সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের “পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশনস কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বরসমূহ: ০১৩২০০০১২২৩, ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোবাইল নম্বরসমূহ সার্বক্ষণিক (দিন-রাত ২৪ ঘন্টা) খোলা থাকবে।” স্বাক্ষরিত/- ফয়সল হাসান জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই! মো১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমার্পন দলিলে মুক্তির যুদ্ধেরসর্বাধীনায়ক স্বাক্ষর করলে জাতি বিভক্তি আর ১৫ আগষ্ট৭৫, ৭ নভেম্বর৭৫ আর জুলাই বিপ্লব হতো কি! অথোরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোট বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান  ১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজশাহীতে ১৬ মে ৭৬ ঐতিহাসিক বিক্ষোভ? প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি শুকনো রুটি ঢাকার প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই!

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ

৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দান যখন প্রত্যাশা পুরণ করতে পারলো না!৯ মার্চ ৭১ পল্টনে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী বললেন আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা? ২৫ মার্চ৭১ পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে নিজে গেলেন পাকিস্তান? অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ঘোষণা দিলেন ” আমি মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলাম? বাংলার স্বাধীনতা পাগলবীররা লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিলো। ওদিকে প্রতিবেশী ১৯৪৬ এ যে স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যার্থ হলো তারা বাস্তবায়নের চক্রান্ত শুরু করলো। ওপারে গিয়ে অপদস্ত হলেন আ’লীগ এর মওলানা আব্দুল রশীদ তর্কবাগীশ, গৃহবন্দী হলপন মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। জাতির সামনে একদিকে পাকিস্তান আর নিকট প্রতিবেশী শক্র হিসাবে দাড়িয়ে গেলো। দেশপ্রেমিক স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া আর স্বাধীনতার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে পাশকাটিয়ে প্রবাসী মন্ত্রী পরিষদ গঠন হলো। বিজয়ের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে অনুপস্থিত রেখে ওরোরা স্বাক্ষর করলো। শেখ মজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারী ৭২ লন্ডন ও দিল্লি হয়ে বাংলাদেশে আসলেন। ২২ জানুয়ারী ৭২ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে দেশে আসলেন। ততক্ষণ জাতিকে বিভক্তি আর গনহত্যা গনলুট সমানে চলছে? মেজর এম,এ,জলিল বাঁধা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী কয়দিন পর ঢাকা পল্টনে ঘোষণা দিলেন যতদিন এই জাতি বুঝবেনা দিল্লিই তাদের শক্র ততদিন প্রকৃত স্বাধীনতা আসবে না! আরেকটা বললেন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার আগে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অবশেষে জহির রায়হানকে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন। ৭ দিন পর তদন্ত স্থগিত আবার ৭ দিন পর জহির রায়হান গায়েব। এই গায়েব রহস্য উদঘাটনে দিল্লী হয়ে আসা নেতা কোন তদন্ত করলো না! জাতি আজও জানলো না কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত? তবে ওপারে যেমন মুসলিম হত্যা জায়েজ করতে মুসলমানদের উপর দায় চাপায় এখানেও সেই প্রক্রিয়া সুন্দর ভাবে চলতে শুরু হলো।খলনায়করা নায়ক হওয়ার মানুষিকতা সঠিক ইতিহাস উপস্হাপনায় আগ্রহ দেখালো না। চরম জুলুম থেকে রক্ষায় ৭৫ এর ১৫,আগষ্ট, ৭নভেম্বর৭৫ আর সর্বশেষ জুলাই আগষ্ট ২৪। পুর্ণঙ্গস্বাধীনতা অর্জনে মুখ্যে পরামর্শক প্রথম ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী পরবর্তীতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া সর্বশেষ জনাব তারেক রহমান। আর শুরু থেকে ইসলাম প্রিয় বিশ্বাসীরা ঐক্যবদ্ধ জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির অনুসারীরা কিছুদিন নিরব থেকে ঐক্য ভাঙতে কাজ শুরু করে। আর বার বারই এই অর্জন লক্ষ স্হানে পৌছুতে পারে না? এবারো এমন আশংকা দেখা দিয়েছে! ইতিমধ্যে আত্মমর্যাদা সম্পূর্ণ জাতি গঠনের দিকনির্দেশক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যেমন সন্দেহ ভাজন চারমন্ত্রী ঘরে পাঠাতে দেরী করেন নাই। তাদেরই উত্তরসুরী তারেক রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন কি? লেখক চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ),সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে) ও সম্পাদক দৈনিক শিকল। ২৪ মে ২৬।

ট্যাগস :

ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই!

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ

৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দান যখন প্রত্যাশা পুরণ করতে পারলো না!৯ মার্চ ৭১ পল্টনে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা রুপকার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী বললেন আর কোন আলোচনা নয় স্বাধীনতা? ২৫ মার্চ৭১ পরিবারকে পাকিস্তানিদের হেফাজতে নিজে গেলেন পাকিস্তান? অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ঘোষণা দিলেন ” আমি মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলাম? বাংলার স্বাধীনতা পাগলবীররা লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিলো। ওদিকে প্রতিবেশী ১৯৪৬ এ যে স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যার্থ হলো তারা বাস্তবায়নের চক্রান্ত শুরু করলো। ওপারে গিয়ে অপদস্ত হলেন আ’লীগ এর মওলানা আব্দুল রশীদ তর্কবাগীশ, গৃহবন্দী হলপন মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। জাতির সামনে একদিকে পাকিস্তান আর নিকট প্রতিবেশী শক্র হিসাবে দাড়িয়ে গেলো। দেশপ্রেমিক স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া আর স্বাধীনতার স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে পাশকাটিয়ে প্রবাসী মন্ত্রী পরিষদ গঠন হলো। বিজয়ের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে অনুপস্থিত রেখে ওরোরা স্বাক্ষর করলো। শেখ মজিবুর রহমান ১০ জানুয়ারী ৭২ লন্ডন ও দিল্লি হয়ে বাংলাদেশে আসলেন। ২২ জানুয়ারী ৭২ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে দেশে আসলেন। ততক্ষণ জাতিকে বিভক্তি আর গনহত্যা গনলুট সমানে চলছে? মেজর এম,এ,জলিল বাঁধা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী কয়দিন পর ঢাকা পল্টনে ঘোষণা দিলেন যতদিন এই জাতি বুঝবেনা দিল্লিই তাদের শক্র ততদিন প্রকৃত স্বাধীনতা আসবে না! আরেকটা বললেন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার আগে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অবশেষে জহির রায়হানকে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন। ৭ দিন পর তদন্ত স্থগিত আবার ৭ দিন পর জহির রায়হান গায়েব। এই গায়েব রহস্য উদঘাটনে দিল্লী হয়ে আসা নেতা কোন তদন্ত করলো না! জাতি আজও জানলো না কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত? তবে ওপারে যেমন মুসলিম হত্যা জায়েজ করতে মুসলমানদের উপর দায় চাপায় এখানেও সেই প্রক্রিয়া সুন্দর ভাবে চলতে শুরু হলো।খলনায়করা নায়ক হওয়ার মানুষিকতা সঠিক ইতিহাস উপস্হাপনায় আগ্রহ দেখালো না। চরম জুলুম থেকে রক্ষায় ৭৫ এর ১৫,আগষ্ট, ৭নভেম্বর৭৫ আর সর্বশেষ জুলাই আগষ্ট ২৪। পুর্ণঙ্গস্বাধীনতা অর্জনে মুখ্যে পরামর্শক প্রথম ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী পরবর্তীতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া সর্বশেষ জনাব তারেক রহমান। আর শুরু থেকে ইসলাম প্রিয় বিশ্বাসীরা ঐক্যবদ্ধ জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির অনুসারীরা কিছুদিন নিরব থেকে ঐক্য ভাঙতে কাজ শুরু করে। আর বার বারই এই অর্জন লক্ষ স্হানে পৌছুতে পারে না? এবারো এমন আশংকা দেখা দিয়েছে! ইতিমধ্যে আত্মমর্যাদা সম্পূর্ণ জাতি গঠনের দিকনির্দেশক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া যেমন সন্দেহ ভাজন চারমন্ত্রী ঘরে পাঠাতে দেরী করেন নাই। তাদেরই উত্তরসুরী তারেক রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন কি? লেখক চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ),সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে) ও সম্পাদক দৈনিক শিকল। ২৪ মে ২৬।