সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

একটি অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে এসে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন মো. ইব্রাহীম খলিল। তাঁর ভাষ্য, সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে তিনি কর্মজীবনের বাকি সময়টুকু সম্মানের সঙ্গে কাটাতে চান।

ইব্রাহীম খলিল বলেন, “আমি একটি অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে এসে মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। আমি এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই এবং সৎভাবে জীবনযাপন করতে চাই। আমার প্রত্যাশা, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি যেন সবার আস্থা অর্জন করতে পারি।”

সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ ও সমালোচনার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য, নথিপত্র ও বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। তাঁর মতে, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যেমন অনিয়ম ও অসংগতি তুলে ধরবে, তেমনি একজন ব্যক্তির বক্তব্য ও বাস্তব পরিস্থিতিও পাঠকের সামনে তুলে ধরবে।

তিনি আরও বলেন, “কেউ যদি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে আমার সামাজিক সম্মান ও ব্যক্তিগত জীবনকে বিষিয়ে তুলতে চান, তাহলে সেটি অন্যায় হবে। আমি চাই, আমার বিষয়ে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান হোক। আমার ভালো-মন্দ সবকিছু জেনে, প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করে সাংবাদিকরা সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশ করুন। সত্যের ভিত্তিতে সমালোচনা হলে তা গ্রহণ করা উচিত।”

সমালোচনাকে স্বাগত, তবে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান

ইব্রাহীম খলিলের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার বিরোধী নন; বরং তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সমালোচনার পক্ষে। তাঁর মতে, কোনো অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি যথাযথভাবে প্রকাশ করা যেমন প্রয়োজন, তেমনি অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথিও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

তিনি মনে করেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যক্তির ন্যায্য বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ—দুটিই একটি সুস্থ প্রশাসনিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তার কর্মজীবন, দায়িত্ব পালন কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার উত্তর হওয়া উচিত তথ্য, নথি ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে।

দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আস্থা অর্জনের প্রত্যাশা

বিএডিসির মতো কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। ইব্রাহীম খলিলের প্রত্যাশা, তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, জীবনের বাকি কর্মজীবন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যেতে চান। তাঁর মতে, একজন কর্মকর্তার প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত তাঁর কাজ, দায়িত্ব পালনের রেকর্ড, নৈতিক অবস্থান এবং প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে।

জনস্বার্থে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের গুরুত্ব

সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথি পর্যালোচনা এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানা সংবাদ প্রকাশের অপরিহার্য অংশ।

ইব্রাহীম খলিলকে ঘিরে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট আদেশ, তদন্তের নথি, আর্থিক হিসাব এবং তাঁর বর্তমান দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রামাণ্য তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অযাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে কারও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

সবশেষে ইব্রাহীম খলিলের প্রত্যাশা, তাঁর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা অনুমাননির্ভর বক্তব্যের পরিবর্তে সত্য, নথি ও বাস্তবতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি চান, তাঁর কর্মজীবনের ভালো-মন্দ সব দিকই উঠে আসুক, তবে তা যেন হয় নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে।

 

 

ট্যাগস :

অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল

আপডেট সময় : ১১:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

একটি অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে এসে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন মো. ইব্রাহীম খলিল। তাঁর ভাষ্য, সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে তিনি কর্মজীবনের বাকি সময়টুকু সম্মানের সঙ্গে কাটাতে চান।

ইব্রাহীম খলিল বলেন, “আমি একটি অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে এসে মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। আমি এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই এবং সৎভাবে জীবনযাপন করতে চাই। আমার প্রত্যাশা, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি যেন সবার আস্থা অর্জন করতে পারি।”

সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ ও সমালোচনার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য, নথিপত্র ও বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। তাঁর মতে, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা যেমন অনিয়ম ও অসংগতি তুলে ধরবে, তেমনি একজন ব্যক্তির বক্তব্য ও বাস্তব পরিস্থিতিও পাঠকের সামনে তুলে ধরবে।

তিনি আরও বলেন, “কেউ যদি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে আমার সামাজিক সম্মান ও ব্যক্তিগত জীবনকে বিষিয়ে তুলতে চান, তাহলে সেটি অন্যায় হবে। আমি চাই, আমার বিষয়ে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান হোক। আমার ভালো-মন্দ সবকিছু জেনে, প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করে সাংবাদিকরা সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশ করুন। সত্যের ভিত্তিতে সমালোচনা হলে তা গ্রহণ করা উচিত।”

সমালোচনাকে স্বাগত, তবে তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান

ইব্রাহীম খলিলের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার বিরোধী নন; বরং তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সমালোচনার পক্ষে। তাঁর মতে, কোনো অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি যথাযথভাবে প্রকাশ করা যেমন প্রয়োজন, তেমনি অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথিও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

তিনি মনে করেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যক্তির ন্যায্য বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ—দুটিই একটি সুস্থ প্রশাসনিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তার কর্মজীবন, দায়িত্ব পালন কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার উত্তর হওয়া উচিত তথ্য, নথি ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে।

দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আস্থা অর্জনের প্রত্যাশা

বিএডিসির মতো কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। ইব্রাহীম খলিলের প্রত্যাশা, তিনি তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তিনি বলেন, জীবনের বাকি কর্মজীবন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যেতে চান। তাঁর মতে, একজন কর্মকর্তার প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত তাঁর কাজ, দায়িত্ব পালনের রেকর্ড, নৈতিক অবস্থান এবং প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে।

জনস্বার্থে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের গুরুত্ব

সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য গ্রহণ, সরকারি নথি পর্যালোচনা এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানা সংবাদ প্রকাশের অপরিহার্য অংশ।

ইব্রাহীম খলিলকে ঘিরে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট আদেশ, তদন্তের নথি, আর্থিক হিসাব এবং তাঁর বর্তমান দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রামাণ্য তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে অভিযোগের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অযাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে কারও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকিও কমবে।

সবশেষে ইব্রাহীম খলিলের প্রত্যাশা, তাঁর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা অনুমাননির্ভর বক্তব্যের পরিবর্তে সত্য, নথি ও বাস্তবতাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি চান, তাঁর কর্মজীবনের ভালো-মন্দ সব দিকই উঠে আসুক, তবে তা যেন হয় নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে।