আমি মোঃ শফিকুল হাসান এই মর্মে জানাচ্ছি যে, কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে সত্ব প্রণোদিত হয়ে অসত্য মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা অসত্য প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কারণে আমি সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। অতি উৎসাহী হয়ে এই ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমি সনির্বন্ধ বিনীত অনুরোধ জানাই।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে যে, আমি এডিবি অর্থায়িত পার্বত্য অঞ্চলের পানি প্রকল্প ও গোপালগঞ্জ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছি। টেন্ডারে কারসাজি করেছি এবং ৫% কমিশন নিয়েছি । শুধু এই প্রকল্প থেকেই প্রায় ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছি বলে অভিযোগ।গোপালগঞ্জ পানি প্রকল্পে অনিয়ম অফিস সাজসজ্জায় প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে চার গুণ বেশি দেখিয়েছি। নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্যে ৩০–৩৫ কোটি টাকা লোপাট করেছি যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও কল্পনা প্রসূত। আমি সরকারি নিয়ম-নীতি ও কর্তৃপক্ষের আদেশ মোতাবেক কাজ করেছি যার কারনে কিছু কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ঈর্ষান্বিত হয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের সামনে উপস্থাপন করেছে, যার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। সরকারি নিয়ম নীতি মেনে আমি অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করেছি। যেটা আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত আছেন।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, এডিবি অর্থায়নে শুরু হওয়া প্রকল্পে মাত্র ৩% অগ্রগতি হয়েছে। কনসালটেন্ট নিয়োগে প্রায় ৬ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। আউটসোর্সিং নিয়োগে প্রতি পদে ৩–৫ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করা হয়েছে। প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা, কিন্তু কার্যত কোনো উন্নয়ন হয়নি। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত।
প্রকাশিত সংবাদ: প্রকল্প থেকে হাতানো টাকা হুন্ডির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয়েছে। স্ত্রী ও সন্তানরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেখানে বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি রয়েছে। ঢাকায় আমার নামে তিনটি ফ্ল্যাট ও গোপালগঞ্জে একাধিক জমি রয়েছে।
আমার বক্তব্য: আমার কর্মজীবনে কোন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করি নাই। আমি এই ধরনের অসত্য সংবাদের তীব্র বিরোধিতা করছি।কিছু কুচক্রীমহল আমার সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে একই ধরনের বানোয়াট তথ্য একই কায়দায় ও কুরুচিপূর্ণ একাধিক শিরোনাম দিয়ে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করেছে যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মানহানিকর এবং ফৌজদারি অপরাধ ও বটে। এই বানোয়াট সংবাদে আমাকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে ।এই ধরনের ভুয়া সংবাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পারিবারিক ও সামাজিক কোন প্রকার বিন্দুমাত্র কোন সম্পর্ক ও সত্যতা নেই। এই ধরনের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে আমি ঘৃণার সহিত প্রতিবাদ জানাই।
প্রকাশিত সংবাদ: আমার বিরুদ্ধে ৩ বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও বিদেশে থাকার অভিযোগে, বিভাগীয় মামলা চলমান ছিল এবং পদোন্নতি ৫ বছরের জন্য স্থগিত ছিল।
আমার বক্তব্য: আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।আইনগতভাবে কোন ব্যক্তি অপরাধী না হলে তাকে অপরাধী বলা আইনের দৃষ্টিতে অসামঞ্জস্য এটা সবারই জানা উচিত বলে আমি মনে করি।
প্রকাশিত সংবাদঁ ও আমার বক্তব্য:গোপালগঞ্জ কানেকশন" ব্যবহার করে দ্রুত উন্নতি করেছি বলে অভিযোগ। কুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা নিয়ম অনুযায়ী যে সরকার ক্ষমতায় আসে আমরা সেই সরকারের চাকরি করি আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
পরিশেষে আমি সুস্থ ও সজ্ঞানে জানাচ্ছি যে, জাতীয় পত্রিকায় অনলাইনে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যত প্রকার মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে সে সকল মিথ্যা অভিযোগ বা সংবাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিনীত
মোঃ শফিকুল হাসান
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.