সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার” এবং “উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার” প্রদান অনুষ্ঠান কর্মসূচি বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের “পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশনস কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বরসমূহ: ০১৩২০০০১২২৩, ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোবাইল নম্বরসমূহ সার্বক্ষণিক (দিন-রাত ২৪ ঘন্টা) খোলা থাকবে।” স্বাক্ষরিত/- ফয়সল হাসান জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই! মো১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমার্পন দলিলে মুক্তির যুদ্ধেরসর্বাধীনায়ক স্বাক্ষর করলে জাতি বিভক্তি আর ১৫ আগষ্ট৭৫, ৭ নভেম্বর৭৫ আর জুলাই বিপ্লব হতো কি! অথোরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোট বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান  ১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজশাহীতে ১৬ মে ৭৬ ঐতিহাসিক বিক্ষোভ? প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

দেশের মোবাইল অপারেটরের প্রতি গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ 

সম্পাদকীয় কলাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

সম্পাদকীয় কলাম

বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে যোগাযোগের কোন বিকল্প নেই। যোগাযোগের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে মোবাইল ফোন মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে আশীর্বাদ বার্তা। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের বিভিন্ন ব্রান্ড নিত্যনতুন ফর্মুলায় বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকরা ও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেই মোবাইল ফোন কেনার জন্য। শখের সেই সেটটি হাতে নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে হোক অথবা অপ্রয়োজনের তাগদেই হোক বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম ব্যবহার করতে হয়। শুধু মোবাইল সিম ব্যবহার করলেই হবে না,সেখানে আছে বিভিন্ন অফারে মিনিট ডাটা বান্ডিল সহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য নৈমিত্তিক অফার।আর এই অফারের জন্য কিনতে হয় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ।এই প্যাকেজের মূল্য ও মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন। এতে সাধারণ গ্রাহকের কোন সমস্যা হচ্ছিল না।সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন,”মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন প্যাকেজ উধাও।” শুধু তাই নয় কিছু কিছু গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, সময় অসময়ে তাদের ব্যালেন্সের টাকা মোবাইল অপারেটরগুলো কেটে নেন,কি কারনে কেটে নেন তার কোন ব্যাখ্যা বা নোটিফিকেশন তাদের দেওয়া হয় না।নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি এক কর্মচারী “আমি গ্রামীণফোন ব্যবহার করি ডাটা ও মিনিট প্যাকেজ কিনতেই হিমশিম খেতে হয় তার উপর মেয়াদ শেষ হলে সেই মিনিটও ডাটা উধাও হয়ে যায়! আমাদের টাকায় কেনা সেবামূল্য কেন আমরা ব্যবহার করতে পারব না? স্বাধীন বাংলাদেশে এই অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চাই না। অপারেটরগুলোর সেচ্ছাচারিতা অচিরেই বন্ধ করা উচিত। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করে স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে গ্রাহকদের রক্ষা করবেন এই আশা রাখি।” বাংলালিংকের শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এই বিষয় তাদের হায়ার অথরিটি করে থাকেন এটা আমাদের বিষয় নয়। তবে আপনার অভিযোগটি আমরা নোট করে রাখছি অথরিটিকে জানিয়ে দিব। গ্রামীনফোনের
ওয়ান টু ওয়ান এ কল দিয়েও প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

দেশের মোবাইল অপারেটরের প্রতি গ্রাহকদের চরম ক্ষোভ 

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

সম্পাদকীয় কলাম

বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে যোগাযোগের কোন বিকল্প নেই। যোগাযোগের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে মোবাইল ফোন মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে আশীর্বাদ বার্তা। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের বিভিন্ন ব্রান্ড নিত্যনতুন ফর্মুলায় বাজারজাত করে আসছে। গ্রাহকরা ও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেই মোবাইল ফোন কেনার জন্য। শখের সেই সেটটি হাতে নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে হোক অথবা অপ্রয়োজনের তাগদেই হোক বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম ব্যবহার করতে হয়। শুধু মোবাইল সিম ব্যবহার করলেই হবে না,সেখানে আছে বিভিন্ন অফারে মিনিট ডাটা বান্ডিল সহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য নৈমিত্তিক অফার।আর এই অফারের জন্য কিনতে হয় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ।এই প্যাকেজের মূল্য ও মেয়াদ ভিন্ন ভিন্ন। এতে সাধারণ গ্রাহকের কোন সমস্যা হচ্ছিল না।সাধারণ গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন,”মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন প্যাকেজ উধাও।” শুধু তাই নয় কিছু কিছু গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, সময় অসময়ে তাদের ব্যালেন্সের টাকা মোবাইল অপারেটরগুলো কেটে নেন,কি কারনে কেটে নেন তার কোন ব্যাখ্যা বা নোটিফিকেশন তাদের দেওয়া হয় না।নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি এক কর্মচারী “আমি গ্রামীণফোন ব্যবহার করি ডাটা ও মিনিট প্যাকেজ কিনতেই হিমশিম খেতে হয় তার উপর মেয়াদ শেষ হলে সেই মিনিটও ডাটা উধাও হয়ে যায়! আমাদের টাকায় কেনা সেবামূল্য কেন আমরা ব্যবহার করতে পারব না? স্বাধীন বাংলাদেশে এই অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হতে চাই না। অপারেটরগুলোর সেচ্ছাচারিতা অচিরেই বন্ধ করা উচিত। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান করে স্বেচ্ছাচারিতার হাত থেকে গ্রাহকদের রক্ষা করবেন এই আশা রাখি।” বাংলালিংকের শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এই বিষয় তাদের হায়ার অথরিটি করে থাকেন এটা আমাদের বিষয় নয়। তবে আপনার অভিযোগটি আমরা নোট করে রাখছি অথরিটিকে জানিয়ে দিব। গ্রামীনফোনের
ওয়ান টু ওয়ান এ কল দিয়েও প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।