বাংলাদেশের গণতন্ত্রায়ন ও উন্নয়নে বহিঃর্বিশ্ব বিএনপি’র ভূমিকা
- আপডেট সময় : ০১:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
Share the post "বাংলাদেশের গণতন্ত্রায়ন ও উন্নয়নে বহিঃর্বিশ্ব বিএনপি’র ভূমিকা"
জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বুধবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশের গণতন্ত্রায়ন ও উন্নয়নে বহিঃর্বিশ্ব বিএনপি’র ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কন্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র স্টেট বিএনপি সহ বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ বহির বিশ্বে বসবাসকারী রেমিটেন্স যোদ্ধা।প্রবাসী বিএনপি অঙ্গসংগঠন ও নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন ।তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যুক্তরাষ্ট্র স্টেট বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও আজকের অনুষ্ঠান সঞ্চালক গিয়াস আহমেদ, জাহাঙ্গীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন খোকন, সুইডেন বিএনপি’র মহিদুল আহমেদ নিয়াজ, আতিকুর রহমান, তৌফিক ইলিয়াস, চাকলাদার ফ্লোরিডা, সহ-সভাপতি মতিন, হারুন ,সাইদুর রহমান সাঈদ, সাবেক ছাত্রনেতা আতাউর রহমান আতা, ছাত্রনেতা সৈয়দ মুরাদুল হাসান রেজা, শাহনাজ মুন্নি, কানাডা মহিলা দল সদস্যবৃন্দ,
কাউন্সিলর সুরাইয়া, কাজী মুকিদুজ্জামান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক জিয়াউর রহমান খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র স্টেট বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ বলেন,” আমরা সংঘটিত হয়ে সবার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের একত্রিত করেছি স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকার কে ক্ষমতাচ্যুত করার পিছনে প্রবাসী বিএনপি’র অনেক অবদান আছে। প্রয়োজনে আমরা দেশে টাকা পাঠায় অর্থনীতির চাকা সচল রাখি আবার হাসিনা সরকারের লুটপাট বন্ধ করার জন্য আমরা দেশে রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করেছিলাম। আমাদের জন্য প্লট ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করতে হবে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রবাসীদের কল্যাণে কমিউনিটি অফিস করতে হবে। তারা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। বিশেষ অতিথি কবি সাংবাদিক ও লেখক হাসান হাফিজ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,” প্রবাসীরা যদি রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করে দেন এবং দেশের গার্মেন্টস অচল হয়ে যায় তাহলে বাংলাদেশের ব্যাপক পরিমাণ ক্ষতি হয়ে যাবে। বর্তমান সরকারকে মানুষ যদি বলে আগেই ভালো ছিলাম তাহলে এটা আমাদের চরম লজ্জা ঘৃণা ও ব্যর্থতা। বাংলাদেশের মিডিয়া গুলো স্বৈরাচারের দোসর মুক্ত হয়নি সেগুলো সংস্কার করতে হবে। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া সংস্কারও করতে হবে এবং নির্বাচনও দিতে হবে। প্রবাসীদের সংসদে নেতৃত্বের অংশ থাকতে হবে।” আবারো তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন। উপস্থিত সকলকে সম্মোধন করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,” স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনে ১৮ কোটি মানুষের অবদান আছে। প্রবাসে যারা হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে তাদের পরিবারকে বেছে বেছে মা-বাবা ভাই-বোন আত্মীয়-স্বজন সবাইকে নির্মম নির্যাতন করেছে গুম করেছে খুন করেছে। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্টেট থেকে লোকজন এসে বিদেশে একত্রিত হয়ে আন্দোলন করেছে এজন্য তাদের অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়েছে। বিভিন্ন সিনেটরকে কনভেন্স করে তারা বছরের পর বছর আন্দোলন করে গেছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এটা তাদের দেশের জন্য মহৎ ত্যাগ বলতে হবে। স্বৈরাচার পতনে ছাত্র জনতা প্রবাসী সকলের অবদান আছে ।এই অবদানকে ইতিহাস করে রাখতে হলে একটি হিস্টোরিকাল রেকর্ড তৈরি করতে হবে আর এই রেকর্ডটি ডকুমেন্টারি ইতিহাস হয়ে থাকবে। সাথে সাথে এটা বই আকারেও করতে হবে। বাংলাদেশে লঞ্চ করানোর ক্ষেত্রে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মী পাশে থাকবেন। ছাত্র জনতা প্রবাসী আন্দোলনে প্রধানত ভূমিকা রেখেছে তারেক রহমান। এই আন্দোলনকে ড্রাইভ করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরাচারী সরকার কে মোকাবেলা করে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন অসুস্থ থেকেছেন তবুও দেশ ও দেশের মানুষকে স্বৈরাচারীর কাছে রেখে যেতে চান নাই। তিনিই আন্দোলনের শক্তি। প্রবাসীদের সম্মান জানিয়ে তিনি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ও শেষ করেন।









