সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

ছেড়া কবিতার অভিশাপ

কবি:মো:জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

অগনিত আবেগের হাতে আমি ক্ষত হয়েছি

শীতল রক্ত চাপায় ভেঙে গিয়েছে পাজরের এক অংশ

তবু দাঁড়িয়েছি,

এই পাণ্ডুলিপির দীর্ঘশ্বাসের গল্পে-নতুন রচনায়,

হাজারো কাগজের ভালোলাগা গন্ধ

জেগে উঠেছে এই বাস্তবতার ছেড়া কবিতার পাতায়।

 

এই সৃষ্টি বড় আনন্দের,

এই কবিতা হৃদয় ভাঙ্গা বনফুলের ছোঁয়া

এই বই শতাব্দী বছরের জাগ্রত চোখের কালি,

অমবস্যা- জোছনা,শরৎ রাঙানো কাঁশফুল

সকালের কুয়াশা শিশির, নিস্তব্ধ জোয়ার ভাটা

গৌধুলী শেষে মধ্য রজনী

সবি জেনো আবেগের তুলিতে আঁকা ।

 

বিদ্যা চোখ খুলেনি যার, ভোরের আলোয় কি!

দেখা যায় এই কবিতা বইয়ের পাতায়,

সে কি বুঝবে, এই আবেগ-এই সৃষ্টির পূর্ণতা

যার হৃদয় পেতাত্বার স্পর্শে উড়ে বেড়ায় অসভ্য শহরে

সে কি বুঝবে, এই কবিতার বইয়ের তৃপ্ততা।

 

আমার শান্ত নিরব চোখে এখনো ভাসে

ছেড়া কবিতার হাহাকার,

আমি আমার কবিতার বই

শিকলে আটকানো দমের দগ্ধে পুড়ি

এই আবর্জনার দুটি হাত রক্তক্ষয়ী প্লাবনে ক্ষত হয়

কবির মৃতদেহে সঞ্চিত হয় নিরব যন্ত্রনার অশ্রুজল,

এই অভিশপ্ততা রইলো

হাজার বছরের হৃদয় ভাঙা শহরের উঠুনে।

ট্যাগস :

ছেড়া কবিতার অভিশাপ

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

অগনিত আবেগের হাতে আমি ক্ষত হয়েছি

শীতল রক্ত চাপায় ভেঙে গিয়েছে পাজরের এক অংশ

তবু দাঁড়িয়েছি,

এই পাণ্ডুলিপির দীর্ঘশ্বাসের গল্পে-নতুন রচনায়,

হাজারো কাগজের ভালোলাগা গন্ধ

জেগে উঠেছে এই বাস্তবতার ছেড়া কবিতার পাতায়।

 

এই সৃষ্টি বড় আনন্দের,

এই কবিতা হৃদয় ভাঙ্গা বনফুলের ছোঁয়া

এই বই শতাব্দী বছরের জাগ্রত চোখের কালি,

অমবস্যা- জোছনা,শরৎ রাঙানো কাঁশফুল

সকালের কুয়াশা শিশির, নিস্তব্ধ জোয়ার ভাটা

গৌধুলী শেষে মধ্য রজনী

সবি জেনো আবেগের তুলিতে আঁকা ।

 

বিদ্যা চোখ খুলেনি যার, ভোরের আলোয় কি!

দেখা যায় এই কবিতা বইয়ের পাতায়,

সে কি বুঝবে, এই আবেগ-এই সৃষ্টির পূর্ণতা

যার হৃদয় পেতাত্বার স্পর্শে উড়ে বেড়ায় অসভ্য শহরে

সে কি বুঝবে, এই কবিতার বইয়ের তৃপ্ততা।

 

আমার শান্ত নিরব চোখে এখনো ভাসে

ছেড়া কবিতার হাহাকার,

আমি আমার কবিতার বই

শিকলে আটকানো দমের দগ্ধে পুড়ি

এই আবর্জনার দুটি হাত রক্তক্ষয়ী প্লাবনে ক্ষত হয়

কবির মৃতদেহে সঞ্চিত হয় নিরব যন্ত্রনার অশ্রুজল,

এই অভিশপ্ততা রইলো

হাজার বছরের হৃদয় ভাঙা শহরের উঠুনে।