সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

ড্রেজিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদারে গুরুত্ব দিচ্ছেন এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামান

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ড্রেজিং কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা, পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা আনা এবং নৌপথনির্ভর মানুষের দুর্ভোগ কমাতে পরিকল্পিত ও মানসম্মত ড্রেজিং কার্যক্রমের বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা, কারিগরি তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামানের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।
ড্রেজিং প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের প্রাক্কলন, দরপত্র প্রক্রিয়া, কাজের পরিমাণ, ব্যয়ের হিসাব এবং বাস্তব অগ্রগতির মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্ধারিত মান অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন হচ্ছে কি না, উত্তোলিত মাটির পরিমাণ যথাযথভাবে নথিভুক্ত হচ্ছে কি না এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রেজিং কার্যক্রমে আধুনিক জরিপ প্রযুক্তির ব্যবহার, কাজের আগে ও পরে নদীর গভীরতা পরিমাপ, প্রকল্পের অগ্রগতি নথিভুক্তকরণ এবং কার্যকর তদারকি জোরদার করা গেলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে এসব তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হয়।
নৌপথের নাব্যতা রক্ষা শুধু প্রকৌশলগত দায়িত্ব নয়; এটি দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগব্যবস্থা ও জনসেবার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই ড্রেজিং প্রকল্পে সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামানের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, ড্রেজিং কার্যক্রমে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, কারিগরি দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির চর্চা আরও জোরদার হলে দেশের নৌপথ উন্নয়ন কার্যক্রম টেকসই হবে। এর সুফল পাবে নৌযান ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী, পণ্য পরিবহন খাত এবং নদীকেন্দ্রিক জনপদের সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :

ড্রেজিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদারে গুরুত্ব দিচ্ছেন এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামান

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ড্রেজিং কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা, পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা আনা এবং নৌপথনির্ভর মানুষের দুর্ভোগ কমাতে পরিকল্পিত ও মানসম্মত ড্রেজিং কার্যক্রমের বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা, কারিগরি তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে নিয়মনীতি অনুসরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামানের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।
ড্রেজিং প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকল্পের প্রাক্কলন, দরপত্র প্রক্রিয়া, কাজের পরিমাণ, ব্যয়ের হিসাব এবং বাস্তব অগ্রগতির মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি নির্ধারিত মান অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন হচ্ছে কি না, উত্তোলিত মাটির পরিমাণ যথাযথভাবে নথিভুক্ত হচ্ছে কি না এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড্রেজিং কার্যক্রমে আধুনিক জরিপ প্রযুক্তির ব্যবহার, কাজের আগে ও পরে নদীর গভীরতা পরিমাপ, প্রকল্পের অগ্রগতি নথিভুক্তকরণ এবং কার্যকর তদারকি জোরদার করা গেলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে এসব তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হয়।
নৌপথের নাব্যতা রক্ষা শুধু প্রকৌশলগত দায়িত্ব নয়; এটি দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগব্যবস্থা ও জনসেবার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই ড্রেজিং প্রকল্পে সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা, ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামানের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, ড্রেজিং কার্যক্রমে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, কারিগরি দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির চর্চা আরও জোরদার হলে দেশের নৌপথ উন্নয়ন কার্যক্রম টেকসই হবে। এর সুফল পাবে নৌযান ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী, পণ্য পরিবহন খাত এবং নদীকেন্দ্রিক জনপদের সাধারণ মানুষ।