"মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর আধিপত্যবাদ আর ফ্যাসিবাদের সাথে আপোষ না করা দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া ও মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী অসংখ্য শহীদ আর গাজীর রক্ত স্নাতকদের বাংলাদেশ। ২০২৬-২৭ এর বাজেটে প্রিন্টিং গণমাধ্যম আর ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনের কোন দিকনির্দেশনা নাই? বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান ট্রাস্ট আছে সেখানে ফ্যাসিবাদের বিধান কার্যকর। ১৭ বছরে দৈনিক বাংলা ট্রাস্ট সহ বন্ধ গণমাধ্যম গুলোর বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার হয় নাই? মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আর শহীদ জিয়ার দৃষ্টিতে অবিচল থাকা গণমাধ্যম গুলো ডিএমপির অন্তর্ভুক্ত করা নির্দেশনা এখনো আসে নাই?তারপর প্রবীণ ও কর্মহত সাংবাদিকদের মানসম্মত জীবন ও চিকিৎসা তথা স্হায়ী ভাতা প্রদান জুলাই মাসে কার্যকর করতে হবে। রাষ্ট্রের ক্ষমতায় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া আর দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়া'র উত্তরসূরী তারেক রহমান। শহীদ জিয় গণমাধ্যম যাতে প্রকাশে বাঁধা সৃষ্টি না হয় সেই জন্যে স্বল্প মুল্য বা হ্রাসকৃত মূল্যে কাগজ সরবরাহের ব্যাবস্হা করেন। বিদ্যুৎ সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজতর করেন। শহীদ জিয়া বলতেন গণমাধ্যম দালালীর জন্যে নয় সঠিক পথ দেখানোর জন্যে? যারা প্রকৃত সাংবাদিক তাদের সবাই তারেক রহমান এর দিকে চেয়ে আছে। এদিকে প্রযুক্তির বদৌলতে অনলাইন সহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যাচার যেন জাতিকে অন্ধকারে দিকে ঠেলে দিচ্ছে! শহীদ জিয়া আর দেশনেত্রী উত্তরসূরী তাদের পথের বাইরে গেলে সবার আগে বাংলাদেশের বিপরীতে সবার আগে কৃতদাস হতে হবে এটা মাথায় রাখতে হবে। অসাংবাদিক নেতার নামে অসঙ্গতি কর্মকান্ড বন্ধ করা। এই পেশায় ৫ আগষ্টের পর নেতা হিসাবে যারা আবির্ভাব হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের দখলদারের নিরাপত্তা রক্ষী হিসাবে পরিচিত হয়ে গেছে। শহীদ জিয়ার দর্শন দিয়ে গড়া প্রতিষ্ঠান গুলো ধ্বংস করার প্রক্রিয়া শেষ করার পথে। এই সেক্টর দেশনেত্রী উত্তরসূরীর দায়িত্ব তাদের চক্রান্ত থেকে দ্রুত উদ্ধার করা। ইনশাআল্লাহ তাহলেই মালোশিয়া, চীন সফরের অর্জন সফল ভাবে দেশবাসী ভোগ করবে।
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.