সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

রক্তাক্ত ফেব্রুয়ারি

কবি : মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

ফেব্রুয়ারি আসে রক্তাক্ত হয়ে—

রক্তিম স্মৃতির ভার কাঁধে নিয়ে।

নিঃশব্দ রাজপথ জানে তার ভাষা,

দেয়ালে দেয়ালে লেখা থাকে ইতিহাসের শিলালিপি।

 

এই মাস ব্যথার, এই মাস হারানোর,

এই মাসে কান্না বড় নিঃশব্দ।

যারা রক্ত দিয়ে রক্ষা করেছিল মায়ের ভাষা,

তাদের নাম লেখা আছে এই দেশের মানচিত্রে—

দৃশ্যমান নয়, তবু চিরকাল দেশপ্রেমিক।

 

একুশের সূর্য সম্মানের সূর্য,

শহীদের রক্তে রাঙানো সে আলো।

এই রক্তই ফিরিয়ে দিয়েছে মায়ের ভাষা,

ফিরিয়ে দিয়েছে গান, কবিতা,

আর হারিয়ে যাওয়া জাতিসত্তার মর্যাদা।

 

শহীদ মিনারে জমে ওঠে ফুলের স্তূপ,

মানুষের চোখে জমে থাকা অশ্রু।

নীরব শপথে উচ্চারিত হয় একটি অঙ্গীকার—

এ জাতি বন্দী জাতি নয়,

এ জাতি বন্দী রবে না।

 

এই ফেব্রুয়ারির ভালোবাসায় বেঁচে আছেন

রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত।

এই ফেব্রুয়ারি এক দীর্ঘ চেতনার নাম,

এই ফেব্রুয়ারি রক্তে লেখা ইতিহাস—

বাঙালির আত্মপরিচয়ে অগ্নিতে লেখা শপথ।

ট্যাগস :

রক্তাক্ত ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ফেব্রুয়ারি আসে রক্তাক্ত হয়ে—

রক্তিম স্মৃতির ভার কাঁধে নিয়ে।

নিঃশব্দ রাজপথ জানে তার ভাষা,

দেয়ালে দেয়ালে লেখা থাকে ইতিহাসের শিলালিপি।

 

এই মাস ব্যথার, এই মাস হারানোর,

এই মাসে কান্না বড় নিঃশব্দ।

যারা রক্ত দিয়ে রক্ষা করেছিল মায়ের ভাষা,

তাদের নাম লেখা আছে এই দেশের মানচিত্রে—

দৃশ্যমান নয়, তবু চিরকাল দেশপ্রেমিক।

 

একুশের সূর্য সম্মানের সূর্য,

শহীদের রক্তে রাঙানো সে আলো।

এই রক্তই ফিরিয়ে দিয়েছে মায়ের ভাষা,

ফিরিয়ে দিয়েছে গান, কবিতা,

আর হারিয়ে যাওয়া জাতিসত্তার মর্যাদা।

 

শহীদ মিনারে জমে ওঠে ফুলের স্তূপ,

মানুষের চোখে জমে থাকা অশ্রু।

নীরব শপথে উচ্চারিত হয় একটি অঙ্গীকার—

এ জাতি বন্দী জাতি নয়,

এ জাতি বন্দী রবে না।

 

এই ফেব্রুয়ারির ভালোবাসায় বেঁচে আছেন

রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত।

এই ফেব্রুয়ারি এক দীর্ঘ চেতনার নাম,

এই ফেব্রুয়ারি রক্তে লেখা ইতিহাস—

বাঙালির আত্মপরিচয়ে অগ্নিতে লেখা শপথ।