সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

কমলাপুর ডিপো বিআরটিসির অন্যতম প্রধান ডিপোগুলোর একটি। এটি ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত এবং মূলত ঢাকা শহর ও আশেপাশের রুটে বাস পরিচালনা করে।

বর্তমানে অনেক বাস (মোট ৩৪৩টি) অর্থনৈতিকভাবে মেরামত অযোগ্য ঘোষণা করে কমলাপুর ডিপোতে ফেলে রাখা হয়েছে। এগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রির প্রক্রিয়াধীন। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এর প্রধান কারণ।

নতুন বাস কেনা না হওয়ায় বিআরটিসির সার্বিক বহর কমে গেছে। কমলাপুর ডিপোতেও চলমান বাসের সংখ্যা সীমিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগের সূত্র থেকে জানা যায় কমলাপুর

ডিপোর বিরুদ্ধে টায়ার-টিউব, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ কেনায় ঘুষ, ভুয়া বিল-ভাউচার, বাস মেরামত না করে টাকা আত্মসাৎ, রিজার্ভ বাসের টাকা লুট এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। এই অভিযোগগুলো যাচার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।

 

ট্যাগস :

বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

কমলাপুর ডিপো বিআরটিসির অন্যতম প্রধান ডিপোগুলোর একটি। এটি ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত এবং মূলত ঢাকা শহর ও আশেপাশের রুটে বাস পরিচালনা করে।

বর্তমানে অনেক বাস (মোট ৩৪৩টি) অর্থনৈতিকভাবে মেরামত অযোগ্য ঘোষণা করে কমলাপুর ডিপোতে ফেলে রাখা হয়েছে। এগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রির প্রক্রিয়াধীন। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এর প্রধান কারণ।

নতুন বাস কেনা না হওয়ায় বিআরটিসির সার্বিক বহর কমে গেছে। কমলাপুর ডিপোতেও চলমান বাসের সংখ্যা সীমিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগের সূত্র থেকে জানা যায় কমলাপুর

ডিপোর বিরুদ্ধে টায়ার-টিউব, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ কেনায় ঘুষ, ভুয়া বিল-ভাউচার, বাস মেরামত না করে টাকা আত্মসাৎ, রিজার্ভ বাসের টাকা লুট এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই করার জন্য ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। এই অভিযোগগুলো যাচার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।