সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে??

সাংবাদিক মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

৭ মার্চ৭১ রেসকোর্স ময়দান থেকে ঘোষনা না পেয়ে জাতি যখন হতাশ? ৯ মার্চ৭১ পল্টন ময়দানে দাঁড়িয়ে গর্জে উঠলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা। তারপর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী রওনা দিলেন ইন্ডিয়ার ভাসান চড়ের দিকে?২৫ মার্চ ৭১ রাতে ৩২ নম্বরে পরিবার গুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পেলো পাকিস্তানী সেনাবাহিনী নিজেও গেলেন পাকিস্তান। সেই দিন রাতেই শুরু হলো গন হায়নার হামলা। এই ওপার থেকে আসা হায়না না ১৪০০ মাইল দুর থেকে আসা হায়না তা আজও চিহ্নিত হয় নাই? চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা আসলে আমি মেজর জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিচ্ছি! যার হাতে যা আছে তাই নিয়েই স্বাধীনতা অর্জনের আহবান। ২৬ মার্চ ৭১ সকাল থেকে সীমান্তের আশপাশে যাওয়া বিপদজনক হয়ে গেলো স্বাধীনতার ঘোষকের জন্যে! আটক হলেন গৃহবধূ বেগম খালেদাজিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। ওপারে প্রতিবেশী অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমানকে আহবান করা বাদেই অস্হায়ী সরকার গঠন করালো। প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলির সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ওপারেই গৃহবন্দী হলেন। স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া হুমকির মুখে থেকেও স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত লড়লেন। ১৬ ডিসেম্বর ৭১ এ ৪৭ এর ব্যার্থ হওয়া স্বপ্ন সফল করার লক্ষে অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমান কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে বাদ রেখে ইন্ডিয়ার এক সেনাকর্মকর্তা অরোরা বাংলাদেশের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে। তারপরই প্রকাশ্যে চলে আসে ইন্ডিয়ার গনলুটেরা আর গনহত্যাকারী? ১০ জানুয়ারী ৭২ পাকিস্তান থেকে ফিরলেন শেখ মজিবুর রহমান। কিন্তু ইন্ডিয়াতে গৃহবন্দী থাকা মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তখনো মুক্তি পান নাই? এদিকে যেমন ভাবে ১৭৫৭ সালে পলাশীর বিপর্যয় এর এই উপমহাদেশে আত্মমর্যাদা ভূলন্ঠিত করার প্রথম অন্তরায় রাজা রায় দূর্লভ ও জগৎ শেঠ গংরা মুসলমানদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে দাঙ্গা শুরু করে।৭১ এও তারা একই প্রক্রিয়া শুরু করে। মেজর এম,এ,জলিল প্রতিবেশীর গণলুট আর গনলুট বাধা দিতে গিয়ে গ্রেফতার ও মহান স্বাধীনতার যুদ্ধের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হন? ২২ জানুয়ারী ৭২ গৃহবন্দী থেকে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। দেশে ফিরেই দেখলেন ঠিক ২৩ জুন৭২ পলাশীর বিপর্যয় এর পর যেমন মুসলিম গনহত্যা গনলুট শুরু হয়। তেমনি মহান স্বাধীনতার অর্জনের পর এই নব্য স্বাধীন দেশে একই ফর্মুলা কার্যকর শুরু করে দিয়েছে। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী কয়দিন টাঙ্গাইল সন্তোষে বিশ্রাম নেওয়ার ঢাকায় আসলেন। তারপর দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে ঘোষণা দিলেন নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া কোন নাগরিক কারো স্বার্থে অভিযুক্ত করা যাবে না। অবশেষে ইন্ডিয়ার প্রতির কাছে মাথানতকারী ৭০ প্রথম ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে সংখ্যা গরিষ্ঠত্বা অর্জনকারী শেখ মজিবুর রহমান ঘোষণা দিলেন জহির রায়হানকে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের। তখন কৃতদাস মানুষিকতার সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিরা নাপিত থেকে ব্রাহ্মণ্ হওয়ার জন্যে সত্য ধামাচাপা দিতে থাকে। অবশেষে জহির রায়হান তদন্ত কমিটির বয়স যখন এক সপ্তাহ তড়িঘড়ি করে তদন্ত কমিটি কার্যক্রম স্হগীত করে দিলো মুজিব সরকার। আরো এক সপ্তাহ পর জহির রায়হান গুম হয়ে গেলো। তখন ঢাকা ইন্ডিয়ান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। দেশপ্রেমিকদের কানাঘুষা চলছে সর্বত্র ২৫ মার্চ ৭১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ৭১ এই সময়ের গনলুট আর গনহত্যা ও গনধর্ষন কি তাহলে ইন্ডিয়ান বাহিনী করলো। ওদিকে সেনাবাহিনীর সিনিয়র সদস্য হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমানকে সেনাপ্রধান না করে তার জুনিয়রকে করলো। এই আগ্রাসন থেকে মুক্ত করতে ১৫ ডিসেম্বর ৭৫, ৭নভেম্বর ৭৫ সিপাহি জনতার বিপ্লব কিছুটা থমকে যায়। এরপর দীর্ঘ পরিকল্পনায় ওয়ান ইলেভেনের মাধ্যমে আবার উথান হয় আধিপত্যবাদের দীর্ঘ দিনের লালিত লক্ষে? ২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনন্দোলনকে পর্যায়ক্রমে দেশপ্রেমিকদের অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া, বাংলাদেশ জামায়াতী ইসলামী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিএফইউজে) জেল-জুলুম সহ্য করে দেশক আধিপত্যবাদ মুক্ত করে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া রুহুল আমীন গাজী, আরেক নেতা পরবর্তীতে মানুষিকতার পরিবর্তনকারী শওকত মাহমুদ নেতা থাকলে রাজপথে থাকতেন “কাদের গনী চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, এম,এ,আজিজ এ রকম কয়জন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে)’র বর্তমান সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম সব সময় কর্মসূচি সফল করতে আন্তরিক ছিলেন। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন (বিআরজেএ) আর প্রকৌশলী ড. মাহমুদুর রহমান এর গঠিত বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ,ড্যাব,সহ মেডিকেল এর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ আর জেটাব,সব সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলো। আনন্দোলনে যারা সক্রিয় ৫ আগষ্ট২৪ এরপর তারা হয়ে গেলো স্লীপ নেতাদের চক্ষু শূল। । আর ৪ আগষ্ট ২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হামলায় আহত হয়ে আমি ৫ আগষ্ট ২৪ বাইরে আসতে পারি নাই। কিন্তু শুনেছি যারা ১৬ ডিসেম্বর ৭১ বিজয়ের ক্ষনে ৪৭ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হয়! তা পুর্ণউদ্ধারে ১৫ আগষ্ট ৭৫,৭নভেম্বর ৭৫ আর জুলাই-আগষ্ট ২৪ এর অর্জন। জনতাকে আলাদা করে ক্ষমতা গুরুত্ব বেশী দেওয়ায় আবারো আধিপত্যবাদের রক্ত মাখা হায়নার থাবার প্রস্তুতির গন্ধ আসছে। অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দানকারী শহীদ জিয়া উর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যাদের সাথে নিয়ে আধিপত্যবাদ মোকাবেলা করে নাগরিক অধিকার রক্ষা করেছেন। আজ মাঠ পর্যায়ে কিছু ধান্দাবাজ ডুকলেও অতিত পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান একই পথে অগ্রসর হচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ ৯ মাসের বীরমুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন জুলাই বিপ্লবের বীররা বাস্তবায়ন করবেন।তবে বঙ্গভবন পরিস্কার,ধান্দাবাজ মুক্ত সকল গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সংগঠন,প্রতিষ্ঠান, সর্বোচ্চ আদালত কতৃক গনভোট সংশ্লিষ্ট আদেশ কার্যকর, জুলাই সনদ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যে সংবিধান ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি আর আধিপত্যবাদের আগ্রাসনের ক্ষেত্র তৈরীর ভুমিকা রাখে তা ফিলে দিয়ে আত্মনির্ভরশীল জাতির দিকনির্দেশনা দানের সংবিধান প্রনয়ন সহ চিহ্নিত মৌলিক বিষয় গুলো স্হাপন করলেই ” শহীদ জিয়ার সেই বিখ্যাত উক্তি দলের চেয়ে দেশ বড় এটাই বাস্তবায়ন হবে। এই জুলাই হোক ফ্যাসিবাদ আর আধিপত্যবাদ মুক্ত ৭১ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে জুলাই আগষ্ট ২৪ এর বিপ্লবের সাফল্য।

ট্যাগস :

যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে??

আপডেট সময় : ০৫:৪২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

৭ মার্চ৭১ রেসকোর্স ময়দান থেকে ঘোষনা না পেয়ে জাতি যখন হতাশ? ৯ মার্চ৭১ পল্টন ময়দানে দাঁড়িয়ে গর্জে উঠলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা। তারপর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী রওনা দিলেন ইন্ডিয়ার ভাসান চড়ের দিকে?২৫ মার্চ ৭১ রাতে ৩২ নম্বরে পরিবার গুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পেলো পাকিস্তানী সেনাবাহিনী নিজেও গেলেন পাকিস্তান। সেই দিন রাতেই শুরু হলো গন হায়নার হামলা। এই ওপার থেকে আসা হায়না না ১৪০০ মাইল দুর থেকে আসা হায়না তা আজও চিহ্নিত হয় নাই? চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা আসলে আমি মেজর জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিচ্ছি! যার হাতে যা আছে তাই নিয়েই স্বাধীনতা অর্জনের আহবান। ২৬ মার্চ ৭১ সকাল থেকে সীমান্তের আশপাশে যাওয়া বিপদজনক হয়ে গেলো স্বাধীনতার ঘোষকের জন্যে! আটক হলেন গৃহবধূ বেগম খালেদাজিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। ওপারে প্রতিবেশী অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমানকে আহবান করা বাদেই অস্হায়ী সরকার গঠন করালো। প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলির সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ওপারেই গৃহবন্দী হলেন। স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া হুমকির মুখে থেকেও স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত লড়লেন। ১৬ ডিসেম্বর ৭১ এ ৪৭ এর ব্যার্থ হওয়া স্বপ্ন সফল করার লক্ষে অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমান কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে বাদ রেখে ইন্ডিয়ার এক সেনাকর্মকর্তা অরোরা বাংলাদেশের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে। তারপরই প্রকাশ্যে চলে আসে ইন্ডিয়ার গনলুটেরা আর গনহত্যাকারী? ১০ জানুয়ারী ৭২ পাকিস্তান থেকে ফিরলেন শেখ মজিবুর রহমান। কিন্তু ইন্ডিয়াতে গৃহবন্দী থাকা মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তখনো মুক্তি পান নাই? এদিকে যেমন ভাবে ১৭৫৭ সালে পলাশীর বিপর্যয় এর এই উপমহাদেশে আত্মমর্যাদা ভূলন্ঠিত করার প্রথম অন্তরায় রাজা রায় দূর্লভ ও জগৎ শেঠ গংরা মুসলমানদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে দাঙ্গা শুরু করে।৭১ এও তারা একই প্রক্রিয়া শুরু করে। মেজর এম,এ,জলিল প্রতিবেশীর গণলুট আর গনলুট বাধা দিতে গিয়ে গ্রেফতার ও মহান স্বাধীনতার যুদ্ধের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হন? ২২ জানুয়ারী ৭২ গৃহবন্দী থেকে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। দেশে ফিরেই দেখলেন ঠিক ২৩ জুন৭২ পলাশীর বিপর্যয় এর পর যেমন মুসলিম গনহত্যা গনলুট শুরু হয়। তেমনি মহান স্বাধীনতার অর্জনের পর এই নব্য স্বাধীন দেশে একই ফর্মুলা কার্যকর শুরু করে দিয়েছে। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী কয়দিন টাঙ্গাইল সন্তোষে বিশ্রাম নেওয়ার ঢাকায় আসলেন। তারপর দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে ঘোষণা দিলেন নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া কোন নাগরিক কারো স্বার্থে অভিযুক্ত করা যাবে না। অবশেষে ইন্ডিয়ার প্রতির কাছে মাথানতকারী ৭০ প্রথম ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে সংখ্যা গরিষ্ঠত্বা অর্জনকারী শেখ মজিবুর রহমান ঘোষণা দিলেন জহির রায়হানকে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের। তখন কৃতদাস মানুষিকতার সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিরা নাপিত থেকে ব্রাহ্মণ্ হওয়ার জন্যে সত্য ধামাচাপা দিতে থাকে। অবশেষে জহির রায়হান তদন্ত কমিটির বয়স যখন এক সপ্তাহ তড়িঘড়ি করে তদন্ত কমিটি কার্যক্রম স্হগীত করে দিলো মুজিব সরকার। আরো এক সপ্তাহ পর জহির রায়হান গুম হয়ে গেলো। তখন ঢাকা ইন্ডিয়ান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। দেশপ্রেমিকদের কানাঘুষা চলছে সর্বত্র ২৫ মার্চ ৭১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ৭১ এই সময়ের গনলুট আর গনহত্যা ও গনধর্ষন কি তাহলে ইন্ডিয়ান বাহিনী করলো। ওদিকে সেনাবাহিনীর সিনিয়র সদস্য হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া উর রহমানকে সেনাপ্রধান না করে তার জুনিয়রকে করলো। এই আগ্রাসন থেকে মুক্ত করতে ১৫ ডিসেম্বর ৭৫, ৭নভেম্বর ৭৫ সিপাহি জনতার বিপ্লব কিছুটা থমকে যায়। এরপর দীর্ঘ পরিকল্পনায় ওয়ান ইলেভেনের মাধ্যমে আবার উথান হয় আধিপত্যবাদের দীর্ঘ দিনের লালিত লক্ষে? ২৪ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আনন্দোলনকে পর্যায়ক্রমে দেশপ্রেমিকদের অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া, বাংলাদেশ জামায়াতী ইসলামী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিএফইউজে) জেল-জুলুম সহ্য করে দেশক আধিপত্যবাদ মুক্ত করে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া রুহুল আমীন গাজী, আরেক নেতা পরবর্তীতে মানুষিকতার পরিবর্তনকারী শওকত মাহমুদ নেতা থাকলে রাজপথে থাকতেন “কাদের গনী চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, এম,এ,আজিজ এ রকম কয়জন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে)’র বর্তমান সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম সব সময় কর্মসূচি সফল করতে আন্তরিক ছিলেন। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন (বিআরজেএ) আর প্রকৌশলী ড. মাহমুদুর রহমান এর গঠিত বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ,ড্যাব,সহ মেডিকেল এর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ আর জেটাব,সব সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলো। আনন্দোলনে যারা সক্রিয় ৫ আগষ্ট২৪ এরপর তারা হয়ে গেলো স্লীপ নেতাদের চক্ষু শূল। । আর ৪ আগষ্ট ২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হামলায় আহত হয়ে আমি ৫ আগষ্ট ২৪ বাইরে আসতে পারি নাই। কিন্তু শুনেছি যারা ১৬ ডিসেম্বর ৭১ বিজয়ের ক্ষনে ৪৭ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হয়! তা পুর্ণউদ্ধারে ১৫ আগষ্ট ৭৫,৭নভেম্বর ৭৫ আর জুলাই-আগষ্ট ২৪ এর অর্জন। জনতাকে আলাদা করে ক্ষমতা গুরুত্ব বেশী দেওয়ায় আবারো আধিপত্যবাদের রক্ত মাখা হায়নার থাবার প্রস্তুতির গন্ধ আসছে। অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দানকারী শহীদ জিয়া উর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যাদের সাথে নিয়ে আধিপত্যবাদ মোকাবেলা করে নাগরিক অধিকার রক্ষা করেছেন। আজ মাঠ পর্যায়ে কিছু ধান্দাবাজ ডুকলেও অতিত পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান একই পথে অগ্রসর হচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ ৯ মাসের বীরমুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন জুলাই বিপ্লবের বীররা বাস্তবায়ন করবেন।তবে বঙ্গভবন পরিস্কার,ধান্দাবাজ মুক্ত সকল গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সংগঠন,প্রতিষ্ঠান, সর্বোচ্চ আদালত কতৃক গনভোট সংশ্লিষ্ট আদেশ কার্যকর, জুলাই সনদ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যে সংবিধান ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি আর আধিপত্যবাদের আগ্রাসনের ক্ষেত্র তৈরীর ভুমিকা রাখে তা ফিলে দিয়ে আত্মনির্ভরশীল জাতির দিকনির্দেশনা দানের সংবিধান প্রনয়ন সহ চিহ্নিত মৌলিক বিষয় গুলো স্হাপন করলেই ” শহীদ জিয়ার সেই বিখ্যাত উক্তি দলের চেয়ে দেশ বড় এটাই বাস্তবায়ন হবে। এই জুলাই হোক ফ্যাসিবাদ আর আধিপত্যবাদ মুক্ত ৭১ এর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে জুলাই আগষ্ট ২৪ এর বিপ্লবের সাফল্য।