৪আগষ্ট২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হামলায় আহত সাংবাদিক নেতা সাখাওয়াৎ এর অসহায়ত্বঃ
- আপডেট সময় : ০১:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
Share the post "৪আগষ্ট২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হামলায় আহত সাংবাদিক নেতা সাখাওয়াৎ এর অসহায়ত্বঃ"
জুলাই বিপ্লবের বিজয়ের ২বছর পুরণ হচ্ছে। কেমন আছে পেশাদার সাংবাদিক একসময় সময় দৈনিক বাংলা,বাসস,মিল্লাতের কর্মরত সর্বশেষ দৈনিক স্বাধীন বাংলায় কর্মরত মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী। এটা জানতে তার সামনাসামনি হলাম। জানতে পারলাম ৩৩ বছর আগে কুষ্টিয়া থেকে তার সম্পাদনায় দৈনিক শিকল প্রকাশিত হয়।আজও তা খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। ঢাকাতে মাসিক অক্ষর নামে আরেকটা পত্রিকা প্রকাশ করতো।সেটাও ফ্যাসিবাদ শাসন আমলে কোন কারণ দর্শনো ছাড়াই ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে। তিনি বললেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী স্বাধীনতার পর হককথা প্রকাশ করেন ওখান থেকেই তার সংবাদ পত্র সাথে সংশ্লিষ্টতা হয়। যখন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সাপ্তাহিক “হককথা” ইন্ডিয়া থেকে আসা স্বাধীন বাংলার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সংবিধান জনগণের অকল্যানে এসেছে। এমন সংবাদ প্রকাশের কয়েক ঘন্টা পর সাপ্তাহিক হক কথা ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে মুজিব সরকার। দুঃখ হলো গত ফ্যাসিবাদ সরকার কতৃক ডিক্লেয়ারেশন বাতিল ও তাদের আনুগত্য মত চলতে আপত্তি থাকা গণমাধ্যম গুলো মিডিয়া করতে আপত্তি থাকলেও। দুই বছর জুলাই বিপ্লবের পূর্ণ হতে যাচ্ছে। কিন্তু মিডিয়ার বন্ধ আদেশ প্রত্যাহার আর মিডিয়া করনের ব্যাপারে সরকারের কোন নির্দেশনা নাই। জাতীয় প্রেসক্লাব যখন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বরাদ্দ প্রদান করেন। তার আগে শেখ মজিবুর রহমান এর আমলে রক্ষী বাহিনী স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী’র উপর রক্ষীবাহিনী চড়াও হলেও ক্লাবের ভীতরে প্রবেশ করার সাহস পায় নাই। ১/১১ মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণকারী ফ্যাসিবাদ শাসন আমলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভীতরে তার গুন্ডাবাহিনী দিয়ে শিক্ষাবিদ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপর হামলা চালায়। সেদিন সারা রাত পাহাড়া দিয়ে সকালে গেটের বাইরে পুলিশের কাছে তুলে দিতে হয়। তারপর ফ্যাসিবাদের বিদায়ের অল্প কিছু আগে সাবেক ছাত্র নেতা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডঃরহুল কবীর রিজভীকে মানবাধিকার শেষ আশ্রয়স্হল প্রেসক্লাব থেকে নিয়ে যায়। এখন অনির্বাচিত ঐ মানবাধিকার এর শেষ আশ্রয় স্হলে ফ্যাসিবাদের আস্তানা। যাই হোক ১/১১ এর পর গণমানুষের মুক্তির দিক নির্দেশনাকারী ঐক্যের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া একদিন গভীর রাতে গুলশান অফিসে আমাকে ডাকলেন নেত্রী আবেক জনিত কন্ঠে আমাকে বললেন আমার জন্যে দোয়া করবেন যাতে দেশকে মুক্ত করে আমি বিদায় নিতে পারি।আমাকে একই রকম পরামর্শ দিয়ে বলেন।জীবন থাকলে প্রতিবাদে মাঠে থাকবেন। আমি যখন দ্বোতলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অফিস কক্ষে যাচ্ছিলাম তখন বর্তমান জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান সংসদ সদস্যের সাথে নিচ তলায় দেখা। আমাকে বললেন তারাতাড়ি যান। তার কিছু দিন পর দৈনিক আমার দেশ এর সম্পাদক প্রকৌশলী ড. মাহমুদুর রহমান পেশাজীবীদের এক কাতারে আনতে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ গঠন করলেন। মাহমুদ ভাই বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ)র ব্যানার নিয়ে দেশরক্ষার জন্যে মাঠে থাকার পরামর্শ দিলেন। আমি ঐ রাতে দেশনেত্রীকে বললে ওনি বললেন একজন দেশপ্রেমিক অভিভাবক পেলেন আলহামদুলিল্লাহ। এখন রাজপথ হলো ঠীকানা। ৪আগষ্ট২৪ বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে পুলিশ পোষাকে হামলা হলো।আমি তখন পশ্চিম দিকের গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হামলার সময় পেশাজীবিদের ক্লাবের ভীতর আশ্রয় দানের ব্যাবস্হা করতে দাঁড়িয়ে। এমন পুলিশ ইন্সপেক্টর বুলবুল সাহেব ধাক্কা দিয়ে গেটের ভীতর ডুকায়ে না দিলে আমার জীবন ওখানেই শেষ হতো। এরপর দুই মহিলা পেশাজীবি একজন মীরপুর থেকে আসা এ্যাডঃরুনা আরেক জন আসিয়া ইসলাম মুক্ত উত্তরা থেকে আসা মাঝ খানের গেট পার হয়ে ক্লাবের আশ্রয় নেয়। আমি তাদের ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে)বসিয়ে রেখে নামাজ আদায় করতে যাই। নামাজ শেষে ফিরে দেখী দুই জন পেশাজীবি বোনের শরীর দিয়ে রক্ত ঝড়ছে আর থরথর করে কাঁপছে। আমি জানতে চাইলাম কে আপনাদের স্লীপ পেশাজীবি সদস্য সচিব বের করে দিয়েছে। আমি পরবর্তী বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিএফইউজে)’র সভাপতি ফ্যাসিবাদের সাথে আপোষ না করে দীর্ঘ কারাবরণকারী সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজীর কাছে বললে তিনি বলেন ওদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। অবশ্য সেদিন থেকে বুঝলাম নাপিত ব্রাহ্মণ হলে কি হয়। তারপর তাদের হাই কোটের সামনে রিক্সায় তুলে দিয়ে আসার পর বুঝতে পারলাম আমার রক্ত খরণ হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসা যাত্রাবাড়ী এসে নিলাম। আমি গত ১/১১ থেকে ৪ আগষ্ট২৪ পর্যন্ত সাংবাদিকদের অভিভাবক হিসাবে যাদের পেয়েছি। তারা হলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন(বিএফইউজে)’র সভাপতি আপোষহীন মরহুম রুহুল আমীন গাজী, দর্শন পরিবর্তনের আগ পর্যন্ত শওকত মাহমুদ, এম,আব্দুলল্লাহ, আর বর্তমান ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম। এর ছাড়াও খায়রুল বাশার,বাছির জামাল,মোদ্দাবের হোসেন সহ কয়েকজন। আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পল্টন থেকে হাই কোট পর্যন্ত স্বাধীন আক্ষেপ বা কষ্টের কথা বলার স্হান করে দিয়ে ছিলো। সেটা এখন সারা দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ সড়ে এসে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। কাউকে দেখে পা হাত দিয়ে সালাম করলে দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া’র ভাষায় সে বিপদ জনক এটা আজ সাংবাদিকরা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছে। এই সাংবাদিক নেতা ডান পা আঘাত পান রোড পর ডেমোক্রিসর দিন। আর ৪ আগষ্ট ২৪ ফ্যাসিবাদ বিদায়ের আগের দিন গুলিতে আহত হন। আজ তিনি চিকিৎসা করতে পারছেন না,কৃত্রিম পা না থাকায় ঘরে শুয়ে থাকেন। তার আক্ষেপ রাজপথ আহত সাংবাদিকদের অভিভাবকের মত পাশে থাকতেন মরহুম রুহুল আমীন গাজী, দর্শন পরিবর্তনকারী শওকত মাহমুদ, এম,আব্দুল্লাহ্। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আর শামসুজ্জামান দুদু, এ্যাডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এখন আর দুনিয়াতে নাই সাদেক হোসেন খোকা,খবর রাখতেন ৮০’র দশকে জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী আর জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃশাহজাহান মিয়া সম্রাট, আর জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃবেলাল আহমদ। বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়া উদ্দিন জিয়া। এই জন্যে রাজপথ থেকে নেতা তৈরী করলে হবিগঞ্জ সহ সারাদেশে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ মুক্তের বীরদের নাজেহাল করে তারেক রহমান এর সবার আগে বাংলাদেশ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পদদলিত করতে হামলা করার সাহস। জুলাই আহতদের উপযুক্ত মূল্যায়ন করতে ব্যার্থ হলে আবারো ফ্যাসিবাদ আর আধিপত্যবাদের পূর্ণবাসন হওয়ার আশংকা আছে। তিনি আক্ষেপ করে বললেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে)’র সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ খুরশীদ আলম নিজেরা ঝুঁকি নিয়ে বন্ধু এস,এম,তাজুল ইসলাম একবছর আগে ঋণ নিয়ে চিকিৎসার খরচ মিটাতে পাশে দাঁড়ায় এই টাকাটা এখনো পরিশোধ করতে পারে নাই। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে)’র প্রবীণ সদস্য আজ পঙ্গু কর্মহীন সাংবাদিক নেতার আক্ষেপ শুনার কেউ নাই। আর এই সাংবাদিক নেতা মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী বলেন আজ ফেসবুকে পোস্ট বড় বড় কথা বলার গুণীর অভাব নাই।যাদের ত্যাগের কারণে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে তাদের মুল্যায়ন চায়। তিনি বলেন আমার ছেলে মেয়ে যেমন যোগত্বা অনুযায়ী তাদের কর্মসংস্থান হয় নাই আমার কারণে তেমনি জুলাই আহত বা ত্যাগীদের একই পরিনতি। আবার বিশ্বাস শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরী তারেক রহমান ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির ঐক্য ধরে রাখবেন। আর গতিশীল নেতৃত্ব পুর্ণত্বা আনতে বিরোধী দলের নেতা ডাঃশফিকুর রহমান, নুরুল ইসলাম নাহিদ সহ সবাই এক সাথে হয়ে দক্ষিণ এশিয়াকে আধিপত্য মুক্ত করবেন। আর তখনই আমরা তৃপ্তি পাবো ফ্যাসিবাদ বিরোধীদের আত্মতৃপ্তি হবে। আর নাপিতদের ব্রাহ্মণ বানিয়ে সাংবাদিক অন্ধকারে ঠেলে দিবেন না। এমন প্রত্যাশা তার।















