সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের “পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশনস কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বরসমূহ: ০১৩২০০০১২২৩, ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোবাইল নম্বরসমূহ সার্বক্ষণিক (দিন-রাত ২৪ ঘন্টা) খোলা থাকবে।” স্বাক্ষরিত/- ফয়সল হাসান জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই! মো১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমার্পন দলিলে মুক্তির যুদ্ধেরসর্বাধীনায়ক স্বাক্ষর করলে জাতি বিভক্তি আর ১৫ আগষ্ট৭৫, ৭ নভেম্বর৭৫ আর জুলাই বিপ্লব হতো কি! অথোরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোট বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান  ১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজশাহীতে ১৬ মে ৭৬ ঐতিহাসিক বিক্ষোভ? প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি শুকনো রুটি ঢাকার প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

জাতীয় প্রেসক্লাবে সৈয়দ বদরুল হোসেনের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম

সৈয়দ বদরুল হোসেন বলেন,”দেশের এই সংকটময় মহুর্তে আমাদের কি করনীয় এবং দেশে কি হচ্ছে এ ব্যাপারে আমি কিছু কথা বলার জন্য আপনাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়েছি। আমি দীর্ঘ ৪২ বছর যাবত জার্মান প্রবাসী। তবে অধিকাংশ সময় বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্তছিলাম। জীবনে যত আয় করেছি তার অধিকাংশ অর্থ বাংলাদেশে ব্যায় করেছি। ঘূর্ণিঝড় বন্যা দূর্যোগের সময় শত ব্যস্ততার মধ্যে ও বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশের দাড়াইয়াছি। এ ছাড়া ও প্রতিষ্ঠা করেছি বহু স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, আজ প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী নিজের পরিবার, পিতা-মাতা সকলের শান্তির জীবন চিন্তা করে প্রবাসে বছরের পর কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠায়। প্রাবাসীদের বাৎসরিক রেমিট্যান্স প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার এই বৈদেশিক অর্থ দ্বারাই সরকার সচল। অথচ গার্মেন্টস খাতে বৈদেশিক আয় প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও দুর্নীতির কারনে অনেকটা প্রবাসেই রহে যায়।

একটা দেশের রাজনীতিবিদ ব্যবসায়ী সরকারী আমলার অধিকাংশ যদি হয় দূর্নীতিবাজ সে দেশ কখনও উন্নত হতে পারে না। ২০০৯ সন হতে শেখ হাসিনার সরকার ছিল স্বৈরাচার ও দূর্নীতিবাজ। বাংলাদেশের বহু ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু, কর্নফুলী ট্যানেল, মেট্রোরেল সহ বহু কাজ হয়েছে। সেটা দেখার মতো তবে দুর্নীতিটা অকল্পনীয়। যেমন ১২ হাজার টাকা খরচের পদ্মা সেতু শেষ করতে খরচ হয়েছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। তখন বাংলাদেশে দুই লাখ কোটি টাকায় বৈদেশিক ঋন ১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বিদেশে পাচার হয়েছে ১১ লক্ষ কোটি টাকা। অন্তবর্তীকালীন সরকার ড.মুহাম্মদ ইউনুছ ক্ষমতা গ্রহনের পর দেশের কোন পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন নাই কারন তিনি নিজে দেশ চালানোর সঠিক যোগ্যতা নাই। তার উপদেষ্টা সদস্যের মধ্যে অধিকাংশ অনভিজ্ঞ ও চক্রান্তকারী।

আমি ড. ইউনুছ এর পদত্যাগ চাই না তবে অনুপযুক্ত উপদেষ্টা সদস্যদের বিদায় দিয়ে নতুন ১০জন উপদেষ্টা নিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছি। নতুবা দেশ চালাতে তিনি সম্পূর্ণ ব্যার্থ হবেন। এনজিও পরিচালনা আর দেশের দায়িত্ব নেয়া এক নয়। ড. ফখরুদ্দিন আহমদ ও দেশ পরিচালনা করেছেন। মানুষ তার সফলতা আজও স্মরণ করে। অ ইউনুছ আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি সঠিক করতে পারেনি।
নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে ঢাকা শহর বাংলাদেশের সকল স্থানের জানঝট স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও হয় নাই। ঢাকার শনির আখড়া ফ্লাইওভার গুলিস্তান পর্যন্ত দুরত্ব ৭ কিঃ মিঃ অথচ সময় লাগে ২ ঘন্টা। পুলিশসহ সরকারী কর্মচারীরা অধিকাংশরা কাজ করে না এভাবে চলতে থাকলে দেশে দূঃভিক্ষ লাগতে পারে অনকাংখিত ঘটনা দেশে ঘটতে পারে। দেশের মানুষ ৯৫% নরেন্দ্র মোদি সরকারকে পছন্দ করে না অথচ ড. ইউনুছ তার দিকে ঝুকে পড়ছেন। এটা গ্রহনযোগ্য নয়। দেশ পরিচালনায় ভারতের চক্রান্ত থেকে সাবধান হতে হবে।

ড. ইউনুছ বার বার বলছেন সময় দেন কিন্তু তার বর্তমান উপদেষ্টাদের নিয়া এনজিও চালানো সম্ভব কিন্তু দেশ নয়। কাজেই তিনি নতুন যোগ্য উপদেষ্টা নিবেন নতুবা পদত্যাগ করে ডা. সালাউদ্দিন আহম্মদ বা ড. ফখরুদ্দিন আহম্মদ এর নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

আজ রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যার্থতার কারনে দেশে গভীর চক্রান্ত চলছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যে সব ফালতু কথা বলছেন যেমন শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র কোথায় তিনি জানেন না ইত্যাদি। তার বুজা উচিত ৯৫% মানুষ তাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না এবং তিনি এ পদের উপযুক্ত নয়। অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করে বিচারপতি আঃ রউফ এর নিকট দায়িত্ব দেয়া উচিৎ।

দেশে কোন অনকাংখিত ঘটনা ঘটলে সাধারণ সেনাবাহিনী সাথে সাথে প্রতিহ করবেন জনগণ যার যা আছে তা নিয়ে রাস্তায় নামবেন মনে রাখবেন এ দেশ আপন আমার সকলের নরেন্দ্র মোদী সরকারের সকল ষড়যন্ত্র থেকে সাবধান থাকতে হবে
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ দেশের স্থায়ী সমস্যা সমাধানের সৈয়দ বদরুল হোসেন আহবায়ক আমাকে আহবায়ক করে ৫১ সদস্যেল কমিটি ঘোষনা করছি।
দেশে স্থায়ী সমস্যা সমাধানের জন্য দুই বছর মেয়াদি জাতীয় সরকারের রুপ বর্ননা করছি।
সৈয়দ বদরুল হোসেন আহবায়ক
বাংলাদেশ এসডিপি

ট্যাগস :

জাতীয় প্রেসক্লাবে সৈয়দ বদরুল হোসেনের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১০:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

শফিকুল ইসলাম

সৈয়দ বদরুল হোসেন বলেন,”দেশের এই সংকটময় মহুর্তে আমাদের কি করনীয় এবং দেশে কি হচ্ছে এ ব্যাপারে আমি কিছু কথা বলার জন্য আপনাদের সম্মুখে উপস্থিত হয়েছি। আমি দীর্ঘ ৪২ বছর যাবত জার্মান প্রবাসী। তবে অধিকাংশ সময় বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্তছিলাম। জীবনে যত আয় করেছি তার অধিকাংশ অর্থ বাংলাদেশে ব্যায় করেছি। ঘূর্ণিঝড় বন্যা দূর্যোগের সময় শত ব্যস্ততার মধ্যে ও বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশের দাড়াইয়াছি। এ ছাড়া ও প্রতিষ্ঠা করেছি বহু স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, আজ প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী নিজের পরিবার, পিতা-মাতা সকলের শান্তির জীবন চিন্তা করে প্রবাসে বছরের পর কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠায়। প্রাবাসীদের বাৎসরিক রেমিট্যান্স প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার এই বৈদেশিক অর্থ দ্বারাই সরকার সচল। অথচ গার্মেন্টস খাতে বৈদেশিক আয় প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও দুর্নীতির কারনে অনেকটা প্রবাসেই রহে যায়।

একটা দেশের রাজনীতিবিদ ব্যবসায়ী সরকারী আমলার অধিকাংশ যদি হয় দূর্নীতিবাজ সে দেশ কখনও উন্নত হতে পারে না। ২০০৯ সন হতে শেখ হাসিনার সরকার ছিল স্বৈরাচার ও দূর্নীতিবাজ। বাংলাদেশের বহু ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু, কর্নফুলী ট্যানেল, মেট্রোরেল সহ বহু কাজ হয়েছে। সেটা দেখার মতো তবে দুর্নীতিটা অকল্পনীয়। যেমন ১২ হাজার টাকা খরচের পদ্মা সেতু শেষ করতে খরচ হয়েছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। তখন বাংলাদেশে দুই লাখ কোটি টাকায় বৈদেশিক ঋন ১৮ লক্ষ কোটি টাকা। বিদেশে পাচার হয়েছে ১১ লক্ষ কোটি টাকা। অন্তবর্তীকালীন সরকার ড.মুহাম্মদ ইউনুছ ক্ষমতা গ্রহনের পর দেশের কোন পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন নাই কারন তিনি নিজে দেশ চালানোর সঠিক যোগ্যতা নাই। তার উপদেষ্টা সদস্যের মধ্যে অধিকাংশ অনভিজ্ঞ ও চক্রান্তকারী।

আমি ড. ইউনুছ এর পদত্যাগ চাই না তবে অনুপযুক্ত উপদেষ্টা সদস্যদের বিদায় দিয়ে নতুন ১০জন উপদেষ্টা নিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছি। নতুবা দেশ চালাতে তিনি সম্পূর্ণ ব্যার্থ হবেন। এনজিও পরিচালনা আর দেশের দায়িত্ব নেয়া এক নয়। ড. ফখরুদ্দিন আহমদ ও দেশ পরিচালনা করেছেন। মানুষ তার সফলতা আজও স্মরণ করে। অ ইউনুছ আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি সঠিক করতে পারেনি।
নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে ঢাকা শহর বাংলাদেশের সকল স্থানের জানঝট স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও হয় নাই। ঢাকার শনির আখড়া ফ্লাইওভার গুলিস্তান পর্যন্ত দুরত্ব ৭ কিঃ মিঃ অথচ সময় লাগে ২ ঘন্টা। পুলিশসহ সরকারী কর্মচারীরা অধিকাংশরা কাজ করে না এভাবে চলতে থাকলে দেশে দূঃভিক্ষ লাগতে পারে অনকাংখিত ঘটনা দেশে ঘটতে পারে। দেশের মানুষ ৯৫% নরেন্দ্র মোদি সরকারকে পছন্দ করে না অথচ ড. ইউনুছ তার দিকে ঝুকে পড়ছেন। এটা গ্রহনযোগ্য নয়। দেশ পরিচালনায় ভারতের চক্রান্ত থেকে সাবধান হতে হবে।

ড. ইউনুছ বার বার বলছেন সময় দেন কিন্তু তার বর্তমান উপদেষ্টাদের নিয়া এনজিও চালানো সম্ভব কিন্তু দেশ নয়। কাজেই তিনি নতুন যোগ্য উপদেষ্টা নিবেন নতুবা পদত্যাগ করে ডা. সালাউদ্দিন আহম্মদ বা ড. ফখরুদ্দিন আহম্মদ এর নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

আজ রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যার্থতার কারনে দেশে গভীর চক্রান্ত চলছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যে সব ফালতু কথা বলছেন যেমন শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র কোথায় তিনি জানেন না ইত্যাদি। তার বুজা উচিত ৯৫% মানুষ তাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না এবং তিনি এ পদের উপযুক্ত নয়। অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করে বিচারপতি আঃ রউফ এর নিকট দায়িত্ব দেয়া উচিৎ।

দেশে কোন অনকাংখিত ঘটনা ঘটলে সাধারণ সেনাবাহিনী সাথে সাথে প্রতিহ করবেন জনগণ যার যা আছে তা নিয়ে রাস্তায় নামবেন মনে রাখবেন এ দেশ আপন আমার সকলের নরেন্দ্র মোদী সরকারের সকল ষড়যন্ত্র থেকে সাবধান থাকতে হবে
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ দেশের স্থায়ী সমস্যা সমাধানের সৈয়দ বদরুল হোসেন আহবায়ক আমাকে আহবায়ক করে ৫১ সদস্যেল কমিটি ঘোষনা করছি।
দেশে স্থায়ী সমস্যা সমাধানের জন্য দুই বছর মেয়াদি জাতীয় সরকারের রুপ বর্ননা করছি।
সৈয়দ বদরুল হোসেন আহবায়ক
বাংলাদেশ এসডিপি