সংবাদ শিরোনাম :
অজপাড়াগাঁ থেকে মতিঝিলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, সততা ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে চান ইব্রাহীম খলিল দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায় সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের নাম জড়ানোর প্রতিবাদ কর অঞ্চল-১২-এর সৎ কর্মচারীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদ: তথ্য যাচাই ছাড়া নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ অনভিপ্রেত যে বীররা এই জাতিকে আত্মনির্ভরশীল আর স্বাধীন করেন তারাই এই চার নেতা! নূর-ই-আলমকে ৩৮ মাস (০১.০৯.২৩ হতে ৩০.০৯.২৬)পযর্ন্ত কোন কাজ করতে দেওয়া হয়নি শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন শুভেচ্ছা বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশি রোগী না থাকায় ধুঁকছে কলকাতার হাসপাতালগুলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪ ৪৮৮ বার পড়া হয়েছে

এমদাদুল হক মিলন
কলকাতার মার্কেট, শপিংমল, হাসপাতালগুলো অনেকটাই নির্ভর বাংলাদেশের পর্যটকদের ওপর। বাংলাদেশি পর্যটক কমে যাওয়ায় নিউমার্কেটের মতো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কলকাতার মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতাল পল্লিতে। আগে পর্যটক ভিসা নিয়েও এখানকার ডাক্তারের শরণাপন্ন হতেন বাংলাদেশিরা। তবে বর্তমানে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়া ভিসা পাচ্ছেন না বাংলাদেশি রোগীরা।
হাসপাতালগুলোর শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও আগের মতো ব্যবসা নেই। বাংলাদেশি রোগী কমে যাওয়ায় সার্বিকভাবে আয় কমেছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ।
তবে চলমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপড়েন বেশ ধাক্কা লেগেছে এখানকার অর্থনীতিতে। পর্যটক ভিসায় প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি রোগী আসতেন এই হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু এখন যারা মেডিকেল ভিসা পাচ্ছেন, কেবল তারাই সুযোগ পাচ্ছেন চিকিৎসা সেবা নেয়ার। এতে কমেছে রোগীর সংখ্যা।

ট্যাগস :

বাংলাদেশি রোগী না থাকায় ধুঁকছে কলকাতার হাসপাতালগুলো

আপডেট সময় : ০৭:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

এমদাদুল হক মিলন
কলকাতার মার্কেট, শপিংমল, হাসপাতালগুলো অনেকটাই নির্ভর বাংলাদেশের পর্যটকদের ওপর। বাংলাদেশি পর্যটক কমে যাওয়ায় নিউমার্কেটের মতো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কলকাতার মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতাল পল্লিতে। আগে পর্যটক ভিসা নিয়েও এখানকার ডাক্তারের শরণাপন্ন হতেন বাংলাদেশিরা। তবে বর্তমানে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়া ভিসা পাচ্ছেন না বাংলাদেশি রোগীরা।
হাসপাতালগুলোর শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও আগের মতো ব্যবসা নেই। বাংলাদেশি রোগী কমে যাওয়ায় সার্বিকভাবে আয় কমেছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ।
তবে চলমান ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপড়েন বেশ ধাক্কা লেগেছে এখানকার অর্থনীতিতে। পর্যটক ভিসায় প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি রোগী আসতেন এই হাসপাতালগুলোতে। কিন্তু এখন যারা মেডিকেল ভিসা পাচ্ছেন, কেবল তারাই সুযোগ পাচ্ছেন চিকিৎসা সেবা নেয়ার। এতে কমেছে রোগীর সংখ্যা।