প্রকৌশল ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএনসিসির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে
- আপডেট সময় : ০২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
Share the post "প্রকৌশল ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ খন্দকার মাহবুব আলম, ডিএনসিসির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে"
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রকৌশল ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা খন্দকার মাহবুব আলম বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়নে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা ডিএনসিসির চলমান কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
খন্দকার মাহবুব আলম বিভিন্ন সময়ে ডিএনসিসির জোন-৩-এর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৯ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) হিসেবে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তী সময়ে সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ধারাবাহিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের বিভিন্ন স্তরে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
প্রশাসনিক ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তাকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ দায়িত্বের মাধ্যমে ডিএনসিসির গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তার ওপর আরও বড় দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে ডিএনসিসির প্রকৌশল বিভাগে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে নগর উন্নয়ন ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমান দায়িত্বে তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, মানসম্মত কাজ এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশল কর্মকর্তার নেতৃত্বে নগর উন্নয়ন প্রকল্পে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ থাকলে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া এবং একই সঙ্গে একজন কর্মকর্তার পেশাগত অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
খন্দকার মাহবুব আলমের বর্তমান দায়িত্বের মেয়াদে ডিএনসিসির চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে, গুণগত মান বজায় রেখে এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়িত হলে তা নগরবাসীর জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি তার নেতৃত্বে প্রকৌশল বিভাগের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত হবে—এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্ট মহলের।







