দেশের শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়ন, নির্মাণকাজের মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকৌশলগত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ শাহজাহান আলী। অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। এসব কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দায়িত্বের মধ্যে প্রকল্পের কারিগরি বিষয় তদারকি, নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত প্রকৌশল নীতিমালা অনুসরণে কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মোঃ শাহজাহান আলীর কর্মজীবনের তথ্যও তাঁর প্রকৌশল পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা অবকাঠামোর ক্ষেত্রে একটি প্রকল্পের সফলতা শুধু ভবন নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নির্মাণের মান, নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব, সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার—সবকিছুই সমান গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসব বিষয় সমন্বয় করে প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
মোঃ শাহজাহান আলীর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও প্রকৌশলগত তদারকি ও সমন্বয়কে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য টেকসই ও মানসম্মত অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ তৈরি হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার মান ও পরিবেশের ওপর।
বর্তমানে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোঃ শাহজাহান আলীর মতো অভিজ্ঞ প্রকৌশলীরা মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও প্রকৌশলগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব, কারিগরি দক্ষতা ও সময়ানুবর্তিতাকে আরও গুরুত্ব দিয়ে মোঃ শাহজাহান আলী শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবেন। তাঁর নেতৃত্ব ও প্রকৌশলগত দক্ষতার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজে আরও গতি ও গুণগত পরিবর্তন আসবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সংশ্লিষ্টদের।
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.