সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

নিরবতার পথ চলা

কবি:মো:জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

এই কোলাহলের ভীরেও নিরবতার আকাশ দেখি
ঘুরে ফিরে এই চার-দেয়ালেই নিজেকে খুঁজে পাই,
অথচ তুমি যখন ছিলে
বাসন্তী রং ছড়াতো এই পৃথিবীর জোছনায়।

এখন আমি একা,
আমার দম বন্দ হয়ে যায় অথচ তুমি যখন ছিলে
আমার মাটির ঘরে মুক্তা ঝড়তো,
কত অনিদ্রা- অনাহার তবু, চাঞ্চল্য ছিলো সংসার ।

তুমি চলে গেলে, দিয়ে গেলে নিরবতার সব অসুখ
আমার এই পথ চলা- আত্মার দীর্ঘশ্বাস
তোমার সাথে কাটানো যুগ যুগান্তরে আনন্দ মিছিল
আমাকে শান্ত করে অবলিলার কালো বাতাসে।

এই ছোট মাটির ঘরে,
খোলা জানালায় দক্ষিণা বাতাস
চারদিকে বৃষ্টির ঝড়- বিজলি চমকানো শব্দ
দূরের ভূতুম প্যাচার ডাকে এখন আমি ভয় পাইনা,
দুচোখে ফেলে আসা সৃতির তৃষ্ণায়
আমি আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছি কয়েক বছর ধরে।

চারদিকে যখন গুট- গুটে অন্ধকার
তখন তোমার ঘ্রাণ নিতে ইচ্ছে হয়
বারান্দার চেয়ারে বসে ভাবি তোমার রেখে যাওয়া স্মৃতি
তোমার এই ঘরে কত-না শান্তি ছিলো
জোছনার আলোয় ভরে ছিলো এই খোলা উঠান ।

আজ কয়েক বছর আমি জীবিত থেকেও মৃত
আমার ঘরে ফেরা কেবল চন্দনের চিতা
কত কথা-কত সূর-কত ইচ্ছা জেগে আছে
তবু নিরবতার সমুদ্র স্রোত বয়ে যায় অযানা পথে।

আমার চীর নিদ্রায় আবার যদি দেখা হয়
এই গান সূর প্রবাহিত হয় আনন্দ অশ্রু জলে
সেই দিন সব নিরবতা ভেঙে আবার কথা হবে
পাহাড় নদীর স্রোতে বয়ে চলা হিমালয়ে।

ট্যাগস :

নিরবতার পথ চলা

আপডেট সময় : ০৮:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

এই কোলাহলের ভীরেও নিরবতার আকাশ দেখি
ঘুরে ফিরে এই চার-দেয়ালেই নিজেকে খুঁজে পাই,
অথচ তুমি যখন ছিলে
বাসন্তী রং ছড়াতো এই পৃথিবীর জোছনায়।

এখন আমি একা,
আমার দম বন্দ হয়ে যায় অথচ তুমি যখন ছিলে
আমার মাটির ঘরে মুক্তা ঝড়তো,
কত অনিদ্রা- অনাহার তবু, চাঞ্চল্য ছিলো সংসার ।

তুমি চলে গেলে, দিয়ে গেলে নিরবতার সব অসুখ
আমার এই পথ চলা- আত্মার দীর্ঘশ্বাস
তোমার সাথে কাটানো যুগ যুগান্তরে আনন্দ মিছিল
আমাকে শান্ত করে অবলিলার কালো বাতাসে।

এই ছোট মাটির ঘরে,
খোলা জানালায় দক্ষিণা বাতাস
চারদিকে বৃষ্টির ঝড়- বিজলি চমকানো শব্দ
দূরের ভূতুম প্যাচার ডাকে এখন আমি ভয় পাইনা,
দুচোখে ফেলে আসা সৃতির তৃষ্ণায়
আমি আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছি কয়েক বছর ধরে।

চারদিকে যখন গুট- গুটে অন্ধকার
তখন তোমার ঘ্রাণ নিতে ইচ্ছে হয়
বারান্দার চেয়ারে বসে ভাবি তোমার রেখে যাওয়া স্মৃতি
তোমার এই ঘরে কত-না শান্তি ছিলো
জোছনার আলোয় ভরে ছিলো এই খোলা উঠান ।

আজ কয়েক বছর আমি জীবিত থেকেও মৃত
আমার ঘরে ফেরা কেবল চন্দনের চিতা
কত কথা-কত সূর-কত ইচ্ছা জেগে আছে
তবু নিরবতার সমুদ্র স্রোত বয়ে যায় অযানা পথে।

আমার চীর নিদ্রায় আবার যদি দেখা হয়
এই গান সূর প্রবাহিত হয় আনন্দ অশ্রু জলে
সেই দিন সব নিরবতা ভেঙে আবার কথা হবে
পাহাড় নদীর স্রোতে বয়ে চলা হিমালয়ে।