সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের “পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশনস কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বরসমূহ: ০১৩২০০০১২২৩, ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোবাইল নম্বরসমূহ সার্বক্ষণিক (দিন-রাত ২৪ ঘন্টা) খোলা থাকবে।” স্বাক্ষরিত/- ফয়সল হাসান জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই! মো১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমার্পন দলিলে মুক্তির যুদ্ধেরসর্বাধীনায়ক স্বাক্ষর করলে জাতি বিভক্তি আর ১৫ আগষ্ট৭৫, ৭ নভেম্বর৭৫ আর জুলাই বিপ্লব হতো কি! অথোরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোট বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান  ১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজশাহীতে ১৬ মে ৭৬ ঐতিহাসিক বিক্ষোভ? প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি শুকনো রুটি ঢাকার প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

তরমুজ খাওয়ার আগে যেভাবে পরীক্ষা করবেন

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫ ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

তরমুজে ভেজাল আছে কি না, তা কী ভাবে পরীক্ষা করবেন?
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ বাংলাদেশের বক্তব্য অনুযায়ী, তরমুজে ভেজাল রয়েছে কি না, অথবা রাসায়নিক রং মেশানো হয়েছে কি না, তা জানতে হলে দু’টি কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে।

১. তরমুজটিকে অর্ধেক করে কেটে নিতে হবে। লাল দিকটি তুলোর বল দিয়ে ঘষে নিতে হবে। তুলোর বল যদি সাদা থাকে, তা হলে তরমুজটি নির্ভেজাল। যদি লাল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে, কৃত্রিম পদার্থ মেশানো হয়েছে। তরমুজের উপর সাদা কাগজ বা টিস্যুও ঘষতে পারেন। একই ভাবে রং উঠে এলে বুঝতে হবে, ফলটি খাওয়া নিরাপদ না।

২. ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের  পরামর্শ, সকলে যেন বাড়িতেও তরমুজের শুদ্ধতা পরীক্ষা করে নেন। এক গ্লাস পানিতে এক টুকরো তরমুজ ডুবিয়ে গুণমান পরীক্ষা করা যেতে পারে। যদি ফলের রং একই থেকে যায়, তা হলে ফলটি ভাল। কিন্তু যদি কৃত্রিম রঞ্জক পদার্থ পানিতে মিশতে শুরু করে, তা হলে তা খাঁটি নয়।

ট্যাগস :

তরমুজ খাওয়ার আগে যেভাবে পরীক্ষা করবেন

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

তরমুজে ভেজাল আছে কি না, তা কী ভাবে পরীক্ষা করবেন?
ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ বাংলাদেশের বক্তব্য অনুযায়ী, তরমুজে ভেজাল রয়েছে কি না, অথবা রাসায়নিক রং মেশানো হয়েছে কি না, তা জানতে হলে দু’টি কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে।

১. তরমুজটিকে অর্ধেক করে কেটে নিতে হবে। লাল দিকটি তুলোর বল দিয়ে ঘষে নিতে হবে। তুলোর বল যদি সাদা থাকে, তা হলে তরমুজটি নির্ভেজাল। যদি লাল হয়ে যায়, তা হলে বুঝতে হবে, কৃত্রিম পদার্থ মেশানো হয়েছে। তরমুজের উপর সাদা কাগজ বা টিস্যুও ঘষতে পারেন। একই ভাবে রং উঠে এলে বুঝতে হবে, ফলটি খাওয়া নিরাপদ না।

২. ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের  পরামর্শ, সকলে যেন বাড়িতেও তরমুজের শুদ্ধতা পরীক্ষা করে নেন। এক গ্লাস পানিতে এক টুকরো তরমুজ ডুবিয়ে গুণমান পরীক্ষা করা যেতে পারে। যদি ফলের রং একই থেকে যায়, তা হলে ফলটি ভাল। কিন্তু যদি কৃত্রিম রঞ্জক পদার্থ পানিতে মিশতে শুরু করে, তা হলে তা খাঁটি নয়।