এখনো পর্যালোচনার সময় আছে?

উপসম্পাদকীয় কলাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

জুলাইয়ের পঙ্গু সাংবাদিক মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ

বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে আলোচনা ৪৭’মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক ও অলইন্ডিয়ান মুসলিম ছাত্র লীগ, কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সাথে পরামর্শ করে করম চাঁদ গান্ধীর ষড়যন্ত্র পদদলিত করে পাকিস্তানের সাথে যায়। তারপর কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র মৃত্যু আর হিন্দু জমিদারদের কারণে দেশে সার্বিক অবস্থা অউন্নয়ন আর বসবাস অনুপযোগী থাকায় পৃথক হতে সময় লাগে! ৭মার্চ৭১ যখন গোটা জাতি স্বাধীনতার জন্যে সরোয়ার্দী উদ্দ্যানের দিকে চেয়ে থাকে? ঠিক তখন জোর করে আ’লীগ দখলকারী শেখ মজিবুর রহমান পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিয়ে স্টেজ থেকে নেমে সোজা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল গিয়ে গল্পে বসে? ৯ মার্চ ৭১ তো পল্টন ময়দানে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ঘোষণাদেন আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা? তারপর বেড়ীয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে? এক সময় সীমান্ত অতিক্রম করে চলে অসভ্য থেকে সভ্যত্বার যাত্রা যে ভাসানচর আসামে সেখানে। একটা সময় পশ্চিমবাংলায় যান। সন্দেহ জনক বক্তব্য আছে যতক্ষণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজরা বাংলায় প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারে নাই। ততক্ষণ শেখমজিব তার পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে রেখে পাকিস্তান মুখে রওনাদেন নাই! এর সত্যত্বা মেলে মরহুম তাজ উদ্দিনের লেখা বইয়ে” তিনি উল্লেখ করেন শেখ মজিবুর রহমান বাংলা বিভক্তির দায় নিতে রাজী ছিলো না? তারপর আ’লীগ নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ইন্ডিয়াতে গিয়ে শুধু মাওলানা হওয়ার কারণে চরম লাঞ্চিত হয়। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী গৃহবন্দী হয় এবং শেখ মজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারী লন্ডন ও ইন্ডিয়া হয়ে ৪৭ এর ম্যাফ ১৫ ডিসেম্বর ৭১ অর্জন হয়! কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর ৭১ মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করতে আসতে না দিয়ে অরোরা আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে ও নিয়ে যায়! তারপর ১০ জানুয়ারী দিল্লী হয়ে দেশে ফেরে। এখনো জনমনে একটা ধারণা জন্ম নেয় আত্মসমর্পণ দলিলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কিংবা মহান স্বাধীনতার ঘোষক অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য করে করম চাঁদ গান্ধীর কাছে নেহেরু-প্যাটেলদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ১০/১৫ বছর আবার তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন। আর তাই ২০ জানুয়ারী মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে গৃহবন্দী থেকে মুক্ত করে। ২৫ মার্চ ৭১ মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন মেজর জিয়া উর রহমান অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে! কিন্তু তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হলো না এমন কি সিনিয়র হওয়া সত্বেও সেনাপ্রধান করা হলো না! তারপর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দাবীর মুখে শেখ মজিবুর রহমান জহির রায়হানকে প্রধান করে একটা তদন্ত কমিটি করেন।একসপ্তাহ পর তদন্ত স্হগীত তার একসপ্তাহ পর জহির রায়হান গুম? ইন্ডিয়া কি এর দায় এড়াতে পারে এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক! ১৯৪৬ থেকে ৪৭ বিহার সহ বিভিন্ন প্রদেশে মুসলিম গনহত্যার মুখে তারা তখন পূর্ব পাকিস্তানে আশ্রয় গ্রহণ করে। তারা ৭১ এর স্বাধীনতার পর ইন্ডিয়ান না হয়ে পাকিস্তানী কেন হলো এমন প্রশ্ন ওঠতেই পারে? তেমনি বিনা তদন্তে কাউকে স্বাধীনতা বিরোধী বলার অর্থ কি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজ অপশক্তি বিরোধী সাম্যে বিশ্বাসী হওয়া? মহান স্বাধীনতার অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া প্রথম স্বাধীনতার পক্ষে গ্রেফতার মহিলা হলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া আর শিশু তারেক রহমান তারাও স্বাধীনতা বিরোধী বাহ্ ৯ মাস যারা পাকিস্তানের হেফাজতে থেকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে সাম্য প্রতিষ্ঠাকারীদের বিভক্তি করার চক্রান্তে সহযোগীতা করে সুযোগ পেলেই! তারা নাকি স্বাধীনতার পক্ষে এটা বার বার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জনগন থেকে প্রত্যাক্ষিত হয় গনেশ উল্টে যায়। আজকে এ গুলো পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে জনতা? আর আম জনতার দাবী মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যাদের বন্ধু হিসাবে চিহ্নিত করেছে তার বাইরে বন্ধু খোঁজতে গেলে এতিমের ভুয়া টাকা আত্মসাৎ পর জঙ্গী বা সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করবে এমন আশংকা।

ট্যাগস :

এখনো পর্যালোচনার সময় আছে?

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাইয়ের পঙ্গু সাংবাদিক মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ

বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে আলোচনা ৪৭’মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক ও অলইন্ডিয়ান মুসলিম ছাত্র লীগ, কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সাথে পরামর্শ করে করম চাঁদ গান্ধীর ষড়যন্ত্র পদদলিত করে পাকিস্তানের সাথে যায়। তারপর কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র মৃত্যু আর হিন্দু জমিদারদের কারণে দেশে সার্বিক অবস্থা অউন্নয়ন আর বসবাস অনুপযোগী থাকায় পৃথক হতে সময় লাগে! ৭মার্চ৭১ যখন গোটা জাতি স্বাধীনতার জন্যে সরোয়ার্দী উদ্দ্যানের দিকে চেয়ে থাকে? ঠিক তখন জোর করে আ’লীগ দখলকারী শেখ মজিবুর রহমান পাকিস্তান জিন্দাবাদ দিয়ে স্টেজ থেকে নেমে সোজা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল গিয়ে গল্পে বসে? ৯ মার্চ ৭১ তো পল্টন ময়দানে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ঘোষণাদেন আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা? তারপর বেড়ীয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে? এক সময় সীমান্ত অতিক্রম করে চলে অসভ্য থেকে সভ্যত্বার যাত্রা যে ভাসানচর আসামে সেখানে। একটা সময় পশ্চিমবাংলায় যান। সন্দেহ জনক বক্তব্য আছে যতক্ষণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজরা বাংলায় প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারে নাই। ততক্ষণ শেখমজিব তার পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে রেখে পাকিস্তান মুখে রওনাদেন নাই! এর সত্যত্বা মেলে মরহুম তাজ উদ্দিনের লেখা বইয়ে” তিনি উল্লেখ করেন শেখ মজিবুর রহমান বাংলা বিভক্তির দায় নিতে রাজী ছিলো না? তারপর আ’লীগ নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ইন্ডিয়াতে গিয়ে শুধু মাওলানা হওয়ার কারণে চরম লাঞ্চিত হয়। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী গৃহবন্দী হয় এবং শেখ মজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারী লন্ডন ও ইন্ডিয়া হয়ে ৪৭ এর ম্যাফ ১৫ ডিসেম্বর ৭১ অর্জন হয়! কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর ৭১ মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করতে আসতে না দিয়ে অরোরা আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে ও নিয়ে যায়! তারপর ১০ জানুয়ারী দিল্লী হয়ে দেশে ফেরে। এখনো জনমনে একটা ধারণা জন্ম নেয় আত্মসমর্পণ দলিলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কিংবা মহান স্বাধীনতার ঘোষক অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অনুপস্থিত থাকতে বাধ্য করে করম চাঁদ গান্ধীর কাছে নেহেরু-প্যাটেলদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ১০/১৫ বছর আবার তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন। আর তাই ২০ জানুয়ারী মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে গৃহবন্দী থেকে মুক্ত করে। ২৫ মার্চ ৭১ মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন মেজর জিয়া উর রহমান অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে! কিন্তু তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হলো না এমন কি সিনিয়র হওয়া সত্বেও সেনাপ্রধান করা হলো না! তারপর মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দাবীর মুখে শেখ মজিবুর রহমান জহির রায়হানকে প্রধান করে একটা তদন্ত কমিটি করেন।একসপ্তাহ পর তদন্ত স্হগীত তার একসপ্তাহ পর জহির রায়হান গুম? ইন্ডিয়া কি এর দায় এড়াতে পারে এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক! ১৯৪৬ থেকে ৪৭ বিহার সহ বিভিন্ন প্রদেশে মুসলিম গনহত্যার মুখে তারা তখন পূর্ব পাকিস্তানে আশ্রয় গ্রহণ করে। তারা ৭১ এর স্বাধীনতার পর ইন্ডিয়ান না হয়ে পাকিস্তানী কেন হলো এমন প্রশ্ন ওঠতেই পারে? তেমনি বিনা তদন্তে কাউকে স্বাধীনতা বিরোধী বলার অর্থ কি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাজ অপশক্তি বিরোধী সাম্যে বিশ্বাসী হওয়া? মহান স্বাধীনতার অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া প্রথম স্বাধীনতার পক্ষে গ্রেফতার মহিলা হলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া আর শিশু তারেক রহমান তারাও স্বাধীনতা বিরোধী বাহ্ ৯ মাস যারা পাকিস্তানের হেফাজতে থেকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কাছে সাম্য প্রতিষ্ঠাকারীদের বিভক্তি করার চক্রান্তে সহযোগীতা করে সুযোগ পেলেই! তারা নাকি স্বাধীনতার পক্ষে এটা বার বার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জনগন থেকে প্রত্যাক্ষিত হয় গনেশ উল্টে যায়। আজকে এ গুলো পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে জনতা? আর আম জনতার দাবী মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যাদের বন্ধু হিসাবে চিহ্নিত করেছে তার বাইরে বন্ধু খোঁজতে গেলে এতিমের ভুয়া টাকা আত্মসাৎ পর জঙ্গী বা সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করবে এমন আশংকা।