রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুল হক মিলন

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবন বঙ্গভবন ঘেরাও করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বঙ্গভবন অবরোধ করে রাখে।
এর আগে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের ডাক দেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শহীদ মিনারে সমাবেশের পাশাপাশি হাজার হাজার ছাত্র জনতা বঙ্গভবনের সামনে জড়ো হয়।
গত সোমবার রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে জানান, শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমান তার কাছে নেই। তার ওই বক্তব্যের পর সরকার ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে তার পদত্যাগ দাবি করা হয়। সোমবার রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
যদিও, রাতেই বঙ্গভবন থেকে দেয়া এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি মিমাংসীত বিষয়। এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয় বঙ্গভবনের দেয়া বিবৃতিতে।

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও

আপডেট সময় : ০২:০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

এমদাদুল হক মিলন

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে তার বাসভবন বঙ্গভবন ঘেরাও করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বঙ্গভবন অবরোধ করে রাখে।
এর আগে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের ডাক দেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শহীদ মিনারে সমাবেশের পাশাপাশি হাজার হাজার ছাত্র জনতা বঙ্গভবনের সামনে জড়ো হয়।
গত সোমবার রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে জানান, শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমান তার কাছে নেই। তার ওই বক্তব্যের পর সরকার ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে তার পদত্যাগ দাবি করা হয়। সোমবার রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
যদিও, রাতেই বঙ্গভবন থেকে দেয়া এক ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি মিমাংসীত বিষয়। এ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয় বঙ্গভবনের দেয়া বিবৃতিতে।