সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নির্ভরতার প্রতীক

রাজপথ থেকে জনমনে আস্থার নাম মোস্তফা জামান

আদর,বিশেষ সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত, পরীক্ষিত এবং আস্থার নাম মোঃ মোস্তফা জামান। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় ত্যাগ, শ্রম, সততা এবং সাংগঠনিক বিচক্ষণতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সবার কাছে তিনি একজন পরিশ্রমী ও বিনয়ী নেতা হিসেবে পরিচিত।গত ২৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল হককে আহ্বায়ক এবং মোস্তফা জামানকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই ৫১ সদস্যের কমিটিকে একটি শক্তিশালী টিমে পরিণত করেন। ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রতিটি থানা, প্রতিটি ওয়ার্ডকে তিনি নতুন করে জাগিয়ে তোলেন।

 

*দুঃসময়ের কান্ডারী:*

দল যখন কঠিন সময় পার করছিল, যখন রাজপথ ছিল উত্তপ্ত, তখন অনেকেই যখন পিছু হটেছিলেন, মোস্তফা জামান তখন বুক চিতিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে তার সরব উপস্থিতি কর্মীদের মনে সাহস জুগিয়েছে।

তার সাহসী ভূমিকার কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি রাজপথে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

 

দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, তিনি কখনো নেতার চেয়ারে বসে নির্দেশ দেননি, বরং কর্মীর পাশে বসে কাজ করেছেন। কোনো কর্মী অসুস্থ হলে তার বাসায় ছুটে যাওয়া, কোনো কর্মী বিপদে পড়লে আইনি সহায়তা দেওয়া, দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের খোঁজ-খবর রাখা—এগুলোই মোস্তফা জামানের প্রতিদিনের রুটিন। যে কারণে সাধারণ কর্মীরা তাকে নেতা নয়, বড় ভাই বা অভিভাবক হিসেবে মানে।

 

*মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিত:*

ক্ষমতার রাজনীতিতে নয়, মানবিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন মোস্তফা জামান। তার রাজনৈতিক দর্শন হলো— “জনগণের ভালোবাসাই নেতার বড় শক্তি”। এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজের উন্নয়নে সহযোগিতা করা, গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো—এই কাজগুলো তিনি নীরবে করে যান। তার এই মানবিক গুণাবলী তাকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

 

*আগামীর ভাবনা:*

যদিও গত ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু তৃণমূলের আস্থা এখনো মোস্তফা জামানের ওপর অটুট। নতুন কমিটি নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন ওয়ার্ড থেকে থানা পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের একটাই দাবি—ত্যাগী, পরীক্ষিত ও কর্মীবান্ধব নেতা মোস্তফা জামানকে আগামীতে আরও সম্মানজনক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চায় তারা।তাদের বিশ্বাস, মোস্তফা জামানের মতো একজন বিচক্ষণ, সৎ ও সাহসী নেতৃত্বই পারবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও জনবান্ধব সংগঠনে পরিণত করতে এবং আগামীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে।ঢাকা মহানগর উত্তরবাসীর আস্থা ও ভালোবাসার নাম—মোস্তফা জামান।

ট্যাগস :

ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নির্ভরতার প্রতীক

রাজপথ থেকে জনমনে আস্থার নাম মোস্তফা জামান

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত, পরীক্ষিত এবং আস্থার নাম মোঃ মোস্তফা জামান। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় ত্যাগ, শ্রম, সততা এবং সাংগঠনিক বিচক্ষণতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সবার কাছে তিনি একজন পরিশ্রমী ও বিনয়ী নেতা হিসেবে পরিচিত।গত ২৬ নভেম্বর ২০২৪ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল হককে আহ্বায়ক এবং মোস্তফা জামানকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই ৫১ সদস্যের কমিটিকে একটি শক্তিশালী টিমে পরিণত করেন। ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রতিটি থানা, প্রতিটি ওয়ার্ডকে তিনি নতুন করে জাগিয়ে তোলেন।

 

*দুঃসময়ের কান্ডারী:*

দল যখন কঠিন সময় পার করছিল, যখন রাজপথ ছিল উত্তপ্ত, তখন অনেকেই যখন পিছু হটেছিলেন, মোস্তফা জামান তখন বুক চিতিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে তার সরব উপস্থিতি কর্মীদের মনে সাহস জুগিয়েছে।

তার সাহসী ভূমিকার কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি রাজপথে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

 

দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন, তিনি কখনো নেতার চেয়ারে বসে নির্দেশ দেননি, বরং কর্মীর পাশে বসে কাজ করেছেন। কোনো কর্মী অসুস্থ হলে তার বাসায় ছুটে যাওয়া, কোনো কর্মী বিপদে পড়লে আইনি সহায়তা দেওয়া, দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের খোঁজ-খবর রাখা—এগুলোই মোস্তফা জামানের প্রতিদিনের রুটিন। যে কারণে সাধারণ কর্মীরা তাকে নেতা নয়, বড় ভাই বা অভিভাবক হিসেবে মানে।

 

*মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিত:*

ক্ষমতার রাজনীতিতে নয়, মানবিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন মোস্তফা জামান। তার রাজনৈতিক দর্শন হলো— “জনগণের ভালোবাসাই নেতার বড় শক্তি”। এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজের উন্নয়নে সহযোগিতা করা, গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো—এই কাজগুলো তিনি নীরবে করে যান। তার এই মানবিক গুণাবলী তাকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

 

*আগামীর ভাবনা:*

যদিও গত ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু তৃণমূলের আস্থা এখনো মোস্তফা জামানের ওপর অটুট। নতুন কমিটি নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন ওয়ার্ড থেকে থানা পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের একটাই দাবি—ত্যাগী, পরীক্ষিত ও কর্মীবান্ধব নেতা মোস্তফা জামানকে আগামীতে আরও সম্মানজনক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চায় তারা।তাদের বিশ্বাস, মোস্তফা জামানের মতো একজন বিচক্ষণ, সৎ ও সাহসী নেতৃত্বই পারবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও জনবান্ধব সংগঠনে পরিণত করতে এবং আগামীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে।ঢাকা মহানগর উত্তরবাসীর আস্থা ও ভালোবাসার নাম—মোস্তফা জামান।