নোয়াখালী থেকে বরগুনা—বিআরটিএতে এক যুগের অভিজ্ঞতায় সৌরভ কুমার সাহা
- আপডেট সময় : ১১:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
Share the post "নোয়াখালী থেকে বরগুনা—বিআরটিএতে এক যুগের অভিজ্ঞতায় সৌরভ কুমার সাহা"
২০১৪ সালে নোয়াখালী বিআরটিএ কার্যালয়ে মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু। এরপর সময়ের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সুযোগ হয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। উত্তরা, গোপালগঞ্জ, চাঁদপুর, মাদারীপুরসহ একাধিক কর্মস্থল পেরিয়ে বর্তমানে বরগুনায় দায়িত্ব পালন করছেন সৌরভ কুমার সাহা। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময়ের এই কর্মজীবনে বিআরটিএর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সম্পর্কে অর্জন করেছেন বাস্তব অভিজ্ঞতা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মস্থলে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কারণে পরিবহন খাতের মাঠপর্যায়ের কাজ সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতার পরিধি বেড়েছে। বিভিন্ন জেলার ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতায় কাজ করার অভিজ্ঞতা বর্তমান দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও কাজে লাগছে।
সৌরভ কুমার সাহার সরকারি চাকরির শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ একটি পদে। ২০১৪ সালে নোয়াখালী বিআরটিএ অফিসে মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাঁর কর্মজীবন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘ সময় যুক্ত থাকার সুযোগ পান।
মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ
বিআরটিএর মাঠপর্যায়ের দপ্তরগুলোতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক নাগরিক বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে আসেন। যানবাহন-সংক্রান্ত কারিগরি কাজ থেকে শুরু করে দাপ্তরিক বিভিন্ন কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় নাগরিক সেবার বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে সৌরভ কুমার সাহার ধারণা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
বরগুনার মতো জেলা শহরে বিআরটিএর সেবা কার্যক্রমকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের হয়রানি কমানো, নিয়ম মেনে সেবা প্রদান এবং দাপ্তরিক কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার মাধ্যমে জনআস্থা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে তাঁর সামনে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন সৌরভ কুমার সাহা।
২০১৪ সালে চাকরির শুরু থেকে বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করে তিনি এখন কর্মজীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পর্যায়ে পৌঁছেছেন। কর্মজীবনের এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বর্তমান কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিআরটিএর নাগরিক সেবাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
একজন সরকারি কর্মচারীর দীর্ঘ কর্মজীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন কেবল পদ বা কর্মস্থল পরিবর্তন নয়; বরং বিভিন্ন পর্যায়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা কীভাবে জনসেবায় কাজে লাগানো যায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় নোয়াখালী থেকে শুরু হওয়া সৌরভ কুমার সাহার এক যুগের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান দায়িত্বে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
জনসেবা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয় ঘটিয়ে বর্তমান কর্মস্থলে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে যেতে চান তিনি।






