সংবাদ শিরোনাম :
ভেঙে দে অনিয়মের তালা
আমার সকল নীরবতায় খুঁজি জোছনার আলো মানুষে মানুষে ভেদাভেদ খুঁজিনা সবি লাগে ভালো তবু হই অশান্ত শ্রাবণ-গাং চিলের দলে, আমি
স্বপ্নকথা
পদ্মফুটা ফুল তুমি বৃত্তের ভিতরে ফুটেছো কাজলী কাননে গৌধুলি সন্ধ্যায় গন্ধ ছড়িয়াছো তুমি গন্ধ কি পাও? গগনে কালো মেঘ ভেসে
নীরব বসন্ত খুঁজি
চোখের তারা হতে খুঁজে নিয়েছি তোমায় সত্যি কি তুমি সে, সাদা মেঘ-সাদা কাশফুলের পালকে স্পর্শ নিয়েছি তোমার, সত্যি কি দিয়েছিলে।
ছেড়া কবিতার অভিশাপ
অগনিত আবেগের হাতে আমি ক্ষত হয়েছি শীতল রক্ত চাপায় ভেঙে গিয়েছে পাজরের এক অংশ তবু দাঁড়িয়েছি, এই পাণ্ডুলিপির দীর্ঘশ্বাসের গল্পে-নতুন
আত্মার মৃত্যু
ওহে দেখিবার কি নাই আমার গভীরে কে আছে জাগিয়া সত্য শীতলে আপন মনে কে ফেলেছে নিঃশ্বাস জনে জনে। আমারি আত্মা
ভাঙা দেহের যন্ত্রনা
এ যাত্রায় গিয়াছে পথ বহুদূর চলে চারপাশে উজ্জ্বল রঙ্গিত খোলা বাতাস উচ্ছ্বাসে প্রবাহিত শব্দের ধূমকেতু খুঁজে পেয়েছে বিজয়ের নতুন ভোরের
নিরবতার পথ চলা
এই কোলাহলের ভীরেও নিরবতার আকাশ দেখি ঘুরে ফিরে এই চার-দেয়ালেই নিজেকে খুঁজে পাই, অথচ তুমি যখন ছিলে বাসন্তী রং ছড়াতো
শূন্যতার বৃষ্টি ফোটা
আমি লেখি,নিঃশব্দের জানালা খোলে দূরের কালো মেঘের একাকীত্বের গল্প, আমি হাত বাড়িয়ে কুড়িয়ে নেই অসমাপ্তের গল্পের শূন্যতা! ভেবেছিলাম আমিও মেঘ
নেশা
বলতে চাই-শিখার তীব্র দহন জ্বালা নেশা ফোরালে দেখবি কত-পৃথিবীর নিরব খেলা দুয়ার মত উড়ে গেছে-টাকায় নেশার গন্ধ হাসি গানে লুকিয়ে
সীমান্তের পথে
অমাবস্যার আলোয় সন্ধ্যা প্রহরে হেটে চলছি লোকালয় পেরিয়ে কাঁদা মাঠের শেষ প্রান্তে ঝিঝি পোকার ডাক-থেমে গেছে গামবুটের শব্দে দূরের আলতাদীঘির









