সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

জাঁকজমক ভাবে পালিত হলো খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের ফল উৎসব

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:০০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে রাজধানীর ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফল উৎসব ২০২৫’। দেশীয় ফলের প্রচার ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল এ উৎসবের মূল বার্তা।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি তৌহিদুর ইসলাম মিন্টু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত্, বিশিষ্ট সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, ডিআরইউ এর সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানি, ডিআরইউ এর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম, খুলনা বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ডা. সাইফুল আলম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাসির আহমেদ রাসেল।

 

ফল উৎসবে পরিবেশিত হয় আম, আনারস, আমড়া, কলা, লটকন, ড্রাগন ফল এবং কাঁঠালসহ বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফল। অতিথিরা বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী ফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাদ জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, খুলনা আমাদের দেশের ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবনের মতো আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক সম্পদ এই অঞ্চলে অবস্থিত। খুলনা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণমাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশে যে ষড়যন্ত্র চলছে, তাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

সাবেক তথ্যমন্ত্রী দিদার বখত বলেন, সাংবাদিকদের কলমের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে। ফল সংরক্ষণ ও রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। খুলনা বিভাগ এক বিশাল সম্ভাবনার ঝুড়ি—তাকে কাজে লাগাতে হবে। খুলনার নেতৃত্বের অভাবেই এই অঞ্চল পিছিয়ে রয়েছে। এই শূন্যতা পূরণে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

 

আমার দেশের উপ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বাদল বলেন, খুলনার উন্নয়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ফোরামের সভাপতি তৌহিদুর ইসলাম মিন্টু বলেন, “মৌসুমী ফল হচ্ছে প্রকৃতির এক অনন্য উপহার—এক ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিষেধক টিকার মতোই এর কাজ। আমাদের শরীরকে রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে এসব দেশীয় ফল। ঠিক এই ভাবনাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই ‘ফল উৎসবের আয়োজন। এই উৎসব শুধু ফলভিত্তিক আয়োজনে সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি মিলনমেলারও সুযোগ, যেখানে সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধনের সেতুবন্ধ গড়ে উঠছে। আপনারা যারা আজকের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন, সময় দিয়েছেন, উৎসবে প্রাণ দিয়েছেন—সবার প্রতি জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।”

 

আয়োজকরা জানান, এই ফল উৎসবের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দেশীয় পণ্যের প্রচারে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। আগামীতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :

জাঁকজমক ভাবে পালিত হলো খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের ফল উৎসব

আপডেট সময় : ১২:০০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে রাজধানীর ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফল উৎসব ২০২৫’। দেশীয় ফলের প্রচার ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল এ উৎসবের মূল বার্তা।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি তৌহিদুর ইসলাম মিন্টু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত্, বিশিষ্ট সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, ডিআরইউ এর সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানি, ডিআরইউ এর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সিএমজেএফ সভাপতি গোলাম সামদানী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম, খুলনা বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ডা. সাইফুল আলম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাসির আহমেদ রাসেল।

 

ফল উৎসবে পরিবেশিত হয় আম, আনারস, আমড়া, কলা, লটকন, ড্রাগন ফল এবং কাঁঠালসহ বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফল। অতিথিরা বলেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী ফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাদ জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, খুলনা আমাদের দেশের ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবনের মতো আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক সম্পদ এই অঞ্চলে অবস্থিত। খুলনা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণমাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশে যে ষড়যন্ত্র চলছে, তাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

সাবেক তথ্যমন্ত্রী দিদার বখত বলেন, সাংবাদিকদের কলমের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে। ফল সংরক্ষণ ও রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। খুলনা বিভাগ এক বিশাল সম্ভাবনার ঝুড়ি—তাকে কাজে লাগাতে হবে। খুলনার নেতৃত্বের অভাবেই এই অঞ্চল পিছিয়ে রয়েছে। এই শূন্যতা পূরণে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

 

আমার দেশের উপ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বাদল বলেন, খুলনার উন্নয়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ফোরামের সভাপতি তৌহিদুর ইসলাম মিন্টু বলেন, “মৌসুমী ফল হচ্ছে প্রকৃতির এক অনন্য উপহার—এক ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিষেধক টিকার মতোই এর কাজ। আমাদের শরীরকে রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে এসব দেশীয় ফল। ঠিক এই ভাবনাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই ‘ফল উৎসবের আয়োজন। এই উৎসব শুধু ফলভিত্তিক আয়োজনে সীমাবদ্ধ নয়—এটি একটি মিলনমেলারও সুযোগ, যেখানে সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধনের সেতুবন্ধ গড়ে উঠছে। আপনারা যারা আজকের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন, সময় দিয়েছেন, উৎসবে প্রাণ দিয়েছেন—সবার প্রতি জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।”

 

আয়োজকরা জানান, এই ফল উৎসবের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দেশীয় পণ্যের প্রচারে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। আগামীতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।