বর্তমান পদায়ন সম্পর্কে যেসব অভিযোগ ও প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রকৃত তথ্য, প্রাসঙ্গিক নথি এবং আমার বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই করার স্বার্থে এই প্রতিবাদলিপি প্রদান করছি।

আমি মনে করি, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা এবং তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথি যাচাই এবং অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা অনুসন্ধান করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা যাচাইয়ের আগেই কোনো ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তাঁর পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আমার কর্মজীবন ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ, পদায়নসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন এবং বিভাগীয় নথি পর্যালোচনা করে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রমের বিষয়ে ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত অব্যাহতির নোটিশসহ প্রাসঙ্গিক সরকারি নথি বিবেচনায় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা প্রয়োজন। তবে ওই আদেশের আওতার বাইরে অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে সেগুলোর প্রকৃত অবস্থাও সংশ্লিষ্ট নথির ভিত্তিতে পৃথকভাবে যাচাই করা উচিত।

আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো তদন্ত, সিদ্ধান্ত বা আইনগত কার্যক্রম থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করার ক্ষেত্রে আমার আপত্তি নেই। বরং প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রাসঙ্গিক বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা।

আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদক, প্রকাশক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রকাশিত সংবাদে কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ, অসংগতিপূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর হয়ে থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী, ব্যাখ্যা কিংবা এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আমার বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আমি বিশ্বাস করি, নিরপেক্ষ অনুসন্ধান, তথ্যের যথার্থতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের মধ্য দিয়েই প্রকৃত সত্য প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আমার বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলোর ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে বলে প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি ভুল ও মিথ্যা সাংবাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী:

আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ

 

 

ট্যাগস :

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিবাদলিপি

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগের উপকমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদকে নিয়ে প্রকাশিত কিছু সংবাদ, অভিযোগ ও বক্তব্যের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রকাশিত এসব সংবাদে আমার কর্মজীবন, দায়িত্ব পালন, কথিত অনিয়ম এবং বর্তমান পদায়ন সম্পর্কে যেসব অভিযোগ ও প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রকৃত তথ্য, প্রাসঙ্গিক নথি এবং আমার বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই করার স্বার্থে এই প্রতিবাদলিপি প্রদান করছি।

আমি মনে করি, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা এবং তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথি যাচাই এবং অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা অনুসন্ধান করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা যাচাইয়ের আগেই কোনো ব্যক্তিকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তাঁর পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আমার কর্মজীবন ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ, পদায়নসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন এবং বিভাগীয় নথি পর্যালোচনা করে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশেষ করে আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রমের বিষয়ে ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত অব্যাহতির নোটিশসহ প্রাসঙ্গিক সরকারি নথি বিবেচনায় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা প্রয়োজন। তবে ওই আদেশের আওতার বাইরে অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে সেগুলোর প্রকৃত অবস্থাও সংশ্লিষ্ট নথির ভিত্তিতে পৃথকভাবে যাচাই করা উচিত।

আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো তদন্ত, সিদ্ধান্ত বা আইনগত কার্যক্রম থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই করার ক্ষেত্রে আমার আপত্তি নেই। বরং প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রাসঙ্গিক বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হোক—এটাই আমার প্রত্যাশা।

আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদক, প্রকাশক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রকাশিত সংবাদে কোনো তথ্য অসম্পূর্ণ, অসংগতিপূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর হয়ে থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী, ব্যাখ্যা কিংবা এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আমার বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে আমার বক্তব্য গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আমি বিশ্বাস করি, নিরপেক্ষ অনুসন্ধান, তথ্যের যথার্থতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের মধ্য দিয়েই প্রকৃত সত্য প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আমার বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলোর ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে বলে প্রত্যাশা করছি। পাশাপাশি ভুল ও মিথ্যা সাংবাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী:

আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ