গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম পি অ্যান্ড ডি জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ তুলেছে।”অভিযোগে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, গাড়ি ও বিদেশে সম্পদ থাকার কথা বলা হলেও তিনি তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন। আলমগীর খান বলেন, “আমার সম্পদের সব তথ্য নিয়মিতভাবে আয়কর নথিতে জমা দেওয়া হয় এবং তা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”প্রকল্প সংক্রান্ত অভিযোগের জবাবজাতীয় স্মৃতিসৌধে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “কাজটি সরকারি ক্রয়বিধি মেনে সম্পন্ন হয়েছে। অডিট পর্যবেক্ষণে কিছু কারিগরি বিষয় উঠে আসলেও তা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।”গাড়িচালক নিয়োগ ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “চালকদের সংখ্যা ও ব্যয় অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। অভিযোগে যে অতিরঞ্জিত তথ্য দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।”চুক্তিভিত্তিক জনবল নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়েই জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। হাজিরা ও বেতন-ভাতা প্রদানের সব নথি যথাযথভাবে সংরক্ষিত আছে।”ব্যক্তিগত অবস্থানআলমগীর খান অভিযোগকারীর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “আমার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীল অবস্থানকে বিতর্কিত করার জন্যই এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি সবসময় সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।”তিনি আরও জানান, “অভিযোগে উল্লিখিত বিদেশে অর্থ পাচার বা সম্পদ অর্জনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বা আমার পরিবারের নামে বিদেশে কোনো সম্পদ নেই।”তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাসঅতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খান বলেন, “সরকারি কর্তৃপক্ষ যদি তদন্ত শুরু করে, আমি সব ধরনের নথি ও তথ্য সরবরাহ করতে প্রস্তুত। আমি বিশ্বাস করি, নিরপেক্ষ তদন্তে সত্য প্রকাশ পাবে এবং আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অসারতা প্রমাণিত হবে।”
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.