সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

কিছুতেই থামছে না বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার প্রপাগান্ডা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪ ৪১০ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুল হক মিলন

ভারতীয় প্রপাগান্ডার অন্যতমমেশিন নামে পরিচিত রিপাবলিক বাংলা দিপঞ্জন চক্রবর্তী এবার বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কে নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সূত্র, বিশ্বস্ত সূত্রের নামে বায়বীয় সোর্স ব্যবহার করে প্রধান উপদেষ্টা সেনাপ্রধান কে অব্যহতি দিচ্ছে এমন খবর চাউর করছে। যার আদো কোন ভিত্তি নেই। কিছুদিন আগে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেছিলেন,যে কিছুর বিনিময়েই হোক তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে শেষ পর্যন্ত থাকতে চান এবং সমস্ত সহযোগিতা দিয়ে যাবেন। মূলত তখন থেকেই ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়ার মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা চাইছিল অন্তর্বর্তী সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে অবিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে অস্থিতিশীল করে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে আবারো এদেশের রাজনীতীতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এসব ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়া খেয়ে না খেয়ে বাংলাদেশেকে অস্থিতিশীল করতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তাদের এখনো বুঝতে পারছে না যে, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রশ্নে পুরো বাংলাদেশ মিনিটেই এক হয়ে যায়।

ট্যাগস :

কিছুতেই থামছে না বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার প্রপাগান্ডা

আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

এমদাদুল হক মিলন

ভারতীয় প্রপাগান্ডার অন্যতমমেশিন নামে পরিচিত রিপাবলিক বাংলা দিপঞ্জন চক্রবর্তী এবার বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কে নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সূত্র, বিশ্বস্ত সূত্রের নামে বায়বীয় সোর্স ব্যবহার করে প্রধান উপদেষ্টা সেনাপ্রধান কে অব্যহতি দিচ্ছে এমন খবর চাউর করছে। যার আদো কোন ভিত্তি নেই। কিছুদিন আগে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেছিলেন,যে কিছুর বিনিময়েই হোক তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে শেষ পর্যন্ত থাকতে চান এবং সমস্ত সহযোগিতা দিয়ে যাবেন। মূলত তখন থেকেই ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়ার মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা চাইছিল অন্তর্বর্তী সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে অবিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে অস্থিতিশীল করে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে আবারো এদেশের রাজনীতীতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এসব ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়া খেয়ে না খেয়ে বাংলাদেশেকে অস্থিতিশীল করতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তাদের এখনো বুঝতে পারছে না যে, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রশ্নে পুরো বাংলাদেশ মিনিটেই এক হয়ে যায়।