জনগণের কথা মাথায় রেখেই কাজ করে যেতে চান ভোক্তা অধিকারের ডিজি মহোদয়
- আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৪০ বার পড়া হয়েছে
Share the post "জনগণের কথা মাথায় রেখেই কাজ করে যেতে চান ভোক্তা অধিকারের ডিজি মহোদয়"
“এসেছে নতুন শিশু তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার” কবিতার লাইন দুটি বিখ্যাত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছাড়পত্রের অংশবিশেষ। একজন যাবে অন্য আরেকজন আসবে শূন্যস্থান পূরণ হবে এটাই তো চিরাচরিত নিয়ম এবং এটাই হওয়া উচিত। এ নিয়মের ধারাবাহিকতায় ভোক্তা অধিদপ্তরে এসেছেন নতুন ডিজি মোহাম্মদ আলীম আখতার খান। অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও পরিশ্রমী এই সজ্জন কে জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই। আমাদের দেশ মধ্যম উন্নয়নশীল একটি দেশ। কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের মানুষ একের পর এক যুদ্ধ করে অন্য দেশ থেকে এদেশকে বাঁচানোর জন্য ।এদেশে ৮৫% লোক কৃষির উপর সরাসরি নির্ভরশীল। এদেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে বাঁচাতে হবে কৃষকদের। এজন্য বলা হয় কৃষকই একটি দেশের মেরুদন্ড। এদেশের কৃষক তপ্ত রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে তীব্র শিত উপেক্ষা করে মাঠে কাজ করে ফসল উৎপাদন করে থাকে গোটা জাতির জন্য। বিনিময়ে তাদের প্রাপ্য ফসলের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি। কৃষকের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই অভিনন্দন। নুন আনতে পান্তা ফুরায় এদেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের। তবুও বেঁচে থাকার তাগিদে কিনতে হয় চাল আটা সবজি মাছ মাংস ডিম ইত্যাদি ইত্যাদি। ভোক্তাদের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই অভিনন্দন। কৃষককে ঠকিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের ঠকিয়ে রাতারাতি ফুলেঁফেপে কলাগাছ হয়ে ওঠে কিছু অতি লোভী মধ্যসত্তা ভোগী ব্যবসায়ী। সময় এসেছে এদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে সিন্ডিকেট ধ্বংস করা। দেশ উন্নয়ন করতে হলে উন্নয়ন করতে হবে সাধারণ কৃষক ও ভোক্তাদের। চলুন কথা বলা যাক
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডিজি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আলীম আখতার খানের সঙ্গে।জনাব মোহাম্মদ আলীম আখতার খান ০৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখ বাংলাদেশ সরকারের (গ্রেড-১) কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন এবং ১৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে যোগদান করেন।১৩তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের সদস্য হিসেবে তিনি ২৫ এপ্রিল ১৯৯৪ সালে প্রথম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাজশাহী তে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি ২০০৫ সাল পর্যন্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি), এডিএলজি, উপপরিচালক(আরপিএটিসি, চট্রগ্রাম) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন । তিনি মে ২০০৫ থেকে নভেম্বর ২০০৮ পর্যন্ত কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, ফরিদগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি অক্টোবর ২০০৯ পর্যন্ত চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ডিসেম্বর ২০১২ পর্যন্ত ফেনী ও নোয়াখালী জেলায় ADC/ADM হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ থেকে জুন ২০১৬ পর্যন্ত তিনি সচিব (জেলা পরিষদ) হিসেবে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে কর্মরত ছিলেন। জুন ২০১৬ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত তিনি ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে উপপরিচালক হিসাবে কাজ করেন। এই মেয়াদে তিনি উপপরিচালক (প্রশাসন) এবং উপপরিচালক (বাজেট) উভয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
মোহাম্মদ আলীম আখতার খান চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজি সাহিত্যে ১৯৮৭ সালে স্নাতক এবং ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমজিএস (মাস্টার্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ) ডিগ্রি অর্জন করেন।
শখের মধ্যে তিনি বিভিন্ন ধরনের ফুল ফল ও বাগান খুব ভালোবাসেন ভবিষ্যতে তিনি একটি ছোট দেশি মুরগির ফার্ম এবং খাসি ছাগল উৎপাদন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।










