ক্ষমতা নয় ঐক্যে সমালোচনায় আত্মসমালোচনা নতুন চক্রান্ত প্রতিহত করতে পারে?

উপসম্পাদকীয় কলাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ ১৯৭১ দীর্ঘ দিন ধরে কর্মচাঁদ গান্ধী, রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর গংরা স্বপ্ন আর ষড়যন্ত্র করছিলো পূর্ব বাংলা সহ ভারত বর্ষ আধিপত্যবাদ আর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নিয়ন্ত্রন করবে। এ জন্যে বিহার, আসাম,উড়িশ্যা,বাংলা,ও কাশ্মীরে মুসলিম গণহত্যা করে। সাম্যের নেতা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শের-এ-বাংলা এ,কে,ফজলুল হক, বসেন বার-এট-ল কায়েদে আজম মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্’র সাথে অলইন্ডিয়ান মুসলিম ছাত্র লীগ এর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনা সফল একটায় সময় পর্যন্ত পূর্ববাংলা পাকিস্তানের সাথে থাকবে।তারপর দিল্লীর আগ্রসন প্রতিহত করার মত শক্তি অর্জন করে স্বাধীন হয়ে যাবে। আল্লাহ তালা কায়েদে আজমকে ঐ পর্যন্ত আর দুনিয়াতে রাখলেন না আপন স্হলে নিয়ে গেলেন।এই অবস্হায় ১৯৬৫ তে ইন্ডিয়া পিণ্ডি নাস্তা করার স্বপ্ন ঘোষনা দিলো। পূর্ব বাংলার দেশপ্রমিক বীর ক্যাপ্টেন জিয়া ও বাঙালী সৈনিক নিয়ে দিল্লীত নামাজ আদায়ের ঘোষণা দিলেন। আল্লাহ পাক ক্যাপটেন জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করলেন। এরপর সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পাকিস্তান এই অংশ নিয়ে চক্রান্ত শুরু করলো। পাকিস্তান এখান থেকে সম্পূর্ক ছিন্ন করার লক্ষে ৭০ এ নির্বাচন ঘোষণা করলেন। এমন সময় দক্ষিণ অন্চলের প্রাকৃতিক দূর্যোগ এলাকা থেকে ফীর ষড়যন্ত্র বুঝে মওলানা ভাসানী নির্বাচন বর্জন আর স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন। মজিব পর্দা আড়ালে থাকা ঠান্ডা মাথার পরামর্শ অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ গ্রহন ও বিনা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলো। ৭মার্চ৭১ সরোয়ার্দী উদ্দ্যানে স্বাধীনতা প্রেমিকদের ডাক দিয়ে নিরাশ করে হোটেল ইন্ট্রারকন্ট্রালে গিয়ে হায়নাদের আগমনের অপেক্ষায় আলোচনার অগ্রগতি শুনাতে থাকেন। ২৫ মার্চ৭১ হায়নাদের হাত থেকে পরিবার রক্ষায় পাকিস্তানীদের হেফাজত রেখে নিজে পাকিস্তান চলে গেলেন।এখন জাতি হায়নার থাবায় হতবিহবল! এমন সময় চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ইথারে ভেষে আসলো আমি “মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করলাম”। এদেকে ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়া,শিশু তারেক রহমান,আর আরাফাত রহমান কোকো গ্রেফতার হলো? হায়নার প্রভুরা বুঝতে পারলো আগের ষড়যন্ত্র নসাৎ করে ছিলো ক্যাপ্টেন জিয়া এবার করলো মেজর জিয়া? তড়িঘড়ি করে অস্হায়ী প্রেসিডেন্টকে না নিয়ে অথবা অব্যহতি না দিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন হলো? এই ঘটনা পর্যালোচন করলে বোঝা যায় হায়নার মেরুদণ্ড কি করতে চায় এখনো? ১৯৪৭ যদি কায়েদে আজম এই বাংলাকে না নিতো তাহলে ইন্ডিয়ার অপশাসনে আজও আমরা অপরাধীনতা শৃঙ্খল পরে থাকতাম। এর পর দেশনেত্রী পাকিস্তানীদের কাছে আর স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়ার অবাধ চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে শুরু করে। অন্য দিকে আজকের প্রধান উপদেষ্টা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে বাংলার বীরদের জন্যে পাঠাতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর৭১ যখন বীরদের বিজয় মূহর্ত্ব তখন আত্মসমার্পনের অনুষ্ঠানে বীরদের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানীকে উপস্হিত হতে দিলো না আবার উপস্হিত উপ-প্রধান সর্বাধিনায়ক এ,কে,খন্দকারকেও আত্মসমার্পনের দলিলে স্বাক্ষর করতে না দিয়ে একজন পেটি অফিসার অরোরাকে দিয়ে আত্মসমার্পনের দলিলে স্বাক্ষরকরিয়ে নতুন চক্রান্ত শুরু করে হায়নার দল? ইসলামের কথায় হাজার হাজার বছর শুনলে যাদের গায়ে আগুন ধরে সেই জ্বালা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী মূর্খদের মনে ধরিয়ে দিলো। আমরা আমাদের শক্র আর শক্ররা হয়ে গেলো নিরবে আমাদের উপর জুলুম করে চলেছে আর এই জুলুমের পথ জায়েজ করে মিথ্যাচার বা অপপ্রচার চালিয়ে!২০২৪ এর জাতিয় সংসদ নির্বচন বর্জনের আহবান তারেক রহমান জানাল শতস্ফূর্ত ভাবে দেশবাসী প্রত্যাহার করে। জুলাই-আগষ্ট-২৪ এর বিপ্লবে বিএনপি, জামায়াত,হেফাজতও অংশগ্রহণ করে চুড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত। আজকে জনগণের অন্ধকারের পথ হাটা দেখে তাদের মন্তব্য ৫আগষ্ট-২৫ অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস সভাপতিত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান,জামায়াতের আমীর ডাঃশফিকুল ইসলাম,এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম,হেফাজত ইসলামের প্রধান মাওলানা মামুনুল হক এক সমাবেশে আধিপত্যবাদ ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যায় ঘোষনা করার উচিৎবলে মনে করে? তা না হলে ১৫ আগষ্ট-৭৫ এর বীরদের চাইতে করুণ পরিণতি হতে পারে। গত ১৭/১৮ বছর সাংবাদিক সহ যারা জুলুমের স্বীকার তাদের তালিকা প্রণয়নের দাবী ওঠেছে। ফ্যাসিবাদের কেউ ক্ষমা তো দূরের কথা দুঃখ পর্যন্ত প্রকাশ করে নাই? পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ট্যাগস :

ক্ষমতা নয় ঐক্যে সমালোচনায় আত্মসমালোচনা নতুন চক্রান্ত প্রতিহত করতে পারে?

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ ১৯৭১ দীর্ঘ দিন ধরে কর্মচাঁদ গান্ধী, রবিন্দ্র নাথ ঠাকুর গংরা স্বপ্ন আর ষড়যন্ত্র করছিলো পূর্ব বাংলা সহ ভারত বর্ষ আধিপত্যবাদ আর সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নিয়ন্ত্রন করবে। এ জন্যে বিহার, আসাম,উড়িশ্যা,বাংলা,ও কাশ্মীরে মুসলিম গণহত্যা করে। সাম্যের নেতা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, শের-এ-বাংলা এ,কে,ফজলুল হক, বসেন বার-এট-ল কায়েদে আজম মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্’র সাথে অলইন্ডিয়ান মুসলিম ছাত্র লীগ এর শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনা সফল একটায় সময় পর্যন্ত পূর্ববাংলা পাকিস্তানের সাথে থাকবে।তারপর দিল্লীর আগ্রসন প্রতিহত করার মত শক্তি অর্জন করে স্বাধীন হয়ে যাবে। আল্লাহ তালা কায়েদে আজমকে ঐ পর্যন্ত আর দুনিয়াতে রাখলেন না আপন স্হলে নিয়ে গেলেন।এই অবস্হায় ১৯৬৫ তে ইন্ডিয়া পিণ্ডি নাস্তা করার স্বপ্ন ঘোষনা দিলো। পূর্ব বাংলার দেশপ্রমিক বীর ক্যাপ্টেন জিয়া ও বাঙালী সৈনিক নিয়ে দিল্লীত নামাজ আদায়ের ঘোষণা দিলেন। আল্লাহ পাক ক্যাপটেন জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করলেন। এরপর সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পাকিস্তান এই অংশ নিয়ে চক্রান্ত শুরু করলো। পাকিস্তান এখান থেকে সম্পূর্ক ছিন্ন করার লক্ষে ৭০ এ নির্বাচন ঘোষণা করলেন। এমন সময় দক্ষিণ অন্চলের প্রাকৃতিক দূর্যোগ এলাকা থেকে ফীর ষড়যন্ত্র বুঝে মওলানা ভাসানী নির্বাচন বর্জন আর স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন। মজিব পর্দা আড়ালে থাকা ঠান্ডা মাথার পরামর্শ অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ গ্রহন ও বিনা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলো। ৭মার্চ৭১ সরোয়ার্দী উদ্দ্যানে স্বাধীনতা প্রেমিকদের ডাক দিয়ে নিরাশ করে হোটেল ইন্ট্রারকন্ট্রালে গিয়ে হায়নাদের আগমনের অপেক্ষায় আলোচনার অগ্রগতি শুনাতে থাকেন। ২৫ মার্চ৭১ হায়নাদের হাত থেকে পরিবার রক্ষায় পাকিস্তানীদের হেফাজত রেখে নিজে পাকিস্তান চলে গেলেন।এখন জাতি হায়নার থাবায় হতবিহবল! এমন সময় চট্রগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ইথারে ভেষে আসলো আমি “মেজর জিয়া অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করলাম”। এদেকে ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়া,শিশু তারেক রহমান,আর আরাফাত রহমান কোকো গ্রেফতার হলো? হায়নার প্রভুরা বুঝতে পারলো আগের ষড়যন্ত্র নসাৎ করে ছিলো ক্যাপ্টেন জিয়া এবার করলো মেজর জিয়া? তড়িঘড়ি করে অস্হায়ী প্রেসিডেন্টকে না নিয়ে অথবা অব্যহতি না দিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন হলো? এই ঘটনা পর্যালোচন করলে বোঝা যায় হায়নার মেরুদণ্ড কি করতে চায় এখনো? ১৯৪৭ যদি কায়েদে আজম এই বাংলাকে না নিতো তাহলে ইন্ডিয়ার অপশাসনে আজও আমরা অপরাধীনতা শৃঙ্খল পরে থাকতাম। এর পর দেশনেত্রী পাকিস্তানীদের কাছে আর স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়ার অবাধ চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে শুরু করে। অন্য দিকে আজকের প্রধান উপদেষ্টা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে বাংলার বীরদের জন্যে পাঠাতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর৭১ যখন বীরদের বিজয় মূহর্ত্ব তখন আত্মসমার্পনের অনুষ্ঠানে বীরদের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানীকে উপস্হিত হতে দিলো না আবার উপস্হিত উপ-প্রধান সর্বাধিনায়ক এ,কে,খন্দকারকেও আত্মসমার্পনের দলিলে স্বাক্ষর করতে না দিয়ে একজন পেটি অফিসার অরোরাকে দিয়ে আত্মসমার্পনের দলিলে স্বাক্ষরকরিয়ে নতুন চক্রান্ত শুরু করে হায়নার দল? ইসলামের কথায় হাজার হাজার বছর শুনলে যাদের গায়ে আগুন ধরে সেই জ্বালা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী মূর্খদের মনে ধরিয়ে দিলো। আমরা আমাদের শক্র আর শক্ররা হয়ে গেলো নিরবে আমাদের উপর জুলুম করে চলেছে আর এই জুলুমের পথ জায়েজ করে মিথ্যাচার বা অপপ্রচার চালিয়ে!২০২৪ এর জাতিয় সংসদ নির্বচন বর্জনের আহবান তারেক রহমান জানাল শতস্ফূর্ত ভাবে দেশবাসী প্রত্যাহার করে। জুলাই-আগষ্ট-২৪ এর বিপ্লবে বিএনপি, জামায়াত,হেফাজতও অংশগ্রহণ করে চুড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত। আজকে জনগণের অন্ধকারের পথ হাটা দেখে তাদের মন্তব্য ৫আগষ্ট-২৫ অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস সভাপতিত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান,জামায়াতের আমীর ডাঃশফিকুল ইসলাম,এনসিপি’র আহবায়ক নাহিদ ইসলাম,হেফাজত ইসলামের প্রধান মাওলানা মামুনুল হক এক সমাবেশে আধিপত্যবাদ ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যায় ঘোষনা করার উচিৎবলে মনে করে? তা না হলে ১৫ আগষ্ট-৭৫ এর বীরদের চাইতে করুণ পরিণতি হতে পারে। গত ১৭/১৮ বছর সাংবাদিক সহ যারা জুলুমের স্বীকার তাদের তালিকা প্রণয়নের দাবী ওঠেছে। ফ্যাসিবাদের কেউ ক্ষমা তো দূরের কথা দুঃখ পর্যন্ত প্রকাশ করে নাই? পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।