বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব,তারেক রহমান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে আমার এই খোলা চিঠি:
- আপডেট সময় : ১০:৫৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
Share the post "বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব,তারেক রহমান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে আমার এই খোলা চিঠি:"
১/১১ যন্ত্রনা যেমন আপনার চাইতে বেশী ভোগ কেউ করে নাই। তেমনি মৃত্যুর আগে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত আর তার একটা চক্ষু জাইমা,তার পিতা-মাতা ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে দেখে বিদায় নিতে চেয়ে ছিলেন মহান আল্লাহ তালার দরবারে। তিনি আর কেউ না দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া। আর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে গেলেই তিনি বলতেন আল্লাহ পাক যার যেটুকু মর্যাদা তার চাইতে অতিরিক্তদেন? একদিন আমি বলে ছিলাম খালি নাতনী দেখবেন নাত জামাই ওর বাবা মা আপনাদের দাওয়াত দিলে আপনার এসে দেখবেন আর আমার পক্ষে দোয়াটা করে যাবেন। তারপর বললেন আপনি সাংবাদিক আর আপনাকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন এর চেয়ারম্যান সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী, আনোয়ার জাহিদ ও আব্দুল কাদের মোল্লার দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি খবর নিয়ে দেখেছি। আল্লাহ পাক যেন এই দায়িত্ব পালনে আপনাকে হেফাজত করেন। তারপর দেশনেত্রী বললেন দেশ বিশাল সংকটে মুখে আমি আল্লাহ তালার কাছে সব সময় প্রার্থনা করি দেশ সংকট উত্তরণের পর আমাকে যেন তুলে নেয়। দেশনেত্রী কান্না জড়িত কন্ঠে বললেন আমার জনসমর্থন আর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বীর ও আত্মসম্মান বোধ কর্মী বাহিনী আছে। ইনশাআল্লাহ প্রতিবেশীর চক্রান্ত মুক্ত হবো ইনশাআল্লাহ। তখন যেন দাম্ভিকতা আর অহংকারীরা যার যতটুকু মর্যাদা তা ক্ষুন্ন না করে সকলেই সজাগ থাকবেন।মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী বলেছিলেন দিল্লি আমাদের দুষমন এটা যেদিন বুঝবো সেদিন আমরা স্বস্তিতে থাকবো এ কথাটা স্মরণ করে দিবেন। ৯০ গনঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর যার যতটুকু মুল্য আমি তাদের ততটুকু সম্মান দিয়েছি।১/১১ সেদিন ঢাকার গেরিলা যুদ্ধা বীর মুক্তি যোদ্ধা মন্ত্রী ও মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকা আসেন। খোকা ভাইকে বললেন সেক্টর কমান্ডার ফোরামে রাখলে থাকবেন। তবে তাদের কোন মিটিং এ থাকবেন না! খোকা ভাই চলে গেলেন। তারপর দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া বললেন আমি না থাকলেও আপনার সতর্কবানী জানাবেন। তাই বিবেকের তারনায় বলা ৫আগষ্ট২৪ পর্যন্ত যারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে ফ্যাসিবাদ মুক্তিতে রাজপথে ছিলো তাদের ভাঙোন ধরার চেষ্টা চলছে। সেই চেষ্টার বহিঃপ্রকাশ জুলাই সনদ অবজ্ঞকরা,গনভোটের রায়ের প্রতি বিদ্ধ আঙ্গুল প্রদর্শন, ফ্যাসিবাদের তৈরীর সংবিধান অপরিবর্তিত রাখা,সর্বশেষ ফ্যাসিবাদের পলায় দ্বিতীয় বছর পদাপর্ণ অনুষ্ঠান ফ্যাসিবাদ বিরোধীদের সম্মিলিত আয়োজন না করা। এখন বার বার দেশবাসী কতৃক প্রতিপক্ষদের সামনে আনা আর রাজপথের সাথী বিরুদ্ধে কথা বলার।কাপুরষদের চক্রান্ত শুরু হয়েছে। এখনি সতর্ক আর কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। না হলে অভিভাবক হিসাবে তারেক রহমানকে জুলুম নিপীড়ন ভোগের প্রস্তুতি নেওয়ার ঈঙ্গিত কি? এখনি শক্ত হতে হবে।১/১১ পর থেকে রাজপথে ছিলাম এবার ৪ আগষ্ট২৪ পর্যন্ত রাজপথে দেশনেত্রী নির্দেশে ছিলাম। এখন আমার একটা পা নাই আর হয়তো রাজপথে থাকাও সম্ভব না। আপনি একটু চিন্তা করে আমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন এই আশা করছি।
বিনীত
মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী







