সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

বিপিসিতে দ্রুত পদোন্নতির অভিযোগ: এস এম জুবায়ের হাসানের ক্যারিয়ার ঘিরে তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে

 

২০১০ সালে সহকারী ব্যবস্থাপক, ২০১৪-তে উপ-ব্যবস্থাপক, ২০২১-এ ব্যবস্থাপক, ২০২৫-এ উপ-মহাব্যবস্থাপক—নিয়ম ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক (সাধারণ কর্মশাখা) এস এম জুবায়ের হাসানের ধারাবাহিক পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই উচ্চতর গ্রেডের বেতন-ভাতা পাওয়ার অভিযোগ থেকে শুরু করে পরবর্তী পদোন্নতির বিধি অনুসরণ—সব মিলিয়ে তাঁর চাকরিজীবন নিয়ে প্রশ্নের বিষয়টি এখন তদন্তের আওতায়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপিসির চাকরি প্রবিধানমালা ও জাতীয় বেতনস্কেলের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগে উচ্চতর গ্রেডের পূর্ণ আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। প্রতিবেদনে জুবায়ের হাসানের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জুবায়ের হাসান ২০১০ সালের ১ নভেম্বর বিপিসিতে সহকারী ব্যবস্থাপক (৯ম গ্রেড) হিসেবে যোগ দেন। ২০১৪ সালের ২৬ জুন তাঁকে উপ-ব্যবস্থাপক (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ওই সময় তাঁর চাকরিকাল ছিল ৩ বছর ৭ মাস ২৫ দিন।সংশ্লিষ্ট গ্রেডে পূর্ণ বেতন-সুবিধার জন্য পাঁচ বছরের চাকরিকালের প্রয়োজন থাকলেও তিনি তার আগেই উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন। তার অফিসেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে দ্রুত এই প্রমোশন কি আওয়ামী দলীয় বিবেচনায় নাকি অন্য কোন কারণে?

২০২৫ সালের ২ জুলাই তিনি উপ-মহাব্যবস্থাপক (৪র্থ গ্রেড) পদে পদোন্নতি পান।

অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। বিপিসির কর্মকর্তার নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চাকরি প্রবিধানমালা-১৯৮৯ এবং জাতীয় বেতনস্কেলের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়।

অভিযোগের গুরুত্ব আরও বেড়েছে তদন্তের তথ্য প্রকাশের পর। বিপিসির প্রাপ্ত তথ্য মতে নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ বিপিসিতে এসেছে এবং বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। উত্তর তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং কমিটি কাজ করছিল। জানা যায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের অব্যাহতি দেওয়া হবে। এখন দেখার বিষয় জয় কার হবে দুর্নীতির নাকি সুশাসনের? এস এম জুবায়ের হাসান কে নিয়ে আগামী পর্বে থাকছে আরো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।

 

 

ট্যাগস :

বিপিসিতে দ্রুত পদোন্নতির অভিযোগ: এস এম জুবায়ের হাসানের ক্যারিয়ার ঘিরে তদন্ত

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

২০১০ সালে সহকারী ব্যবস্থাপক, ২০১৪-তে উপ-ব্যবস্থাপক, ২০২১-এ ব্যবস্থাপক, ২০২৫-এ উপ-মহাব্যবস্থাপক—নিয়ম ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক (সাধারণ কর্মশাখা) এস এম জুবায়ের হাসানের ধারাবাহিক পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই উচ্চতর গ্রেডের বেতন-ভাতা পাওয়ার অভিযোগ থেকে শুরু করে পরবর্তী পদোন্নতির বিধি অনুসরণ—সব মিলিয়ে তাঁর চাকরিজীবন নিয়ে প্রশ্নের বিষয়টি এখন তদন্তের আওতায়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিপিসির চাকরি প্রবিধানমালা ও জাতীয় বেতনস্কেলের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগে উচ্চতর গ্রেডের পূর্ণ আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। প্রতিবেদনে জুবায়ের হাসানের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জুবায়ের হাসান ২০১০ সালের ১ নভেম্বর বিপিসিতে সহকারী ব্যবস্থাপক (৯ম গ্রেড) হিসেবে যোগ দেন। ২০১৪ সালের ২৬ জুন তাঁকে উপ-ব্যবস্থাপক (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ওই সময় তাঁর চাকরিকাল ছিল ৩ বছর ৭ মাস ২৫ দিন।সংশ্লিষ্ট গ্রেডে পূর্ণ বেতন-সুবিধার জন্য পাঁচ বছরের চাকরিকালের প্রয়োজন থাকলেও তিনি তার আগেই উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন। তার অফিসেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে দ্রুত এই প্রমোশন কি আওয়ামী দলীয় বিবেচনায় নাকি অন্য কোন কারণে?

২০২৫ সালের ২ জুলাই তিনি উপ-মহাব্যবস্থাপক (৪র্থ গ্রেড) পদে পদোন্নতি পান।

অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। বিপিসির কর্মকর্তার নিয়োগ ও পদোন্নতিতে চাকরি প্রবিধানমালা-১৯৮৯ এবং জাতীয় বেতনস্কেলের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়।

অভিযোগের গুরুত্ব আরও বেড়েছে তদন্তের তথ্য প্রকাশের পর। বিপিসির প্রাপ্ত তথ্য মতে নিয়োগ ও পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ বিপিসিতে এসেছে এবং বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। উত্তর তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং কমিটি কাজ করছিল। জানা যায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের অব্যাহতি দেওয়া হবে। এখন দেখার বিষয় জয় কার হবে দুর্নীতির নাকি সুশাসনের? এস এম জুবায়ের হাসান কে নিয়ে আগামী পর্বে থাকছে আরো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।