জাতীয় প্রেসক্লাবে কানাঘুষা?
- আপডেট সময় : ০৩:০০:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
লেখক জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিক মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ চারদলীয়জোট ভাঙার যারা আত্মঘাতি কাজে উগ্র হিংস্র প্রতিবেশীর ইন্ধনে তাদের অদৃশ্য স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে তৈরী করে রেখে ছিলো তাদের আগুন দিয়ে মাঠে ছেড়ে দিলো? দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া বলেন স্বাধীনতাকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের লেবাসে ভেঙে যাওয়া চারদলীয় জোটের সাথে দূরত্ব বাড়ানো চক্রান্তে লিপ্ত? সতর্ক থাকতে হতে বললেন দেশনেত্রী? বিএনপির চেয়ারম্যান এর উচিৎ ঐ দিকটা নজরে রাখা না হলে ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত থাকা সত্বেও এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী হিসাবে দেশনেত্রীকে সাজা দেয়? তারা কিন্তু আগেই সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত করেছে? এবার কার্যকর করতে দেশের একমাত্র পরিবার স্বাধীনতা, গনতন্ত্র, গণমাধ্যম ও আত্মনির্ভরশীল করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের পরিবারটা নিশ্চিহ্ন করতেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে ঘায়েল করতে ফ্যাসিবাদের শিক্ষানো বক্তব্য দিচ্ছে। এমন মন্তব্য আর কানাঘুষা সাধারণ মানুষের মাঝে। ইতিমধ্যে যারা এই চক্রান্ত ভুন্ডল করতে চক্রান্তের বিষয় দেশপ্রেমিক রাজনৈতিকদের ও জনগনকে আগাম সতর্ক বার্তা দিবে। আয়না ভেঙে সেই সব স্হানে ব্যাবহার অযোগ্য কাজ বসানো হয়েছে। যদি সাপ্তাহিক হককথা বন্ধ করার পর এমন কথা মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বলেছিলেন। দেশের চারটি মাত্র সংবাদ রেখে বাকী সব গুলো বন্ধ করা ইষ্ট ইণ্ডিয়ান কোম্পানি নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যার পর বেকার হোস্টেল থাকা যুবক।২৫ রাতে নিজ পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে রেখে পাকিস্তান চলে যাওয়া ব্যক্তিটি শুধু মাত্র ক্ষমতার জন্যে ১০ জানুয়ারী ৭২ দেশে ফিরে হিংস্র উগ্র প্রতিবেশীর সমর্থনের জন্যে তাদের নিজ চেয়ার ছাড়া সব উজার করেদেয়। তারপর অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর ৭৫ সিপাহী জনতার বিপ্লব মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেই বললেন সব গণমাধ্যম খুলে দিয়ে শাসকে সোজা পথ দেখানোর অনুরোধ করতে হবে। সিনিয়র সাংবাদিকদের অনুরোধ ১৯৫৪ সাল থেকে প্রেসক্লাব এর জায়গাটা এক বছরের জন্যে বরাদ্দ প্রদান করেন। তারপর দুই বছরের জন্যে বরাদ্দ প্রদান করেন। তার আগে শেখ মজিবুর রহমান প্রেসক্লাবকে কাকরাইল তবলিগ জামায়াতের মসজিদের সামনে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। তারপর দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া স্হায়ী বরাদ্দ প্রদান করেন। এই অস্হায়ী ও স্হায়ী বরাদ্দে যাদের অবদান তারা হলেন সাপ্তাহিক হলিডের সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খান,আনোয়ার জাহিদ, গিয়াস কামাল চৌধুরী। তাদের নামে জাতীয় প্রেসক্লাবে একটা ফুলের গাছও নাই। স্হায়ী বরাদ্দে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্ধুদ্ধ করণে আনোয়ার জাহিদ, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আব্দুল কাদের মোল্লা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী আলহাজ্ব মোসাদ্দেক হোসেন ফালু তাদের একই পরিণতি? আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে মাঠে সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকরা বলছিলেন সাংবাদিকদের এবং মানবাধিকার বঞ্চিত দেশবাসীর ৫আগষ্ট২৪ পর্যন্ত সারাদেশ ফ্যাসিবাদের জুলুমের থেকে রক্ষার শেষ আশ্রয়স্হল ছিলো গনতন্ত্র আর মানবাধিকার বঞ্চিত মানুষের আশ্রয়স্হল হিসাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আধিপত্যবাদ আর ফ্যাসিবাদের সাথে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিজে,বর্তমান মহামন্য প্রেসিডেন্ট ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ও বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী গ্রেফতার ও লাঞ্চিত হয়? ৫ আগষ্ট ২৪ জুলাই এর আগে যারা আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত করে তাদের সম্পদ রক্ষায় তড়িঘড়ি দায়িত্ব নেয়! তারা এখন গোটা দেশের ফ্যাসিবাদের আচরণ এখানে প্রবেশ করায়? অনেকেই বলালি করছে শওকত মাহমুদ শেষ পর্যন্ত জুলুম নিপীড়ন নির্যাতন মরহুম রুহুল আমীন গাজীর মত সহ্য করতে না পারায় সুবেদাকে দর্শন পরির্বতন করায় তার সদস্য পদ বাতিল করে। অবশ্য ফ্যাসিবাদ আর লেবাসধারী নাকী এখন এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যেহেতু জুলুমের স্বীকার হলে তারেক রহমান হবেন তাই বিষয়টা তাকে নজরদারিতে নেওয়া উচিৎ বলে সিনিয়র সাংবাদিকরা মনে করে। আবার একটা মহল মনে করে ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উদযাপন হচ্ছে হোক। তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বরাদ্দের বছর আর দেশনেত্রী স্হায়ী বরাদ্দ প্রদানের উৎযাপন না করার জন্যেই অপেশাদারদের সদস্য করা হয়েছে। অন্যরা বলছে জনাব তারেক রহমান এই সেক্টরে যারা সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্হ যাদের সংবাদ পত্র ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করার পরে যারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহবানে রাজপথে ছিলো তাদের খবর জানেন কি? বন্ধ সংবাদ পত্র খুলে দেওয়া, যে রেট অনুযায়ী যে পত্রিকা বিজ্ঞান পায়। সেই অনুযায়ী ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করণ। জাতীয় প্রেসক্লাবে যাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে যারা সাংবাদিক তাদের সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া তা না হলে ৫ আগষ্ট ২৪ পর যাদের সদস্য করা হয়েছে তাদের আগামী নির্বাচনের ভোটের অধিকার স্হগীত রাখার কানাঘুষা হচ্ছে। সমালোচকদের ভাষায় অত্যান্ত কৌশলে গণমাধ্যম বান্ধব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আড়াল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রবীণদের ধারণা। এখন দেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির ঐক্য না লেবাসধারী স্লীপ সাংবাদিকদের গনতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার প্রতিষ্ঠান গুলো ধ্বংস হবে এটা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শেষ পর্যায়ে? লেখক জুলাই যোদ্ধা সাংবাদিক মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ চারদলীয়জোট ভাঙার যারা আত্মঘাতি কাজে উগ্র হিংস্র প্রতিবেশীর ইন্ধনে তাদের অদৃশ্য স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে তৈরী করে রেখে ছিলো তাদের আগুন দিয়ে মাঠে ছেড়ে দিলো? দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া বলেন স্বাধীনতাকে অস্থিতিশীল করতে আমাদের লেবাসে ভেঙে যাওয়া চারদলীয় জোটের সাথে দূরত্ব বাড়ানো চক্রান্তে লিপ্ত? সতর্ক থাকতে হতে বললেন দেশনেত্রী? বিএনপির চেয়ারম্যান এর উচিৎ ঐ দিকটা নজরে রাখা না হলে ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত থাকা সত্বেও এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী হিসাবে দেশনেত্রীকে সাজা দেয়? তারা কিন্তু আগেই সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত করেছে? এবার কার্যকর করতে দেশের একমাত্র পরিবার স্বাধীনতা, গনতন্ত্র, গণমাধ্যম ও আত্মনির্ভরশীল করতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের পরিবারটা নিশ্চিহ্ন করতেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে ঘায়েল করতে ফ্যাসিবাদের শিক্ষানো বক্তব্য দিচ্ছে। এমন মন্তব্য আর কানাঘুষা সাধারণ মানুষের মাঝে। ইতিমধ্যে যারা এই চক্রান্ত ভুন্ডল করতে চক্রান্তের বিষয় দেশপ্রেমিক রাজনৈতিকদের ও জনগনকে আগাম সতর্ক বার্তা দিবে। আয়না ভেঙে সেই সব স্হানে ব্যাবহার অযোগ্য কাজ বসানো হয়েছে। যদি সাপ্তাহিক হককথা বন্ধ করার পর এমন কথা মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বলেছিলেন। দেশের চারটি মাত্র সংবাদ রেখে বাকী সব গুলো বন্ধ করা ইষ্ট ইণ্ডিয়ান কোম্পানি নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যার পর বেকার হোস্টেল থাকা যুবক।২৫ রাতে নিজ পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে রেখে পাকিস্তান চলে যাওয়া ব্যক্তিটি শুধু মাত্র ক্ষমতার জন্যে ১০ জানুয়ারী ৭২ দেশে ফিরে হিংস্র উগ্র প্রতিবেশীর সমর্থনের জন্যে তাদের নিজ চেয়ার ছাড়া সব উজার করেদেয়। তারপর অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর ৭৫ সিপাহী জনতার বিপ্লব মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেই বললেন সব গণমাধ্যম খুলে দিয়ে শাসকে সোজা পথ দেখানোর অনুরোধ করতে হবে। সিনিয়র সাংবাদিকদের অনুরোধ ১৯৫৪ সাল থেকে প্রেসক্লাব এর জায়গাটা এক বছরের জন্যে বরাদ্দ প্রদান করেন। তারপর দুই বছরের জন্যে বরাদ্দ প্রদান করেন। তার আগে শেখ মজিবুর রহমান প্রেসক্লাবকে কাকরাইল তবলিগ জামায়াতের মসজিদের সামনে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। তারপর দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া স্হায়ী বরাদ্দ প্রদান করেন। এই অস্হায়ী ও স্হায়ী বরাদ্দে যাদের অবদান তারা হলেন সাপ্তাহিক হলিডের সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খান,আনোয়ার জাহিদ, গিয়াস কামাল চৌধুরী। তাদের নামে জাতীয় প্রেসক্লাবে একটা ফুলের গাছও নাই। স্হায়ী বরাদ্দে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্ধুদ্ধ করণে আনোয়ার জাহিদ, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আব্দুল কাদের মোল্লা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী আলহাজ্ব মোসাদ্দেক হোসেন ফালু তাদের একই পরিণতি? আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে মাঠে সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকরা বলছিলেন সাংবাদিকদের এবং মানবাধিকার বঞ্চিত দেশবাসীর ৫আগষ্ট২৪ পর্যন্ত সারাদেশ ফ্যাসিবাদের জুলুমের থেকে রক্ষার শেষ আশ্রয়স্হল ছিলো গনতন্ত্র আর মানবাধিকার বঞ্চিত মানুষের আশ্রয়স্হল হিসাবে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আধিপত্যবাদ আর ফ্যাসিবাদের সাথে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিজে,বর্তমান মহামন্য প্রেসিডেন্ট ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ও বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী গ্রেফতার ও লাঞ্চিত হয়? ৫ আগষ্ট ২৪ জুলাই এর আগে যারা আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত করে তাদের সম্পদ রক্ষায় তড়িঘড়ি দায়িত্ব নেয়! তারা এখন গোটা দেশের ফ্যাসিবাদের আচরণ এখানে প্রবেশ করায়? অনেকেই বলালি করছে শওকত মাহমুদ শেষ পর্যন্ত জুলুম নিপীড়ন নির্যাতন মরহুম রুহুল আমীন গাজীর মত সহ্য করতে না পারায় সুবেদাকে দর্শন পরির্বতন করায় তার সদস্য পদ বাতিল করে। অবশ্য ফ্যাসিবাদ আর লেবাসধারী নাকী এখন এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যেহেতু জুলুমের স্বীকার হলে তারেক রহমান হবেন তাই বিষয়টা তাকে নজরদারিতে নেওয়া উচিৎ বলে সিনিয়র সাংবাদিকরা মনে করে। আবার একটা মহল মনে করে ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উদযাপন হচ্ছে হোক। তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বরাদ্দের বছর আর দেশনেত্রী স্হায়ী বরাদ্দ প্রদানের উৎযাপন না করার জন্যেই অপেশাদারদের সদস্য করা হয়েছে। অন্যরা বলছে জনাব তারেক রহমান এই সেক্টরে যারা সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্হ যাদের সংবাদ পত্র ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করার পরে যারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহবানে রাজপথে ছিলো তাদের খবর জানেন কি? বন্ধ সংবাদ পত্র খুলে দেওয়া, যে রেট অনুযায়ী যে পত্রিকা বিজ্ঞান পায়। সেই অনুযায়ী ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করণ। জাতীয় প্রেসক্লাবে যাদের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে যারা সাংবাদিক তাদের সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া তা না হলে ৫ আগষ্ট ২৪ পর যাদের সদস্য করা হয়েছে তাদের আগামী নির্বাচনের ভোটের অধিকার স্হগীত রাখার কানাঘুষা হচ্ছে। সমালোচকদের ভাষায় অত্যান্ত কৌশলে গণমাধ্যম বান্ধব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আড়াল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রবীণদের ধারণা। এখন দেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির ঐক্য না লেবাসধারী স্লীপ সাংবাদিকদের গনতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার প্রতিষ্ঠান গুলো ধ্বংস হবে এটা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শেষ পর্যায়ে?















