সচিবালয় অগ্নিকাণ্ড ও কুকুরের পোড়া দেহ 

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ড সংগঠিত হওয়া রুম গুলোর মধ্য থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি পোড়া মৃত কুকুর। এটি মনুষ্য সৃষ্টি নাশকতা বা অগ্নিকাণ্ড বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। এই অগ্নিকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে। কুকুরগুলোর সঙ্গে কাদের সম্পর্ক বেশি থাকতে পারে বলে অনেকে ধারণা করেছেন! সাধারণত সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গার্ড বা সিকিউরিটির সঙ্গে সচিবালয়ের আশেপাশে কুকুরদের একটা সখ্যতা গড়ে উঠতে পারে। কুকুর জন্মগতভাবে প্রভুভক্ত। সেই সূত্র ধরে গার্ডদের সাথে কুকুর উপরে উঠে যেতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। এমনও হতে পারে অগ্নিকাণ্ড সংগঠনের পর দুর্বৃত্ত বা দুর্বৃত্তগুলো দ্রুত নেমে আসার কারণে কুকুরটি আটকা পড়ে যায় ও অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুবরণ করে। আর এই দুর্বৃত্ত বা গার্ডগুলোই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই কাজ করতে পারে বলে অনেকের ধারণা। সাধারণ জনগণ মনে করেন, পতিত স্বৈরাচার সরকারের কথিত দালাল আশেপাশে ওত পেতে আছে কখন কিভাবে সুযোগকে কাজে লাগানো যায়। কোন সুযোগই তারা হাতছাড়া করতে রাজি না। বর্তমান সরকারের উচিত ছিল প্রথমেই পতিত স্বৈরাচার সরকারের আমলা চামচা দালাল গুলো চিহ্নিত করে সরিয়ে দেওয়া। সেই শূন্য জায়গাগুলোতে দেশপ্রেমিক জনগণকে স্থলাভিষিক্ত করা যেটা এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। অতিরিক্ত বিশ্বাসের ফলে স্বৈরাচার সরকারের দালাল গুলো মীরজাফরের মত বিশ্বাসঘাতকতা করছে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞ অনেকে মনে করেন এখনই সময় সমগ্র বাংলাদেশে দশম গ্রেড পর্যন্ত দালাল মুক্ত করা এবং সচিবালয়ে রাত্রে কর্মরত সকল পাহারাদার বা গার্ডদের সুক্ষভাবে  জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং এর পিছনে কোন কোন রাঘববোয়াল জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে অতিসত্বর আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা।

ট্যাগস :

সচিবালয় অগ্নিকাণ্ড ও কুকুরের পোড়া দেহ 

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ড সংগঠিত হওয়া রুম গুলোর মধ্য থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি পোড়া মৃত কুকুর। এটি মনুষ্য সৃষ্টি নাশকতা বা অগ্নিকাণ্ড বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। এই অগ্নিকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে। কুকুরগুলোর সঙ্গে কাদের সম্পর্ক বেশি থাকতে পারে বলে অনেকে ধারণা করেছেন! সাধারণত সচিবালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গার্ড বা সিকিউরিটির সঙ্গে সচিবালয়ের আশেপাশে কুকুরদের একটা সখ্যতা গড়ে উঠতে পারে। কুকুর জন্মগতভাবে প্রভুভক্ত। সেই সূত্র ধরে গার্ডদের সাথে কুকুর উপরে উঠে যেতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। এমনও হতে পারে অগ্নিকাণ্ড সংগঠনের পর দুর্বৃত্ত বা দুর্বৃত্তগুলো দ্রুত নেমে আসার কারণে কুকুরটি আটকা পড়ে যায় ও অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুবরণ করে। আর এই দুর্বৃত্ত বা গার্ডগুলোই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই কাজ করতে পারে বলে অনেকের ধারণা। সাধারণ জনগণ মনে করেন, পতিত স্বৈরাচার সরকারের কথিত দালাল আশেপাশে ওত পেতে আছে কখন কিভাবে সুযোগকে কাজে লাগানো যায়। কোন সুযোগই তারা হাতছাড়া করতে রাজি না। বর্তমান সরকারের উচিত ছিল প্রথমেই পতিত স্বৈরাচার সরকারের আমলা চামচা দালাল গুলো চিহ্নিত করে সরিয়ে দেওয়া। সেই শূন্য জায়গাগুলোতে দেশপ্রেমিক জনগণকে স্থলাভিষিক্ত করা যেটা এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। অতিরিক্ত বিশ্বাসের ফলে স্বৈরাচার সরকারের দালাল গুলো মীরজাফরের মত বিশ্বাসঘাতকতা করছে বলে অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞ অনেকে মনে করেন এখনই সময় সমগ্র বাংলাদেশে দশম গ্রেড পর্যন্ত দালাল মুক্ত করা এবং সচিবালয়ে রাত্রে কর্মরত সকল পাহারাদার বা গার্ডদের সুক্ষভাবে  জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং এর পিছনে কোন কোন রাঘববোয়াল জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে অতিসত্বর আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা।