সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক এইচ আর শফিকের অতিসত্বর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিএনসি’র সাফল্য প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ এর ৬ষ্ঠ স্মরণসভা পালিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বজয়ের মহারণ: মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপসেরা স্পেন প্রকাশিত সাংবাদের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নিজেদের শহর নিজেরাই পরিষ্কার রাখি যেখানে ইতিহাস অন্তরালে রাখা হয় সেখানেই পরাধীনতার শৃঙ্খল পড়ানোর ষড়যন্ত্র চলে?? যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন টিপু — অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে যুবশক্তির নতুন যাত্রা

জাতীয় প্রেসক্লাবে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় প্রেসক্লাব আব্দুস সালাম হলে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন “আমরা যারা বাংলাদেশের সনামধন্য ৩০০ টি সরকারি কলেজে ০১ থেকে ৩৫ বছর যাবৎ সরকারি কলেজে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে বেসরকারিভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের আলোকে স্ব স্ব কলেজের<span;> অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিয়োগের মাধ্যামে সুনামের সাথে চাকুরী করে আসছে কিন্তু আমাদের চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধিতে স্ব স্ব কলেজের শুন্য পদের ১০০% এর ভিতর ৬০% নিয়োগ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রদান করে। মহাপরিচালক মহোদয়ের নিকট সুপারিশসহ প্রেরণ করতেন, তখন আমাদের মধ্যে থেকে যারা সিনিয়র হিসেবে কর্মরত থাকতো তাদের মধ্যে কয়েক জনের চাকুরী রাজস্ব খাতে নিতো যা ২০০৪ পর্যন্ত ছিল, অবশিষ্ট ৩০% মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ দিতেন। কিন্তু ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯১ এই বিয়োগ বিধি সংশোধন করে আমাদেরকে বঞ্চিত করে কেন্দ্রীয়ভাবে ১০০ ভাগ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আমরা ২০০৪ ইং সালের পর থেকে রাজস্ব খাতের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হই। আমাদের অনেকের বয়স ৩০ বছরের অধিক হয়ে গেছে। আমরা সামান্য মজুরীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীজন যাপন করছি। আমরা সরকারি কলেজের সকলেই যে দপ্তরে চাকুরী করছি সেখানে আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছি। সমগ্র বাংলাদেশের কলেজসমূহের সূচনালগ্নে যে পদ সৃষ্টি হয়েছিল তা দিয়ে বর্তমান কলেজের অনার্স মাইটার্স বিভাগসমূহ পরিচালিত হচ্ছে ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে না পেরে আমাদের মাউশির পরিপত্র মোতাবেক কলেজ অধ্যক্ষগণ নিয়োগ প্রদান করেন। আমরা অত্যন্ত সুনামের সাথে সরকারি কলেজের সরকারি দায়িত্ব দীর্ঘবছর যাবৎ পালন করে ।অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের আদেশ দেন মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট ডিভিশন। আমাদের দাবি সমূহ

• সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করতে হবে।

(শূন্য পদের বিপরীতে এবং নতুন পদ সৃজনের মাধ্যমে স্বস্ব কলেজে অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাজস্বখাতভূক্ত করতে হবে।) * কর্মরতদের ব্যতিরেকে নতুন নিয়োগ বন্ধ করতে হবে, অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের চাকুরীর নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে।

রাজস্বখাতভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।দুর্দশা তুলে ধরতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে সম্মানিত অতিথিবৃন্দঃ জনাব জোনায়েদ সাকি, প্রধান সমন্বয়কারী, গণসংহতি আন্দোলন জনাব, মাসুদ কামাল, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট, জনান, আশরাফ কায়সায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্টস্ট, জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম, সভাপতি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জনাব, মেঃ আজিম, সভাপতি, জনাব মোঃ মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

ট্যাগস :

জাতীয় প্রেসক্লাবে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১১:৫৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় প্রেসক্লাব আব্দুস সালাম হলে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন “আমরা যারা বাংলাদেশের সনামধন্য ৩০০ টি সরকারি কলেজে ০১ থেকে ৩৫ বছর যাবৎ সরকারি কলেজে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে বেসরকারিভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের আলোকে স্ব স্ব কলেজের<span;> অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিয়োগের মাধ্যামে সুনামের সাথে চাকুরী করে আসছে কিন্তু আমাদের চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধিতে স্ব স্ব কলেজের শুন্য পদের ১০০% এর ভিতর ৬০% নিয়োগ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রদান করে। মহাপরিচালক মহোদয়ের নিকট সুপারিশসহ প্রেরণ করতেন, তখন আমাদের মধ্যে থেকে যারা সিনিয়র হিসেবে কর্মরত থাকতো তাদের মধ্যে কয়েক জনের চাকুরী রাজস্ব খাতে নিতো যা ২০০৪ পর্যন্ত ছিল, অবশিষ্ট ৩০% মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ দিতেন। কিন্তু ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯১ এই বিয়োগ বিধি সংশোধন করে আমাদেরকে বঞ্চিত করে কেন্দ্রীয়ভাবে ১০০ ভাগ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আমরা ২০০৪ ইং সালের পর থেকে রাজস্ব খাতের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হই। আমাদের অনেকের বয়স ৩০ বছরের অধিক হয়ে গেছে। আমরা সামান্য মজুরীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীজন যাপন করছি। আমরা সরকারি কলেজের সকলেই যে দপ্তরে চাকুরী করছি সেখানে আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছি। সমগ্র বাংলাদেশের কলেজসমূহের সূচনালগ্নে যে পদ সৃষ্টি হয়েছিল তা দিয়ে বর্তমান কলেজের অনার্স মাইটার্স বিভাগসমূহ পরিচালিত হচ্ছে ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে না পেরে আমাদের মাউশির পরিপত্র মোতাবেক কলেজ অধ্যক্ষগণ নিয়োগ প্রদান করেন। আমরা অত্যন্ত সুনামের সাথে সরকারি কলেজের সরকারি দায়িত্ব দীর্ঘবছর যাবৎ পালন করে ।অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের আদেশ দেন মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট ডিভিশন। আমাদের দাবি সমূহ

• সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করতে হবে।

(শূন্য পদের বিপরীতে এবং নতুন পদ সৃজনের মাধ্যমে স্বস্ব কলেজে অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাজস্বখাতভূক্ত করতে হবে।) * কর্মরতদের ব্যতিরেকে নতুন নিয়োগ বন্ধ করতে হবে, অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের চাকুরীর নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে।

রাজস্বখাতভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।দুর্দশা তুলে ধরতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে সম্মানিত অতিথিবৃন্দঃ জনাব জোনায়েদ সাকি, প্রধান সমন্বয়কারী, গণসংহতি আন্দোলন জনাব, মাসুদ কামাল, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট, জনান, আশরাফ কায়সায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্টস্ট, জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম, সভাপতি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, জনাব, মেঃ আজিম, সভাপতি, জনাব মোঃ মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।