সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

দেশের মোবাইল অপারেটরের প্রতি গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ 

সম্পাদকীয় কলাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে

সম্পাদকীয় কলাম

বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে যোগাযোগের কোন বিকল্প নেই। যোগাযোগের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে মোবাইল ফোন মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে আশীর্বাদ বার্তা। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের বিভিন্ন ব্রান্ড নিত্যনতুন ফর্মুলায় বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকরা ও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেই মোবাইল ফোন কেনার জন্য। শখের সেই সেটটি হাতে নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে হোক অথবা অপ্রয়োজনের তাগদেই হোক বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম ব্যবহার করতে হয়। শুধু মোবাইল সিম ব্যবহার করলেই হবে না,সেখানে আছে বিভিন্ন অফারে মিনিট ডাটা বান্ডিল সহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য নৈমিত্তিক অফার।আর এই অফারের জন্য কিনতে হয় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ।এই প্যাকেজের মূল্য ও মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন। এতে সাধারণ গ্রাহকের কোন সমস্যা হচ্ছিল না।সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন,”মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন প্যাকেজ উধাও।” শুধু তাই নয় কিছু কিছু গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, সময় অসময়ে তাদের ব্যালেন্সের টাকা মোবাইল অপারেটরগুলো কেটে নেন,কি কারনে কেটে নেন তার কোন ব্যাখ্যা বা নোটিফিকেশন তাদের দেওয়া হয় না।নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি এক কর্মচারী “আমি গ্রামীণফোন ব্যবহার করি ডাটা ও মিনিট প্যাকেজ কিনতেই হিমশিম খেতে হয় তার উপর মেয়াদ শেষ হলে সেই মিনিটও ডাটা উধাও হয়ে যায়! আমাদের টাকায় কেনা সেবামূল্য কেন আমরা ব্যবহার করতে পারব না? স্বাধীন বাংলাদেশে এই অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চাই না। অপারেটরগুলোর সেচ্ছাচারিতা অচিরেই বন্ধ করা উচিত। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করে স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে গ্রাহকদের রক্ষা করবেন এই আশা রাখি।” বাংলালিংকের শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এই বিষয় তাদের হায়ার অথরিটি করে থাকেন এটা আমাদের বিষয় নয়। তবে আপনার অভিযোগটি আমরা নোট করে রাখছি অথরিটিকে জানিয়ে দিব। গ্রামীনফোনের
ওয়ান টু ওয়ান এ কল দিয়েও প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

দেশের মোবাইল অপারেটরের প্রতি গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ 

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

সম্পাদকীয় কলাম

বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে যোগাযোগের কোন বিকল্প নেই। যোগাযোগের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে মোবাইল ফোন মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে আশীর্বাদ বার্তা। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের বিভিন্ন ব্রান্ড নিত্যনতুন ফর্মুলায় বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকরা ও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেই মোবাইল ফোন কেনার জন্য। শখের সেই সেটটি হাতে নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে হোক অথবা অপ্রয়োজনের তাগদেই হোক বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম ব্যবহার করতে হয়। শুধু মোবাইল সিম ব্যবহার করলেই হবে না,সেখানে আছে বিভিন্ন অফারে মিনিট ডাটা বান্ডিল সহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য নৈমিত্তিক অফার।আর এই অফারের জন্য কিনতে হয় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ।এই প্যাকেজের মূল্য ও মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন। এতে সাধারণ গ্রাহকের কোন সমস্যা হচ্ছিল না।সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন,”মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন প্যাকেজ উধাও।” শুধু তাই নয় কিছু কিছু গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, সময় অসময়ে তাদের ব্যালেন্সের টাকা মোবাইল অপারেটরগুলো কেটে নেন,কি কারনে কেটে নেন তার কোন ব্যাখ্যা বা নোটিফিকেশন তাদের দেওয়া হয় না।নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি এক কর্মচারী “আমি গ্রামীণফোন ব্যবহার করি ডাটা ও মিনিট প্যাকেজ কিনতেই হিমশিম খেতে হয় তার উপর মেয়াদ শেষ হলে সেই মিনিটও ডাটা উধাও হয়ে যায়! আমাদের টাকায় কেনা সেবামূল্য কেন আমরা ব্যবহার করতে পারব না? স্বাধীন বাংলাদেশে এই অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চাই না। অপারেটরগুলোর সেচ্ছাচারিতা অচিরেই বন্ধ করা উচিত। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করে স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে গ্রাহকদের রক্ষা করবেন এই আশা রাখি।” বাংলালিংকের শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এই বিষয় তাদের হায়ার অথরিটি করে থাকেন এটা আমাদের বিষয় নয়। তবে আপনার অভিযোগটি আমরা নোট করে রাখছি অথরিটিকে জানিয়ে দিব। গ্রামীনফোনের
ওয়ান টু ওয়ান এ কল দিয়েও প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।