সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

চরিত্রহীন

মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ২১৮ বার পড়া হয়েছে

০৫/৩/২০২৬

সংসার নামের এই পবিত্র মন্দিরে

আমি জ্বালিয়েছিলাম বিশ্বাসের প্রদীপ,

আর তুমি লালসার ঝড় তুলে

ভেঙে দিলে সেই নীরব উপাসনা।

স্বামী ছিলে তুমি,

কিন্তু স্বামীত্বের পবিত্রতা

কোনোদিন স্পর্শ করেনি তোমার হৃদয়।

তোমার চোখে ছিলো অন্য নারীর নেশা,

অপর দেহের মিথ্যা জ্যোৎস্না।

 

আমি দিয়েছিলাম ভালোবাসা

তুমি নিয়েছো কামনার আগুন।

আমি দিয়েছিলাম হৃদয়ের স্বচ্ছ নদী

তুমি ডুব দিয়েছো

অচেনা দেহের নোংরা স্রোতে।

কত রাত্রি পুড়েছি আমি

অপমানের অগ্নিতে!

কত দিন কেটেছে

নীরবতার শীতল কারাগারে!

 

একই ছাদের নিচে থেকেও

আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে

এক অদৃশ্য প্রাচীর

তোমার চরিত্রহীনতার জলচাপ।

তুমি বাইরে দানশীল, ধার্মিক

মানুষের সামনে উজ্জ্বল মুখোশ পরে থাকো,

কিন্তু ঘরের ভেতর তোমার আত্মা

অন্য নারীর আসক্তির অন্ধকারে ডুবে আছে।

 

তোমার লালসা

আমার সংসারকে করেছে শ্মশান,

তোমার চরিত্রহীনতা

আমার ভালোবাসাকে করেছে নির্বাসিত।

আজ আমি নীরব

কারণ দীর্ঘদিন

তোমার সাথে আমার কোনো কথা নেই।

শুধু দেয়ালগুলো জানে

আমার দগ্ধ হৃদয়ের ইতিহাস।

 

তবু শুনে রাখো

আমার নীরবতা দুর্বলতা নয়,

এ নীরবতা

একদিন ঝড় হয়ে উঠবে তোমার অশ্লীল অস্তিত্বে!

সেদিন তোমার সমস্ত মুখোশ

খসে পড়বে মানুষের সামনে,

আর তুমি দাঁড়িয়ে থাকবে

নিজের চরিত্রহীনতার

নগ্ন লজ্জার চাদরে ডেকে।

ট্যাগস :

চরিত্রহীন

আপডেট সময় : ১০:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

০৫/৩/২০২৬

সংসার নামের এই পবিত্র মন্দিরে

আমি জ্বালিয়েছিলাম বিশ্বাসের প্রদীপ,

আর তুমি লালসার ঝড় তুলে

ভেঙে দিলে সেই নীরব উপাসনা।

স্বামী ছিলে তুমি,

কিন্তু স্বামীত্বের পবিত্রতা

কোনোদিন স্পর্শ করেনি তোমার হৃদয়।

তোমার চোখে ছিলো অন্য নারীর নেশা,

অপর দেহের মিথ্যা জ্যোৎস্না।

 

আমি দিয়েছিলাম ভালোবাসা

তুমি নিয়েছো কামনার আগুন।

আমি দিয়েছিলাম হৃদয়ের স্বচ্ছ নদী

তুমি ডুব দিয়েছো

অচেনা দেহের নোংরা স্রোতে।

কত রাত্রি পুড়েছি আমি

অপমানের অগ্নিতে!

কত দিন কেটেছে

নীরবতার শীতল কারাগারে!

 

একই ছাদের নিচে থেকেও

আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে

এক অদৃশ্য প্রাচীর

তোমার চরিত্রহীনতার জলচাপ।

তুমি বাইরে দানশীল, ধার্মিক

মানুষের সামনে উজ্জ্বল মুখোশ পরে থাকো,

কিন্তু ঘরের ভেতর তোমার আত্মা

অন্য নারীর আসক্তির অন্ধকারে ডুবে আছে।

 

তোমার লালসা

আমার সংসারকে করেছে শ্মশান,

তোমার চরিত্রহীনতা

আমার ভালোবাসাকে করেছে নির্বাসিত।

আজ আমি নীরব

কারণ দীর্ঘদিন

তোমার সাথে আমার কোনো কথা নেই।

শুধু দেয়ালগুলো জানে

আমার দগ্ধ হৃদয়ের ইতিহাস।

 

তবু শুনে রাখো

আমার নীরবতা দুর্বলতা নয়,

এ নীরবতা

একদিন ঝড় হয়ে উঠবে তোমার অশ্লীল অস্তিত্বে!

সেদিন তোমার সমস্ত মুখোশ

খসে পড়বে মানুষের সামনে,

আর তুমি দাঁড়িয়ে থাকবে

নিজের চরিত্রহীনতার

নগ্ন লজ্জার চাদরে ডেকে।