সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

কমলাপুর ডিপো বিআরটিসির অন্যতম প্রধান ডিপোগুলোর একটি। এটি ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত এবং মূলত ঢাকা শহর ও আশেপাশের রুটে বাস পরিচালনা করে।

বর্তমানে অনেক বাস (মোট ৩৪৩টি) অর্থনৈতিকভাবে মেরামত অযোগ্য ঘোষণা করে কমলাপুর ডিপোতে ফেলে রাখা হয়েছে। এগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রির প্রক্রিয়াধীন। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এর প্রধান কারণ।

নতুন বাস কেনা না হওয়ায় বিআরটিসির সার্বিক বহর কমে গেছে। কমলাপুর ডিপোতেও চলমান বাসের সংখ্যা সীমিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগের সূত্র থেকে জানা যায় কমলাপুর

ডিপোর বিরুদ্ধে টায়ার-টিউব, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ কেনায় ঘুষ, ভুয়া বিল-ভাউচার, বাস মেরামত না করে টাকা আত্মসাৎ, রিজার্ভ বাসের টাকা লুট এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। এই অভিযোগগুলো যাচার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।

 

ট্যাগস :

বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

কমলাপুর ডিপো বিআরটিসির অন্যতম প্রধান ডিপোগুলোর একটি। এটি ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত এবং মূলত ঢাকা শহর ও আশেপাশের রুটে বাস পরিচালনা করে।

বর্তমানে অনেক বাস (মোট ৩৪৩টি) অর্থনৈতিকভাবে মেরামত অযোগ্য ঘোষণা করে কমলাপুর ডিপোতে ফেলে রাখা হয়েছে। এগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রির প্রক্রিয়াধীন। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এর প্রধান কারণ।

নতুন বাস কেনা না হওয়ায় বিআরটিসির সার্বিক বহর কমে গেছে। কমলাপুর ডিপোতেও চলমান বাসের সংখ্যা সীমিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগের সূত্র থেকে জানা যায় কমলাপুর

ডিপোর বিরুদ্ধে টায়ার-টিউব, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ কেনায় ঘুষ, ভুয়া বিল-ভাউচার, বাস মেরামত না করে টাকা আত্মসাৎ, রিজার্ভ বাসের টাকা লুট এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। এই অভিযোগগুলো যাচার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।