গণপূর্ত অধিদপ্তর আর আগের মত নেই। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। গণপূর্তে সৎ ও মানবিক প্রকৌশলীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আগের সেই দুর্নীতিগ্রস্ত তথাকথিত উন্নয়ন আর নেই। এখন দুর্নীতিমুক্ত গণপূর্ত প্রতিষ্ঠিত করাই কর্মরত সকল প্রকৌশলীর প্রধান ব্রত। প্রধান কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত রমনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১, শাখা-২(রমনা ষ্টোর)। উক্ত দপ্তরের কর্মরত উপ- সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত আছেন খন্দকার মমিনুর রহমান ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত আছেন মোঃ মেহবুবার রহমান। তাদের যৌথ তদারকিতে রমনা ষ্টোরের পুরো কম্পাউন্ডের অভ্যন্তরীণ রাস্তা সমূহ বিটুমিনাস কার্পেটিং করা হয়। প্রয়োজনীয় ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডামসহ গড়ে ৩ ইঞ্চিরও বেশী পুরুত্বের কার্পেটিং এর কাজ করা হয়। পূর্বে এই এলাকা ভাঙাচোরা ও ঘীঞ্জি পরিবেশ ছিল। প্রধান প্রকৌশলী মহোদের নির্দেশনায় উক্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন ও কাজের মান যাচাই করেন গণপূর্ত মেট্রো জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নগর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও সংম্লিষ্ট উপ-সহকারী প্রকৌশলী । পরিদর্শনকালীন তারা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন এবং সেই মোতাবেক চুলার পরিবর্তে রেডি মিক্স এর মাধ্যমে উন্নত মালামাল ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। উপসহকারী প্রকৌশলী এই প্রতিবেদককে সঙ্গে নিয়ে পুরো এরিয়া পরিদর্শন করেন এবং কাজের মান খুবই সুন্দর ও মানসম্মত হয়েছে বলে প্রতিয়মান হয়। উপ-সহকারী প্রকৌশলী কার্যালয় রমনা গণপুর্ত উপ বিভাগ-১ শাখা-২ এ বর্তমান কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমান। এ ব্যক্তির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় উনি পূর্বে যে এলাকায় কাজ করেছেন সে এলাকা অনেক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। জানা যায় তিনি সৎ এবং পরিশ্রমী একজন মানুষ। ষ্টোরে উপস্থিত অনেকে কাজের মান ভালো হয়েছে বলে প্রতিবেদকের কাছে মত প্রকাশ করেছেন।
Copyright © 2026 সত্যযুগ. All rights reserved.