সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

আমি নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তরিকুল ইসলাম এই মর্মে জানাচ্ছি যে, কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে সত্ব প্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অসত্য মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সাংবাদিক বন্ধুদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা অসত্য প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কারণে আমি সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। অতি উৎসাহী হয়ে এই ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমি সনির্বন্ধ বিনীত অনুরোধ জানাই।

প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে,প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল পরিশোধ এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার সহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, কোন উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এ সকল অভিযোগ করা হয়েছে তাহা আমার বোধগম্য নয়। এই সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। আমি সরকারি নিয়ম-নীতি ও কর্তৃপক্ষের আদেশ মোতাবেক সঠিক ও সৎ পথে দায়িত্ব পালন করে থাকি। যার কারনে কিছু কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ঈর্ষান্বিত হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের সামনে উপস্থাপন করেছে, যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। সরকারি নিয়ম নীতি মেনে আমার শ্রদ্ধেয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেখানে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন সেখানে আমি অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। যেটা আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত আছেন।

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে,”স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিল পরিশোধ, নিম্নমানের কাজ গ্রহণ এবং কিছু ঠিকাদারকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রায় ২২ কোটি টাকার টেন্ডার এ কারসাজি করা হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হাসপাতাল-২, ইন্টার্নি ছাত্র হোস্টেল, স্টাফ কোয়ার্টার, জরুরি বিভাগ, সিসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, বহির্বিভাগ (ওপিডি), পানি সরবরাহ ও স্যুয়ারেজ লাইনের সংস্কারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নকাজে বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়া হলেও কয়েকটি প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের গুণগত মান যথাযথভাবে তদারকি করা হয়নি।আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ছাদের পলেস্তারা খসে রোগী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের কিছু ফিনিশিং কাজ এবং বিল পরিশোধে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।”

সরকারি চাকরির আড়ালে গড়ে তুলেছি শতকোটি টাকার সম্পদের সাম্রাজ্য।রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন নামিদামি স্থানে আমার অবৈধ ফ্ল্যাট প্লট সহ বাণিজ্যিক সম্পদ রয়েছে, এই সকল বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। আমি আমার কর্মজীবনে কোন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করি নাই। আমি এই ধরনের অসত্য সংবাদের তীব্র বিরোধিতা করছি।

কিছু কুচক্রীমহল আমার সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে একই ধরনের বানোয়াট তথ্য একই কায়দায় ও কুরুচিপূর্ণ একাধিক শিরোনাম দিয়ে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করেছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মানহানিকর এবং ফৌজদারি অপরাধ ও বটে। এই বানোয়াট সংবাদে আমাকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে ।এই ধরনের ভুয়া সংবাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পারিবারিক ও সামাজিক কোন প্রকার বিন্দুমাত্র কোন সম্পর্ক ও সত্যতা নেই। এই ধরনের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আমি ঘৃণার সহিত প্রতিবাদ জানাই।

অবশেষে বলতে চাই, আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যারা আমার বিরুদ্ধে অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছেন, কোন একদিন হয়তো তাদেরও এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতি হতে পারে, তাই সকলের মঙ্গলের জন্য এ ধরনের অসত্য বানোয়াট সংবাদ প্রচারে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি। আইনগতভাবে কোন ব্যক্তি অপরাধী না হলে তাকে অপরাধী বলা এবং ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করা আইনের দৃষ্টিতে অসামঞ্জস্য এটা সবারই জানা উচিত বলে আমি মনে করি।

পরিশেষে আমি সুস্থ ও সজ্ঞানে জানাচ্ছি যে, জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যত প্রকার মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে সে সকল মিথ্যা অভিযোগ বা সংবাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিনীত

মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম

নির্বাহী প্রকৌশলী

 

ট্যাগস :

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আমি নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তরিকুল ইসলাম এই মর্মে জানাচ্ছি যে, কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে সত্ব প্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অসত্য মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সাংবাদিক বন্ধুদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা অসত্য প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কারণে আমি সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। অতি উৎসাহী হয়ে এই ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমি সনির্বন্ধ বিনীত অনুরোধ জানাই।

প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে,প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল পরিশোধ এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার সহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, কোন উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এ সকল অভিযোগ করা হয়েছে তাহা আমার বোধগম্য নয়। এই সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। আমি সরকারি নিয়ম-নীতি ও কর্তৃপক্ষের আদেশ মোতাবেক সঠিক ও সৎ পথে দায়িত্ব পালন করে থাকি। যার কারনে কিছু কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ঈর্ষান্বিত হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের সামনে উপস্থাপন করেছে, যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। সরকারি নিয়ম নীতি মেনে আমার শ্রদ্ধেয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেখানে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন সেখানে আমি অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। যেটা আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত আছেন।

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে,”স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) খাতের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিল পরিশোধ, নিম্নমানের কাজ গ্রহণ এবং কিছু ঠিকাদারকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রায় ২২ কোটি টাকার টেন্ডার এ কারসাজি করা হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হাসপাতাল-২, ইন্টার্নি ছাত্র হোস্টেল, স্টাফ কোয়ার্টার, জরুরি বিভাগ, সিসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, বহির্বিভাগ (ওপিডি), পানি সরবরাহ ও স্যুয়ারেজ লাইনের সংস্কারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নকাজে বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়া হলেও কয়েকটি প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের গুণগত মান যথাযথভাবে তদারকি করা হয়নি।আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ছাদের পলেস্তারা খসে রোগী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের কিছু ফিনিশিং কাজ এবং বিল পরিশোধে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।”

সরকারি চাকরির আড়ালে গড়ে তুলেছি শতকোটি টাকার সম্পদের সাম্রাজ্য।রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন নামিদামি স্থানে আমার অবৈধ ফ্ল্যাট প্লট সহ বাণিজ্যিক সম্পদ রয়েছে, এই সকল বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। আমি আমার কর্মজীবনে কোন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করি নাই। আমি এই ধরনের অসত্য সংবাদের তীব্র বিরোধিতা করছি।

কিছু কুচক্রীমহল আমার সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে একই ধরনের বানোয়াট তথ্য একই কায়দায় ও কুরুচিপূর্ণ একাধিক শিরোনাম দিয়ে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করেছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মানহানিকর এবং ফৌজদারি অপরাধ ও বটে। এই বানোয়াট সংবাদে আমাকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে ।এই ধরনের ভুয়া সংবাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পারিবারিক ও সামাজিক কোন প্রকার বিন্দুমাত্র কোন সম্পর্ক ও সত্যতা নেই। এই ধরনের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আমি ঘৃণার সহিত প্রতিবাদ জানাই।

অবশেষে বলতে চাই, আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যারা আমার বিরুদ্ধে অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছেন, কোন একদিন হয়তো তাদেরও এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতি হতে পারে, তাই সকলের মঙ্গলের জন্য এ ধরনের অসত্য বানোয়াট সংবাদ প্রচারে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি। আইনগতভাবে কোন ব্যক্তি অপরাধী না হলে তাকে অপরাধী বলা এবং ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করা আইনের দৃষ্টিতে অসামঞ্জস্য এটা সবারই জানা উচিত বলে আমি মনে করি।

পরিশেষে আমি সুস্থ ও সজ্ঞানে জানাচ্ছি যে, জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যত প্রকার মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে সে সকল মিথ্যা অভিযোগ বা সংবাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিনীত

মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম

নির্বাহী প্রকৌশলী