সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

কিছুতেই থামছে না বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার প্রপাগান্ডা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪ ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুল হক মিলন

ভারতীয় প্রপাগান্ডার অন্যতমমেশিন নামে পরিচিত রিপাবলিক বাংলা দিপঞ্জন চক্রবর্তী এবার বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কে নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সূত্র, বিশ্বস্ত সূত্রের নামে বায়বীয় সোর্স ব্যবহার করে প্রধান উপদেষ্টা সেনাপ্রধান কে অব্যহতি দিচ্ছে এমন খবর চাউর করছে। যার আদো কোন ভিত্তি নেই। কিছুদিন আগে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেছিলেন,যে কিছুর বিনিময়েই হোক তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে শেষ পর্যন্ত থাকতে চান এবং সমস্ত সহযোগিতা দিয়ে যাবেন। মূলত তখন থেকেই ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়ার মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা চাইছিল অন্তর্বর্তী সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে অবিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে অস্থিতিশীল করে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে আবারো এদেশের রাজনীতীতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এসব ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়া খেয়ে না খেয়ে বাংলাদেশেকে অস্থিতিশীল করতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তাদের এখনো বুঝতে পারছে না যে, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রশ্নে পুরো বাংলাদেশ মিনিটেই এক হয়ে যায়।

ট্যাগস :

কিছুতেই থামছে না বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার প্রপাগান্ডা

আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

এমদাদুল হক মিলন

ভারতীয় প্রপাগান্ডার অন্যতমমেশিন নামে পরিচিত রিপাবলিক বাংলা দিপঞ্জন চক্রবর্তী এবার বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কে নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সূত্র, বিশ্বস্ত সূত্রের নামে বায়বীয় সোর্স ব্যবহার করে প্রধান উপদেষ্টা সেনাপ্রধান কে অব্যহতি দিচ্ছে এমন খবর চাউর করছে। যার আদো কোন ভিত্তি নেই। কিছুদিন আগে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেনাপ্রধান বলেছিলেন,যে কিছুর বিনিময়েই হোক তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে শেষ পর্যন্ত থাকতে চান এবং সমস্ত সহযোগিতা দিয়ে যাবেন। মূলত তখন থেকেই ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়ার মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা চাইছিল অন্তর্বর্তী সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে অবিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে অস্থিতিশীল করে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে আবারো এদেশের রাজনীতীতে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। এসব ভারতীয় প্রোপাগান্ডা মিডিয়া খেয়ে না খেয়ে বাংলাদেশেকে অস্থিতিশীল করতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তাদের এখনো বুঝতে পারছে না যে, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রশ্নে পুরো বাংলাদেশ মিনিটেই এক হয়ে যায়।