অগনিত আবেগের হাতে আমি ক্ষত হয়েছি
শীতল রক্ত চাপায় ভেঙে গিয়েছে পাজরের এক অংশ
তবু দাঁড়িয়েছি,
এই পাণ্ডুলিপির দীর্ঘশ্বাসের গল্পে-নতুন রচনায়,
হাজারো কাগজের ভালোলাগা গন্ধ
জেগে উঠেছে এই বাস্তবতার ছেড়া কবিতার পাতায়।
এই সৃষ্টি বড় আনন্দের,
এই কবিতা হৃদয় ভাঙ্গা বনফুলের ছোঁয়া
এই বই শতাব্দী বছরের জাগ্রত চোখের কালি,
অমবস্যা- জোছনা,শরৎ রাঙানো কাঁশফুল
সকালের কুয়াশা শিশির, নিস্তব্ধ জোয়ার ভাটা
গৌধুলী শেষে মধ্য রজনী
সবি জেনো আবেগের তুলিতে আঁকা ।
বিদ্যা চোখ খুলেনি যার, ভোরের আলোয় কি!
দেখা যায় এই কবিতা বইয়ের পাতায়,
সে কি বুঝবে, এই আবেগ-এই সৃষ্টির পূর্ণতা
যার হৃদয় পেতাত্বার স্পর্শে উড়ে বেড়ায় অসভ্য শহরে
সে কি বুঝবে, এই কবিতার বইয়ের তৃপ্ততা।
আমার শান্ত নিরব চোখে এখনো ভাসে
ছেড়া কবিতার হাহাকার,
আমি আমার কবিতার বই
শিকলে আটকানো দমের দগ্ধে পুড়ি
এই আবর্জনার দুটি হাত রক্তক্ষয়ী প্লাবনে ক্ষত হয়
কবির মৃতদেহে সঞ্চিত হয় নিরব যন্ত্রনার অশ্রুজল,
এই অভিশপ্ততা রইলো
হাজার বছরের হৃদয় ভাঙা শহরের উঠুনে।
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.