৭২ এর সংবিধান সার্বভৌমের পক্ষে কি?

সাখাওয়াত হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী

জননেতা স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা,রুপকার,স্হপতি মওলানা ভাসানী *৭০এ নির্বাচন বর্জনের ঘোসনা,৯মার্চ৭১ স্বাধীনতা আলোচনার সুযোগ* নাই বলে ঢাকা ছাড়েন। ৭ মার্চ৭১ রেসকোর্স ময়দান থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা না দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল গিয়ে চায়ের আড্ডায় বসে! ২৫ মার্চ৭১ পাকিস্তানের কাছে পরিবার পরিজন রেখে নিজে পাকিস্তান চলে গেলেন।ঐ রাতেই হায়নার দল যখন স্বাধীনতাকামী জনতার উপর আক্রোশ কার্যকর করতে হিংস্রতা শুরু করে? তখন চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ইথারে ভেষে আসে আমি মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতা ঘোষকা না করছি। কিন্তু প্রতিবেশীর সীমান্ত এলাকা স্বাধীনতার ঘোষকের জন্যে বিপদ জনক হয়ে পরে। দেশের আবাল বৃদ্ধি সকলেই স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া শিশু দুইপুত্র সহ পাকিস্তান বাহিনী আটক করে। আ’লীগ নেতা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ ওপারে গিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কতৃক লান্চিত হন। মজলুম জননেতা ২২জানুয়ারী৭২ পর্যম্ত গৃহবন্দী থাকেন। মশিউর রহমান যাদু সাম্প্রদায়িক শক্তির জুলুমের ভয়ে দেশে ফীরে আসেন! এদিকে ২৬ মার্চ৭১ আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বাধীনতা শুরু হয়। ১৬ ডিসেম্বর৭১ পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমার্পন করার সিদ্ধান্ত জানায়? কিন্তু রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া অথবা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধীনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে উপস্হিত হতে দেয় না? উপস্হিত উপপ্রধান এ,কে,খন্দকার কেও আত্মসমার্পন দলিলে স্বাক্ষর করতে না দিয়ে অরোরা আত্মসমার্পন দলিলে স্বাক্ষর করে। ১৭ ডিসেম্বর৭১ থেকে গনলুট,গণহত্যা, কারা করে এ প্রশ্নের জবাব পায় নাই স্বাধীনতা প্রেমিক জাতি? বিহার,কাশ্মীর,উড়িশ্যা সহ সেভেন সিষ্টার আর মুসলিম অধ্যাশিত এলাকায় যে কৌশলে মুসলিম গণহত্যা হয়েছে, একই কৌশল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে বীজ বপন করে।জনাব শেখ মুজিবুররহমান ১০ জানুয়ারী৭২ পাকিস্তান থেকে লন্ডন ইন্ডিয়া হয়ে সদ্য স্বাধীন দেশে ফিরলেন? কিন্তু অর্থবহ স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তখনো গৃহবন্দী। ২২ জানুয়ারী ৭২ গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে সীমান্ত পার হয়ে দেশে আসলেন। মেজর এম,এ,জলিল প্রতিবেশীর কলকারখানার যন্ত্র-পাতি ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদের দ্বায়ে গ্রেফতার ও সেক্টর কমন্ডার হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকে? ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষনাকারী জিয়া উর রহমানকে স্বীকৃতি প্রদান করে না! এমন কি স্বাধীনতা পরবর্তি জিয়াউর রহমান সিনিয়র সেনাকর্মকর্তা হিসাবে তাকে সেনাপ্রধান করা হয়নি? তারপর দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারকারী সিরাজ শিকদার সহ আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে বিশ্বাসীকে নকশাল আর আল্লাহ’র যমিনে আল্লাহ’র বিধান প্রতিষ্ঠার ঘোষনাকারীদের প্রথম যুদ্ধাপরাধী বলে পরে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী যখন হুন্কার দিলেন কোন তদন্ত ছাড়া কারো মুখে কারো স্বার্থ রক্ষায় চুনকালি দিলে তা সহ্যে করবে না এই জাতি? তখন তড়িঘড়ি করে জহির রায়হানকে দিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে ৭২ এর সংবিধানের অধিনে? তখন জনশ্রুতি ছিলো জহির রায়হান গণহত্যাকারীদের চিহ্নিত’র পথে অগ্রসর হচ্ছিল তখন তড়িঘড়ি করে তদন্ত স্হগীত করে। এক সপ্তাহের মধ্যে জহির রায়হান হজম হয়ে যায়!কিন্তু আল্লাহ্ পাকের রহমত ইসলামের কথা বললে যুদ্ধাপরাধী বানানোর চক্রান্ত রাজকার যার বাংলা অর্থ সেবক নামে আখ্যায়িত হয়? মজলুৃম জননেতা মওলানা ভাসানীর “সাপ্তাহিক হককথা”য় ৭২ সংবিধান ইন্ডিয়া থেকে আশা এই সংবাদ তথ্য প্রমান সহ প্রকাশিত হয়! এই সংবাদ প্রকাশের তিনঘণ্টার মধ্যে সাপ্তাহিক হক কথা”র ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে ৭২ এর সংবিধান। এই সংবিধান প্রতিবেশী সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র আর জনকল্যাণ বিদ্ধেষী বা জনস্বার্থ বিরোধীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় সক্রিয়? ১৬ ডিসেম্বর ৭১ আত্মসমার্পনে জ্বালিয়াতির পর গণহত্যা ও গনলুটে প্রতিবেশী মরিয়া হয়ে ওঠে? আর এটা প্রতিরোধে ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ঠ।৭ নভেম্বর ৭১ আর জুলাই-আগষ্ট২৪ হয়! কিন্তু আগের দুটি সফল অর্জন দেশের চাইতে ক্ষমতা বেশী গুরুত্ব পাওয়ায় আবার জুলাই-২৪’র অর্জন। আজকে তারেক রহমানকে চিন্তা করতে হবে আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনের অন্তরায়৭২ সংবিধান? এই সংবিধান রক্ষায় যারা দায়িত্ব নিচ্ছে তারা দেশনেত্রীবেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাতের সাজা দিয়ে পরিত্যক্ত কারাগারের সমর্থন দেয়। জনাব তারেক রহমান বংশের একটা আলাদা মর্যদা আছে। আপনার পিতার হত্যাকারী ৭২ এর সংবিধানের রক্ষক আর দেশবাসী ঐ সংবিধান থেকে মুক্তির মহানায়কের শাহাদাৎ এর খবর শুনে রাজপথে নামলে শহীদ জিয়ার লাশ ঢাকায় আসলে অশ্রুসিক্ত জনগন তার সম্মান জানায়। একই ভাবে দেশনেত্রীবেগম খালেদাজিয়াকে ৭২ এর সংবিধান এতিমের টাকা আত্মসাতের ভুয়া সাজা থেকে রক্ষা করতে না পারলেও জুলাই-২৪’মুক্তি দিয়েছে? আপনি দেশে ফীরার প্রতিবেশী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সংবিধান বাতিল আর নাগরীক অধীকার প্রতিষ্ঠার সংবিধান প্রত্যাশা করতে থাকে। এই ছবি যখন মজলুম জনতা দেখে তখন তারা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর গণতন্ত্রের জন্যে আপোষহীন নেত্রী দেশনেত্রীবেগম খালেদা জিয়া সহ বিচারের নামে প্রহসনের স্বীকার শহীদদের জন্যে প্রান খুলে দোয়া করে হে আল্লাহ্ আপনি শহীদদের উত্তরসূরিদের উসিলায় আধিপত্যবাদের সকল চক্রান্ত চিরদিনের জন্যে বন্ধ করেন। লেখকঃচেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) ও সম্পাদক দৈনিক শিকল।

ট্যাগস :

৭২ এর সংবিধান সার্বভৌমের পক্ষে কি?

আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী

জননেতা স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা,রুপকার,স্হপতি মওলানা ভাসানী *৭০এ নির্বাচন বর্জনের ঘোসনা,৯মার্চ৭১ স্বাধীনতা আলোচনার সুযোগ* নাই বলে ঢাকা ছাড়েন। ৭ মার্চ৭১ রেসকোর্স ময়দান থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা না দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল গিয়ে চায়ের আড্ডায় বসে! ২৫ মার্চ৭১ পাকিস্তানের কাছে পরিবার পরিজন রেখে নিজে পাকিস্তান চলে গেলেন।ঐ রাতেই হায়নার দল যখন স্বাধীনতাকামী জনতার উপর আক্রোশ কার্যকর করতে হিংস্রতা শুরু করে? তখন চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ইথারে ভেষে আসে আমি মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতা ঘোষকা না করছি। কিন্তু প্রতিবেশীর সীমান্ত এলাকা স্বাধীনতার ঘোষকের জন্যে বিপদ জনক হয়ে পরে। দেশের আবাল বৃদ্ধি সকলেই স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া শিশু দুইপুত্র সহ পাকিস্তান বাহিনী আটক করে। আ’লীগ নেতা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ ওপারে গিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কতৃক লান্চিত হন। মজলুম জননেতা ২২জানুয়ারী৭২ পর্যম্ত গৃহবন্দী থাকেন। মশিউর রহমান যাদু সাম্প্রদায়িক শক্তির জুলুমের ভয়ে দেশে ফীরে আসেন! এদিকে ২৬ মার্চ৭১ আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বাধীনতা শুরু হয়। ১৬ ডিসেম্বর৭১ পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমার্পন করার সিদ্ধান্ত জানায়? কিন্তু রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া অথবা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধীনায়ক জেনারেল এম,এ,জি,ওসমানীকে উপস্হিত হতে দেয় না? উপস্হিত উপপ্রধান এ,কে,খন্দকার কেও আত্মসমার্পন দলিলে স্বাক্ষর করতে না দিয়ে অরোরা আত্মসমার্পন দলিলে স্বাক্ষর করে। ১৭ ডিসেম্বর৭১ থেকে গনলুট,গণহত্যা, কারা করে এ প্রশ্নের জবাব পায় নাই স্বাধীনতা প্রেমিক জাতি? বিহার,কাশ্মীর,উড়িশ্যা সহ সেভেন সিষ্টার আর মুসলিম অধ্যাশিত এলাকায় যে কৌশলে মুসলিম গণহত্যা হয়েছে, একই কৌশল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে বীজ বপন করে।জনাব শেখ মুজিবুররহমান ১০ জানুয়ারী৭২ পাকিস্তান থেকে লন্ডন ইন্ডিয়া হয়ে সদ্য স্বাধীন দেশে ফিরলেন? কিন্তু অর্থবহ স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তখনো গৃহবন্দী। ২২ জানুয়ারী ৭২ গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে সীমান্ত পার হয়ে দেশে আসলেন। মেজর এম,এ,জলিল প্রতিবেশীর কলকারখানার যন্ত্র-পাতি ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদের দ্বায়ে গ্রেফতার ও সেক্টর কমন্ডার হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকে? ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসাবে স্বাধীনতার ঘোষনাকারী জিয়া উর রহমানকে স্বীকৃতি প্রদান করে না! এমন কি স্বাধীনতা পরবর্তি জিয়াউর রহমান সিনিয়র সেনাকর্মকর্তা হিসাবে তাকে সেনাপ্রধান করা হয়নি? তারপর দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারকারী সিরাজ শিকদার সহ আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে বিশ্বাসীকে নকশাল আর আল্লাহ’র যমিনে আল্লাহ’র বিধান প্রতিষ্ঠার ঘোষনাকারীদের প্রথম যুদ্ধাপরাধী বলে পরে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী যখন হুন্কার দিলেন কোন তদন্ত ছাড়া কারো মুখে কারো স্বার্থ রক্ষায় চুনকালি দিলে তা সহ্যে করবে না এই জাতি? তখন তড়িঘড়ি করে জহির রায়হানকে দিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে ৭২ এর সংবিধানের অধিনে? তখন জনশ্রুতি ছিলো জহির রায়হান গণহত্যাকারীদের চিহ্নিত’র পথে অগ্রসর হচ্ছিল তখন তড়িঘড়ি করে তদন্ত স্হগীত করে। এক সপ্তাহের মধ্যে জহির রায়হান হজম হয়ে যায়!কিন্তু আল্লাহ্ পাকের রহমত ইসলামের কথা বললে যুদ্ধাপরাধী বানানোর চক্রান্ত রাজকার যার বাংলা অর্থ সেবক নামে আখ্যায়িত হয়? মজলুৃম জননেতা মওলানা ভাসানীর “সাপ্তাহিক হককথা”য় ৭২ সংবিধান ইন্ডিয়া থেকে আশা এই সংবাদ তথ্য প্রমান সহ প্রকাশিত হয়! এই সংবাদ প্রকাশের তিনঘণ্টার মধ্যে সাপ্তাহিক হক কথা”র ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে ৭২ এর সংবিধান। এই সংবিধান প্রতিবেশী সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র আর জনকল্যাণ বিদ্ধেষী বা জনস্বার্থ বিরোধীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় সক্রিয়? ১৬ ডিসেম্বর ৭১ আত্মসমার্পনে জ্বালিয়াতির পর গণহত্যা ও গনলুটে প্রতিবেশী মরিয়া হয়ে ওঠে? আর এটা প্রতিরোধে ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ঠ।৭ নভেম্বর ৭১ আর জুলাই-আগষ্ট২৪ হয়! কিন্তু আগের দুটি সফল অর্জন দেশের চাইতে ক্ষমতা বেশী গুরুত্ব পাওয়ায় আবার জুলাই-২৪’র অর্জন। আজকে তারেক রহমানকে চিন্তা করতে হবে আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনের অন্তরায়৭২ সংবিধান? এই সংবিধান রক্ষায় যারা দায়িত্ব নিচ্ছে তারা দেশনেত্রীবেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাতের সাজা দিয়ে পরিত্যক্ত কারাগারের সমর্থন দেয়। জনাব তারেক রহমান বংশের একটা আলাদা মর্যদা আছে। আপনার পিতার হত্যাকারী ৭২ এর সংবিধানের রক্ষক আর দেশবাসী ঐ সংবিধান থেকে মুক্তির মহানায়কের শাহাদাৎ এর খবর শুনে রাজপথে নামলে শহীদ জিয়ার লাশ ঢাকায় আসলে অশ্রুসিক্ত জনগন তার সম্মান জানায়। একই ভাবে দেশনেত্রীবেগম খালেদাজিয়াকে ৭২ এর সংবিধান এতিমের টাকা আত্মসাতের ভুয়া সাজা থেকে রক্ষা করতে না পারলেও জুলাই-২৪’মুক্তি দিয়েছে? আপনি দেশে ফীরার প্রতিবেশী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সংবিধান বাতিল আর নাগরীক অধীকার প্রতিষ্ঠার সংবিধান প্রত্যাশা করতে থাকে। এই ছবি যখন মজলুম জনতা দেখে তখন তারা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর গণতন্ত্রের জন্যে আপোষহীন নেত্রী দেশনেত্রীবেগম খালেদা জিয়া সহ বিচারের নামে প্রহসনের স্বীকার শহীদদের জন্যে প্রান খুলে দোয়া করে হে আল্লাহ্ আপনি শহীদদের উত্তরসূরিদের উসিলায় আধিপত্যবাদের সকল চক্রান্ত চিরদিনের জন্যে বন্ধ করেন। লেখকঃচেয়ারম্যান,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) ও সম্পাদক দৈনিক শিকল।