বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠার ইতিকথা
- আপডেট সময় : ০৭:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৬৩ বার পড়া হয়েছে
মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী।
সম্ভবত ১৯৭৬ সাল। ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ ক্ষমতালোভী বেকার হোস্টেল দীর্ঘ দিন বসবাসকারী ছেলেটার লেবাসে চরম মুসলিম ও শান্তিবিদ্বেষীদের দেশপ্রেমিকরা হটিয়েছে। হুজুর অসুস্থ পিজি হাসপাতালে ভর্তি। আনুমানিক ২/৩টার দিকে ছুটে আসলেন পিজির পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ নুরুল ইসলাম। তিনি এসে বললেন হুজুর উপ-সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জিয়া উর রহমান আসবেন অনুমতি চায়ছে। শুয়ে থাকা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী লাফ দিয়ে ওঠে বলতে থাকলেন একজন দেশপ্রেমিক আসবে আমার কিসের অনুমতি। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন আসবেন তখন আলেমা ভাসানীকে হুজুর বাইরে যেতে বললেন। আর আমার উপর নির্দেশ হলো হুজুরের পা টিপা? আমি কষ্ট পাচ্ছি তবু পা টিপছি। মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়া উর রহমান মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সামনে এসে অতন্ত্য ভদ্রতার সাথে সালাম দিলেন। হুজুর সালামের উত্তর দিলেন কিন্তু একটা ওয়াদা না নিয়ে মুসাবা করলেন না! হুজুর এককথা তিনদিকে শক্রবেষ্টীত এই দেশটার দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে। আর তুমি যতক্ষণ আল্লাহ উপর বিশ্বাস রাখবা এবং মুসলমান থাকবা ততদিন দেশ নিরাপদ আর আল্লাহ তালার রহমত বর্ষণ করবেন। অবশেষে মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়া উর রহমান বললেন হুজুর আমি করবো কিন্তু আমার ক্ষমতার লোভ নাই! আর কোন দিন রাজনীতি করি নাই। হুজুর বললেন আমার যাদু তোমাকে সহযোগিতা করবেন।তখন প্রতিবশী আধিপত্যবাদ চক্র বাংলাদেশকে আতংক আর উগ্রবাদ রাষ্ট্র পরিনত করা চক্রান্ত প্রতিহত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ! স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা আর স্বাধীনতার ঘোষক দুইজনের কথা শেষ জিয়া উর রহমান চলে গেলেন। হুজুর বললেন যাও যাদুকে ডেকে আনো? আমি মগবাজার অগ্নিকন্যা আমেনা বেগমের বাসায় ভাড়া থাকা মশিউর রহমান যাদু ভাইয়ের বাসায় গেলাম? অবশেষে আসলেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া সাথে ছোট মেয়ে রিটা রহমানকে আনলেন না? হুজুরের কেবিনে যাদু ভাই ডুকার পর প্রায় ২/৩ ঘন্টার জন্যে দরজা বন্ধ আমি বাইরে আর আলেমা ভাসানী ছেলে নাসের খান ভাসানীর বাসায় চলে। গেছে। যাদু ভাই বাইরে এসে বললেন ইন্ডিয়ান আগ্রাসন থেকে দেশ বাঁচাতে আমাদের কোরবানী হতে হবে! হুজুর হাসপাতাল থেকে রিলিজ পাওয়ার পর ন্যাপ থেকে পদত্যাগ করে মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে ন্যাপের দায়িত্ব দিয়ে টাঙ্গাইল সন্তোষ চলে গেলেন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়া উর রহমান, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, অধ্যাপক ডাঃ এ,কিউ,এম,বদরুদ্দোজা, শাহ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান এর দেশপ্রেম এর ফসল বিএনপি। এই দলটুকে জনগণের আস্হার স্হানে পরিনত করেন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া। সুদীর্ঘ জুলুম নিপীড়ন সহ্য করে? তারেক রহমানকে অতিত যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একান্ত ভাবে পেলে বলতেন সাংবাদিক যদি গোলামী করে সারাজীবন বেঁচে থাকা যেতো তখন চিন্তা করতাম। দেশের জন্যে আপোষহীন ছিলেন বলেই তিনি দেশনেত্রী আর বাংলাদেশ স্বাধীনতা যারা বিশ্বাস করে তাদের দলমত নির্বিশেষে চোখের পানিতে শেষ বিদায় জানায়! একমাত্র মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বজনাব শহীদ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী , মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আল্লামা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, আলী আহসান মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা,মীর কাশেম আলী। আজ মনে হচ্ছে ওখানে ছেদ ধরাতে চক্রান্ত চলছে। বিএনপি ৪৮ তম প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার আধিপত্যবাদ আর ফ্যাসিবাদ বিরোধী হযরত শাহজালাল রহঃ ও হযরত শাহ পরান সহ ৩৬০ আউলিয়া মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর জামায়াত, এনসিপি ঐক্যবদ্ধ ভাবেই বাংলাদেশ নিরাপদ ও আত্মমর্যাদা সম্মন্নত রাখবো।আজ প্রযুক্তির কারণে শহীদ জিয়া আর দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়ার পরিক্ষীত বন্ধুদের থেকে সম্পর্কের অবনতি করার চেষ্টা চলছে। আজকে দলের চেয়ারম্যানকে সজাগ থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের অন্তত মৃত্যু বার্ষিক দলীয় ভাবে পালন করার পক্ষে ত্যাগীরা।লেখক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) সম্পাদক দৈনিক শিকল। ৩১/৯/২৬






