স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পথে বিপিসিবাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. আপেল মামুন সম্প্রতি সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি জিপিএমএস টিমের সক্রিয় সদস্য হিসেবে প্রকল্প তদারকি করছেন এবং দুর্নীতির অভিযোগ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান৬০ কোটি টাকার বিপিসি সদর দপ্তর ভবন উদ্বোধনের পর পানি প্রবেশ ও ফাটল দেখা দিলে তিনি প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দ্রুত তদন্ত শুরু করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এটি নির্মাণমানের সমস্যা নয় বরং কারিগরি ত্রুটি, যা সমাধানে ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা জনমনে আস্থা ফিরিয়েছে।দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যক্রমপ্রকল্প তদারকি – প্রতিটি প্রকল্পে কারিগরি মান যাচাই ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।জিপিএমএস কার্যক্রম – সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল মনিটরিং।দুর্নীতি প্রতিরোধ – ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট প্রভাব প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা।জনআস্থা পুনরুদ্ধার প্রকৌশলী আপেল মামুনের উদ্যোগে বিপিসি প্রকল্পগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ছে। তাঁর কার্যক্রমকে অনেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যদি এ ধরনের উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে চালু থাকে তবে বিপিসি ভবিষ্যতে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।
প্রকৌশলী আপেল মামুনের কার্যক্রম প্রমাণ করে যে সৎ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব থাকলে দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব। তাঁর প্রচেষ্টা শুধু বিপিসির ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করছে না, বরং দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে স্বচ্ছতা ও জনআস্থা ফিরিয়ে আনছে। অনুসন্ধানে যারা যায় কিছু কুচক্রী মহল তার সততায় ঈর্ষান্নিত হয়ে তার নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে যা অত্যন্ত অন্যায় ও ঘৃণিত কাজ। এ সকল অসত্য মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রকাশে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.