সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

অভিযোগের ভিত্তি ও তথ্যসূত্র প্রকাশের দাবি মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের

 

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদকে ঘিরে একটি প্রতিবেদনে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রভাব খাটানো এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদ। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে তাঁর সম্পর্কে যেসব বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই অস্পষ্ট, অসমর্থিত এবং যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফুয়াদ বলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখায় তাঁর পদায়ন বা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব কিংবা কোনো কর্মকর্তার বিশেষ অনুকম্পা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সরকারি বিধি-বিধান ও দাপ্তরিক আদেশের ভিত্তিতেই তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো নির্দিষ্ট কাজ পাইয়ে দেওয়া, বিশেষ সুবিধা দেওয়া কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা’ হিসেবে যে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, সেটিকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফুয়াদ। তাঁর ভাষ্য, কোনো অভিযোগ, তদন্ত বা অনুসন্ধান হয়ে থাকলে তার সুনির্দিষ্ট নম্বর, তারিখ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি এবং বর্তমান আইনগত অবস্থান প্রকাশ করা উচিত। কেবল অভিযোগের উল্লেখ করে কাউকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করা ন্যায়সংগত নয়।

ফুয়াদ আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের লিখিত কপি, তদন্ত প্রতিবেদন বা আইনগত নথি প্রকাশ করা হোক। তিনি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যেকোনো অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত।

মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের বাণিজ্যিক প্লটসহ বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার যে ইঙ্গিত প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও ফুয়াদ বলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কোনো একক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হয় না। সংশ্লিষ্ট শাখা, দাপ্তরিক নথি, বিধি-বিধান এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ফলে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের জন্য ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে দায়ী করার আগে সংশ্লিষ্ট ফাইল ও অনুমোদন প্রক্রিয়া যাচাই করা প্রয়োজন।

ফুয়াদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত বক্তব্যে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে তাঁর সম্পর্কে কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই, তাঁর বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগের আইনগত অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। আমি আইন ও বিধি অনুযায়ী তার জবাব দিতে প্রস্তুত। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ বিষয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট নথি, দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো অনুসন্ধান বা মামলার রেকর্ড এবং আদালতের নথি থাকলে সেগুলো যাচাই করে পরবর্তী প্রতিবেদনে তথ্যের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগস :

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৯:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অভিযোগের ভিত্তি ও তথ্যসূত্র প্রকাশের দাবি মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের

 

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদকে ঘিরে একটি প্রতিবেদনে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রভাব খাটানো এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদ। তাঁর দাবি, প্রতিবেদনে তাঁর সম্পর্কে যেসব বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই অস্পষ্ট, অসমর্থিত এবং যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফুয়াদ বলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি শাখায় তাঁর পদায়ন বা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব কিংবা কোনো কর্মকর্তার বিশেষ অনুকম্পা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সরকারি বিধি-বিধান ও দাপ্তরিক আদেশের ভিত্তিতেই তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো নির্দিষ্ট কাজ পাইয়ে দেওয়া, বিশেষ সুবিধা দেওয়া কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা’ হিসেবে যে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, সেটিকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফুয়াদ। তাঁর ভাষ্য, কোনো অভিযোগ, তদন্ত বা অনুসন্ধান হয়ে থাকলে তার সুনির্দিষ্ট নম্বর, তারিখ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি এবং বর্তমান আইনগত অবস্থান প্রকাশ করা উচিত। কেবল অভিযোগের উল্লেখ করে কাউকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত করা ন্যায়সংগত নয়।

ফুয়াদ আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের লিখিত কপি, তদন্ত প্রতিবেদন বা আইনগত নথি প্রকাশ করা হোক। তিনি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যেকোনো অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত।

মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের বাণিজ্যিক প্লটসহ বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার যে ইঙ্গিত প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও ফুয়াদ বলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভূমি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কোনো একক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হয় না। সংশ্লিষ্ট শাখা, দাপ্তরিক নথি, বিধি-বিধান এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ফলে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের জন্য ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে দায়ী করার আগে সংশ্লিষ্ট ফাইল ও অনুমোদন প্রক্রিয়া যাচাই করা প্রয়োজন।

ফুয়াদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত বক্তব্যে তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে তাঁর সম্পর্কে কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই, তাঁর বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগের আইনগত অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। আমি আইন ও বিধি অনুযায়ী তার জবাব দিতে প্রস্তুত। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ বিষয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট নথি, দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো অনুসন্ধান বা মামলার রেকর্ড এবং আদালতের নথি থাকলে সেগুলো যাচাই করে পরবর্তী প্রতিবেদনে তথ্যের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।