সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিসি কমলাপুর ডিপোর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের “পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশনস কন্ট্রোল রুমের মোবাইল নম্বরসমূহ: ০১৩২০০০১২২৩, ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯। আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের জন্য উল্লিখিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, মোবাইল নম্বরসমূহ সার্বক্ষণিক (দিন-রাত ২৪ ঘন্টা) খোলা থাকবে।” স্বাক্ষরিত/- ফয়সল হাসান জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার/পরিচালক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিহাস যা থাকার কথা তা নাই! মো১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমার্পন দলিলে মুক্তির যুদ্ধেরসর্বাধীনায়ক স্বাক্ষর করলে জাতি বিভক্তি আর ১৫ আগষ্ট৭৫, ৭ নভেম্বর৭৫ আর জুলাই বিপ্লব হতো কি! অথোরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার তত্ত্বাবধানে মোবাইল কোট বসিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান  ১৬ ডিসেম্বর৭১ আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করে পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাজশাহীতে ১৬ মে ৭৬ ঐতিহাসিক বিক্ষোভ? প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি শুকনো রুটি ঢাকার প্রথম মহিলা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

জাতীয় প্রেসক্লাবে মেডিকেল ডিভাইসের নীতিমালার উপর সংবাদ সম্মেলন

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি মেডিকেল ডিভাইস তথা চিকিৎসা সামগ্রী ঔষধ ও কসমেটিক আইন ২০২৩ এর আওতাভুক্ত করে পৃথক আইন ও রেজিস্ট্রেশন এর স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন । উক্ত সম্মেলনে বক্তারা বলেন ,”প্রোডাক্ট রেজিস্ট্রেশন করার পরও প্রতিবার এলসি করার আগে ঔষধ অধিদপ্তর হতে ইনডেন্ট অ্যাপ্রোভাল প্রসেস সম্পন্ন করে তারপর আমদানি করতে হয়। যার কারণে স্বাভাবিক আমদানি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ ও বিলম্বিত হয়।
আমাদের দাবিসমূহ:
১।মেডিকেল ডিভাইস তথা চিকিৎসা সামগ্রী “ঔষধ ও কসমেটিকস আইন-২০২৩” এর আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র আইন প্রনয়ন করতে হবে।
২।মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। বিধিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে অংশীজন হিসেবে আমাদের মেডিকেল ডিভাইস/পন্য ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য, ব্যবহারকারী ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল মালিক সমিতির সদস্য, সংশ্লিস্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞজনদের নিয়ে মেডিকেল ডিভাইস এক্সপার্ট কমিটি গঠন করে বিধিমালা প্রণয়ন করার দাবি জানাচ্ছি।
৩।মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ জনদের সম্পৃক্ত করে পৃথক ইউনিট গঠন করার দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে রেসিপি অনুমোদন, ইনডেন্ট অ্যাপ্রোভাল প্রসেস এবং ফ্রি-সেল সার্টিফিকেট (FSC) আমাদের দূতাবসে সত্যায়িত করার প্রক্রিয়াসমূহ বাতিলের দাবী জানাচ্ছি।
৪।আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ক্লাস A এবং B এর রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ১০ মার্কিন ডলার অথচ আমাদের বর্তমান আইনে প্রতিটি পণ্যের রেজিস্ট্রেশন ফি প্রায় ৬৫০০০ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়। এতে দিন শেষে পণ্যের দাম বেড়ে যায়, ফলে আমাদের চিকিৎসা ব্যায়ও বেড়ে যায়। আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে রেজিস্ট্রেশন ফি Class A ১০০০ টাকা, Class B ৫০০০ টাকা, Class C ১০০০০ টাকা and Class D ১৫০০০ টাকা করার দাবি জানাচ্ছি।

বক্তারা আরো জানান ,দেশের জনগনের অন্যতম মৌলিক চাহিদা উন্নততর চিকিৎসা সেবার স্বার্থে আপনাদের বহুল প্রচারিত পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় আমাদের ন্যায় সঙ্গত এই দাবিগুলো প্রচার ও ফলোআপের জন্য আপনাদের সদয় সহযোগিতা কামনা করছি।

ট্যাগস :

জাতীয় প্রেসক্লাবে মেডিকেল ডিভাইসের নীতিমালার উপর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১০:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি মেডিকেল ডিভাইস তথা চিকিৎসা সামগ্রী ঔষধ ও কসমেটিক আইন ২০২৩ এর আওতাভুক্ত করে পৃথক আইন ও রেজিস্ট্রেশন এর স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন । উক্ত সম্মেলনে বক্তারা বলেন ,”প্রোডাক্ট রেজিস্ট্রেশন করার পরও প্রতিবার এলসি করার আগে ঔষধ অধিদপ্তর হতে ইনডেন্ট অ্যাপ্রোভাল প্রসেস সম্পন্ন করে তারপর আমদানি করতে হয়। যার কারণে স্বাভাবিক আমদানি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ ও বিলম্বিত হয়।
আমাদের দাবিসমূহ:
১।মেডিকেল ডিভাইস তথা চিকিৎসা সামগ্রী “ঔষধ ও কসমেটিকস আইন-২০২৩” এর আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র আইন প্রনয়ন করতে হবে।
২।মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। বিধিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে অংশীজন হিসেবে আমাদের মেডিকেল ডিভাইস/পন্য ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য, ব্যবহারকারী ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল মালিক সমিতির সদস্য, সংশ্লিস্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞজনদের নিয়ে মেডিকেল ডিভাইস এক্সপার্ট কমিটি গঠন করে বিধিমালা প্রণয়ন করার দাবি জানাচ্ছি।
৩।মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ জনদের সম্পৃক্ত করে পৃথক ইউনিট গঠন করার দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে রেসিপি অনুমোদন, ইনডেন্ট অ্যাপ্রোভাল প্রসেস এবং ফ্রি-সেল সার্টিফিকেট (FSC) আমাদের দূতাবসে সত্যায়িত করার প্রক্রিয়াসমূহ বাতিলের দাবী জানাচ্ছি।
৪।আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ক্লাস A এবং B এর রেজিস্ট্রেশন ফি মাত্র ১০ মার্কিন ডলার অথচ আমাদের বর্তমান আইনে প্রতিটি পণ্যের রেজিস্ট্রেশন ফি প্রায় ৬৫০০০ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়। এতে দিন শেষে পণ্যের দাম বেড়ে যায়, ফলে আমাদের চিকিৎসা ব্যায়ও বেড়ে যায়। আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে রেজিস্ট্রেশন ফি Class A ১০০০ টাকা, Class B ৫০০০ টাকা, Class C ১০০০০ টাকা and Class D ১৫০০০ টাকা করার দাবি জানাচ্ছি।

বক্তারা আরো জানান ,দেশের জনগনের অন্যতম মৌলিক চাহিদা উন্নততর চিকিৎসা সেবার স্বার্থে আপনাদের বহুল প্রচারিত পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় আমাদের ন্যায় সঙ্গত এই দাবিগুলো প্রচার ও ফলোআপের জন্য আপনাদের সদয় সহযোগিতা কামনা করছি।